মতামত

এই হলো আমাদের উপাচার্যদের চরিত্র!

“যুক্তরাজ্য ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন তিনি। প‌রে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হন। সেখানে বিএনপি রাজনী‌তি কর‌তেন। বিএন‌পি-জামায়াত প্যানেল থেকে সেখা‌নে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সহসভাপতিসহ নানা পদে নির্বাচন করেন। নি‌য়ে‌ছেন নানারকম সুযোগ সুবিধা। ২০০৪ সালে উপাচার্য হওয়ারও চেষ্টা করন বিএনপির প্যা‌নে‌লে। কিন্তু আরও লোক থাকায় তিনি হতে পারেননি।

বিএনপির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আগে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। উপাচার্য হওয়ার স্বপ্ন তার স‌ত্যি হয়। হ্যা, গোপালগঞ্জে বাড়ি শুধু এই পরিচয়েই তিনি শক্ত লবিং করে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হন। নানা অনিয়ম দুর্নীতির পরেও তাকে দ্বিতীয় মেয়াদে ভিসি করা হয়। আশ্চর্যের বিষয় তাঁর স্ত্রী যিনি এখনো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তিনি এখনো বিএনপির সোনালী দলের প্রভাবশালী নেতা।”

নানা ঘটনার স্বাক্ষী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্র গত রা‌তে আমাকে তথ্যগু‌লো পা‌ঠি‌য়ে‌ছেন। তি‌নি ব‌লে‌ছেন, একটা তথ্যও মিথ্যা কী না খোঁজ নিন। আর সব‌চে‌য়ে বড় বিষয় লোকটা মানু‌ষের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষ‌তিকর। আওয়ামী লীগ সরকার ভি‌সি করার জন্য আর কাউ‌কে পেল না? লোকটা কী আওয়ামী লীগ সরকারের ভাবমু‌র্তি বাড়া‌চ্ছে না ধ্বংস কর‌ছে? মানুষ তো দিন‌শে‌ষে প্রধানমন্ত্রী‌কেই গা‌লি দে‌বে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ফাতেমা তুজ জিনিয়া, ভিসি খন্দকার নাসির উদ্দিন

আমি তাকে কিছুই বলিনি। আমি কী বলবো? আর বিএনপি করাটা আমার কা‌ছে দোষে‌র নয়। ভি‌সি সা‌হেব কখনো তার বিএনপির রাজনী‌তি অস্বীকার ক‌রে‌ননি। অপরাধ হ‌চ্ছে অ‌নিয়ম করা। অপরাধ হ‌চ্ছে বিশ্ব‌বিদ্যালয়টা ধ্বংস করা। আরও বড় অপরাধ হ‌চ্ছে তা‌কে প্রশয় দেয়া। সে কাজ‌টি আবার কর‌ছেন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগের ক‌য়েকজন নেতা। তা‌দের কথা‌তেই সব হয়।

সব দে‌খে মনে ম‌নে ভাব‌ছি, এই হলো বাংলাদেশ! এই হলো বাংলাদেশের বিশ্ববাদ্যালয়গুলোর হালচাল! এই হলো আমাদের উপাচার্যদের চরিত্র। এদের হাত ধ‌রে কী ক‌রে একটা দে‌শের শিক্ষাব্যবস্থা গ‌ড়ে উঠবে?

আরও পড়ুন- ভিসি নামের এই বিষবৃক্ষটাকে উপড়ে ফেলুন দয়া করে!

Facebook Comments

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button