সিনেমা হলের গলি

অভিনয়, পরিচালনা, প্রযোজনা, ডেডিকেশন- একের মধ্যে সব!

বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা আমির খানকে চেনে না এমন মানুষ সম্ভবত এই এশিয়া মহাদেশে খুঁজে পাওয়া যাবে না, যিনি বলিউডে “মি. পারফেকশনিস্ট” হিসেবে খ্যাত। মুভির বিষয়বস্তু যাই হোক, প্রতিটি মুভির পেছনে তার যে পরিমাণ পরিশ্রম আর ডেডিকেশন থাকে, তা অভাবনীয় সেটা স্বীকার করতেই হবে! তার এই খুঁতখুঁতানি স্বভাবের জন্যই সম্ভবত তার করা সিনেমাগুলো হয় ইউনিক, যদিও সাম্প্রতিককালে “থাগস অফ হিন্দুস্তান” সিনেমাটি দর্শক মহলে বেশ সমালোচিত হয়েছে। তার পূর্বাপর সিনেমাগুলো বিশ্লেষণ করলে এরকম দু-চারটা খুঁত ক্ষমা করে দেওয়াই যায়, কারণ দর্শকের জন্যই আমির, আমিরের জন্যই দর্শক। যিনি শুধুমাত্র বলিউডের নির্দিষ্ট স্টেরিওটাইপ রোমান্টিসিজম কিংবা অ্যাকশনের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেন না। ভিন্ন ভিন্ন মুভিতে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করা, নিজেকে বারবার ভাঙা-গড়া তার নেশা। সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা এবং পরিচালনাতেও তিনি তার “পারফেকশনিস্ট” সিগনেচার রেখেছেন সমান তালে।

২০০৭ সালে তিনি প্রযোজক এবং একই সাথে পরিচালক হিসেবেও অভিষিক্ত হোন বলিউডে এবং প্রথম মুভিতেই আমির পরিচালক এবং প্রযোজক হিসেবে তার জাত চিনিয়েছেন সবাইকে। তার প্রযোজনা এবং পরিচালনায় করা প্রথম সিনেমাটির নাম ছিল “Taare Zameen Par”, যেটা বিষয়বস্তুর দিক দিয়ে যেমন টিপিক্যাল বলিউডি ফিল্ম থেকে ভিন্ন ধারার ছিল, তেমনি দর্শকমহলেও বেশ ভালো সাড়া ফেলে দিয়েছিল শিশু মনস্তত্ত্ব এবং শিক্ষা পদ্ধতি নিয়ে বিষয়বস্তুর কারণে।

সিনেমার প্লট নিয়ে আলোচনা করার আগে একটা মেডিক্যাল ডিজঅর্ডারের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেই। এই মেডিক্যাল ডিজঅর্ডারের নাম “ডিস্‌লেক্সিক”। এই রোগে আক্রান্ত মানুষেরা দৈনন্দিন জীবনে সব কাজ ঠিকমতো করতে পারলেও কোনো কিছু পড়তে গেলে বেশ সমস্যা পোহাতে হয় তাদের। তারা কোনো কিছু বানান করে পড়া, দ্রুত রিডিং পড়া, কোন কিছু লেখা এসব ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা পোহায়। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা যখন কোনো কিছু পড়তে যায়, তখন তার মনে হয় লেখার শব্দগুলো লাফাচ্ছে। তাই তখন সে ঠিকমতো শব্দগুলো পড়তে পারে না। এই অদ্ভুত সমস্যা যাদের রয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা তাদের সমস্যাটা পরিবার কিংবা আশেপাশের মানুষদের ঠিকমতো বোঝাতে পারে না। যার কারণে যথেষ্ট মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও পরীক্ষায় তাদের রেজাল্ট খারাপ হয়। “তারে জামিন পার” সিনেমায় ঠিক এই রোগে আক্রান্ত একটা ছোট্ট ছেলের মনোজগত আমাদেরকে দেখানো হয়েছে, যে বয়সের কারণে স্বাভাবিকভাবেই যথেষ্ট চঞ্চল এবং কৌতুহলী প্রবৃত্তির, কিন্তু ডিস্‌লেক্সিকে আক্রান্ত হওয়ার কারণে লেখাপড়া জিনিসটা যার কাছে মূর্তিমান আতংক।

যে ছোট্ট ছেলেটাকে নিয়ে কথা বলছি, সিনেমায় তার ক্যারেক্টার নাম ইশান (দারশিল সাফারি)। বয়স ৮ বছর। এই বয়সের বাচ্চাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি যা থাকে, তাই আছে ইশানের মধ্যে। সে খেলতে ভালোবাসে, ঘুরতে ভালোবাসে, মায়ের হাতের সুস্বাদু খাবার খেতে ভালোবাসে, আব্বুর কাছে খেলনা কিনে দেওয়ার জন্য আবদার করতে ভালোবাসে, একমাত্র ভাইয়ের সাথে দুষ্টুমি করতে ভালোবাসে। শুধু একটা জায়গাতেই সে কেমন যেন থমকে যায়। তার যে “ডিসলেক্সিক” রোগ আছে সে নিজেও তা জানে না, পরিবার তো পরে জানবে। এই রোগের কারণে ঠিকমত কোন অক্ষরই সে পড়তে পারে না, বানান করতে পারে না! “W” দেখতে উল্টা “M” নাকি “M” উল্টা “W”! যখন সে কোন কিছু পড়তে যায়, তার চোখের সামনে অক্ষরগুলো লাফাতে থাকে, ডিগবাজি খেতে থাকে, তার চোখের সামনে নেচে বেড়াতে থাকে! মাছ, ঘুড়ি, কুকুর হয়ে ঘুরে বেড়ানো সেই শব্দগুলো বালক মনের আনন্দের খোরাক হলেও তা বড়দের কাছে বিরক্তিকর ছাড়া আর কিছুই নয়। এই গুপ্ত রোগের কারণে ইশানের মেধা থাকা সত্ত্বেও সে লেখাপড়ায় মনোযোগ দিতে পারে না ঠিকমতো, ফলাফলস্বরূপ ঠিকমতো হোমওয়ার্ক করে না, ক্লাস টেস্টেও নিয়মিত হারে ডাব্বা খায় সে। কখনো কখনো ক্লাস ভাং দিয়ে এখানে সেখানে মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসে ও। তার মনের মধ্যে তৈরী হওয়া জগতটাতেই সে সর্বদা বিচরণ করতে থাকে। ইশানের বাবা-মা জানে না ইশানের এই সমস্যা, তাই স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেয় তারা ইশান বড্ড ফাঁকিবাজ। সবাইকে বিরক্ত করতে সে পটু, বড়দের কথার কোনো দাম দেয় না সে। ইশানের মা-বাবাকে আসলে সেজন্য দোষও দেয়া যায় না।

পৃথিবীর প্রত্যেক মা বাবার চোখেই তার শিশু সন্তানকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন থাকে। নিজেদের জীবনের অপূর্ণতাগুলো তারা তাদের শিশু সন্তানদের মাধ্যমে পূর্ণ করতে চান। সন্তানকে নিয়ে আরেকজনের মুখে প্রশংসা শুনতে কোন বাবা-মায়েরই না ভালো লাগে! কিন্তু শিশুরা তাদের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা এই প্রত্যাশার ভার বেশিরভাগ সময়েই বইতে পারে না। এটা আসলে কার দোষ? সন্তানের সক্ষমতা বুঝে বাবা-মা যদি তাদেরকে সেইভাবে দিকনির্দেশনা দেয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সন্তান তাদের আশা প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হয়। দরকার শুধু একটু তাদের সাথে ভালোভাবে মেশা, তাদেরকে বোঝার চেষ্টা করা।

প্রত্যেকটা মানব শিশুরই জন্মের পর কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয়ে প্রতিভা থাকে। পর্যাপ্ত সময় এবং সুযোগের সদ্ব্যবহারে সেই প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে পারে তারা। সেজন্য বাবা মায়ের উচিৎ শিশু সন্তানদের ওপর প্রত্যাশার পাথর চাপিয়ে না দেওয়া। যদি দুনিয়ার সব মা বাবা এরকমটা করতেন, তাহলে তাদের সন্তানদের মাঝ থেকে কোন সংগীতশিল্পী বের হয়ে আসতো না, কোনো খেলোয়ার উঠে আসতো না। ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারকে যদি তার বাবা খেলতে না দিয়ে সারাদিন শুধু পড়ার টেবিলে বসিয়ে রাখতেন তাহলে আমরা আজকের ক্রিকেটার টেন্ডুলকারকে পেতাম না, আজকে বাংলাদেশের ক্রিকেটে যারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সেই মাশরাফি, সাকিব আল হাসানদের পেতাম না। যদি এ আর রহমানের পিতা এ আর রহমানকে গান না গাইতে দিতেন তাহলে তার সুরেলা কন্ঠ থেকে আমরা আজ বঞ্চিত হতাম। তাই বাবা মায়ের উচিৎ সন্তানের আগ্রহ যেখানে, সেখানেই তার প্রতিভার বিকাশের সুযোগ করে দেয়া।

ইশানের বাবা মা অবিবেচক ছিলেন না। সন্তানের ইচ্ছের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ছিল বিধায় ইশানের বড় ভাইকে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধূলার অনেক সুযোগ করে দিয়েছেন। তবে সেজন্য শর্ত ছিল লেখাপড়ায় আগে ভালো করতে হবে যা ইশানের ভাই করেছিল, কিন্তু ইশান তার অক্ষমতার কারণে স্কুলের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারেনি বলে এবং তার ফাঁকিবাজির খবর পেয়ে প্রচন্ড পরিমাণে রুষ্ঠ হোন তার বাবা।

ইশান তার বাবার তুলনায় মায়ের বেশ নেওটা। বাবা শেষ পর্যন্ত বোর্ডিং স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান নেন ইশানকে। ইশান তার পরিচিত পরিবেশ ছেড়ে যেতে মোটেও রাজি না, তারপরও তাকে এক প্রকার জোর করেই বোর্ডিং স্কুলে পাঠিয়ে দেয়া হয়। বাবা-মা হীন বোর্ডিং স্কুলে রুক্ষ কঠিন পরিবেশে ইশান হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও নিজেকে সেভাবে খাপ খাওয়াতে পারে না। বোর্ডিং স্কুলের টিচারদের মন যেন পাথরে গড়া। একটু পান থেকে চুন খসলেই ইশানকে প্রতিনিয়ত শাস্তি পেতে হতো। আস্তে আস্তে চঞ্চল ইশান শেষ পর্যন্ত যেন বোধশক্তিহীন হয়ে যায়, যে ছেলেটা এখানে সেখানে দৌড়ে বেড়াতো মনের আনন্দে, বোর্ডিং স্কুলের এক কোণায় চুপচাপ নিজের মতো করে বসে থাকতে দেখা যায় ওকে, চোখে শূন্য দৃষ্টি। যেন সামনে কী ঘটছে না ঘটছে সে সম্পর্কে তার কোনো আইডিয়াই নেই।

ঠিক এমন সময়ে ইশানের পরিচয় হয় “রাম শঙ্কর নিকুম্ভ” (আমির খান) নামের এক ড্রয়িং টিচারের সাথে। রাম শঙ্কর নিকুম্ভ আসলে প্রতিবন্ধী শিশুদের পড়ান, তার পাশাপাশি তিনি সেই বোর্ডিং স্কুলেও কিছুটা সময় দেন। তিনি উপলব্ধি করতে পারেন, ঈশান নিশ্চয়ই কোনো সমস্যায় ভুগছে। একটি সময় রাম স্যার ঈশানের বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন সে পড়ালেখায় দুর্বল হলে কী হবে, তার মধ্যে রয়েছে এক অসাধারণ প্রতিভা- ড্রয়িং। সে নিজের চিন্তা ধারণাকে রঙ তুলির সাহায্যে সবার সামনে তুলে ধরতে সক্ষম। ইশান একজন ডিজলেক্সিয়া রোগী যাদের চিন্তা ধারণা সাধারণ মানুষের চিন্তা ধারণার চেয়ে সম্পূর্ণরূপে আলাদা। তারা এক ভিন্ন জগতে বাস করলেও অবিশ্বাস্য প্রতিভা শক্তির অধিকারী হয়। শুধু এদের প্রয়োজন হয় সঠিক গাইডের। রাম শংকরের মনটা বোর্ডিং স্কুলের অন্য টিচারদের মতো এত রুক্ষ প্রকৃতির ছিল না। কারণ ইশান যে সমস্যাটা ফেস করছে, ছোটবেলায় একই সমস্যা তিনিও ফেস করেছেন। তিনি জানেন ইশানের মনে কষ্টের প্রকৃতিটা কেমন হতে পারে। তাই তিনি ঈশানকে আধুনিক যুগে সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলার ন্যায় যোগ্য করে তুলতে চান। তো আসলেই কী সেটা সম্ভব? ঈশান কি সত্যি বাকি সবার মতন স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারবে?

হিন্দী ছবিতে গানের ব্যবহার বেশ লক্ষণীয় তবে এই মুভিতে গানের প্লেসমেন্টে কিছু ক্ষেত্রে বিরক্ত লেগেছে আমার কাছে। বিশেষ করে আমির খান প্রথম ক্লাসে ভাড় সেজে রুমে ঢুকে নেচে কুঁদে যখন গান গায়, সেই অংশটা মনে হয়েছে অযাচিত। যদিও সিনেমার প্রত্যেকটা গানই ছিল বেশ শ্রুতিমধুর। বিশেষ করে, “মা” গানটা এতই মর্মস্পর্ষী ছিল যে কারো চোখে জল আনতে বাধ্য এই গানটা।

সিনেমাটিতে ঈশানরুপি দার্শিল আর শংকররূপি আমির খানের অভিনয় ছিল এক কথায় অনবদ্য! আমির খানের আগমন সিনেমার মাঝামাঝি অংশে হলেও সিনেমায় তার চরিত্রের গুরুত্ব ছিল বেশ। কারণ ঈশানের মেন্টর হিসেবে বাকিটা সময় যেভাবে তিনি নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন, তা থেকে আমাদের মতো দর্শকদের অনেক কিছুই শেখার আছে। ঈশানের মা-বাবার চরিত্রে যারা অভিনয় করেছেন তাদের অভিনয়ও ছিল বেশ প্রশংসা করার মতো।

সিনেমায় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অভিনয়, গানের পাশাপাশি যে জিনিসটা মন কেড়ে নেবে সেটা হচ্ছে এর সিনেমাটোগ্রাফি। ঈশানের ছোট্ট জগতটাকে বলতে গেলে একদম তার মতো করেই দেখানো হয়েছে। ছোট্ট ঈশানের ছুটে চলা, ড্রয়িং খাতায় তার আঁকিবুঁকি, আইস্ক্রিমওয়ালার পেছনে ওর ছুটে যাওয়া, মাকে মিস করার সময় কান্নাভেজা অভিব্যক্তি প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই ক্যামেরার কাজ ছিল অসাধারণ। বিশেষ করে যখন ছোট্ট নোটবুকে ঈশানের ড্রয়িং- যেখানে দেখা যায় পৃষ্ঠা উল্টাতে উল্টাতে ঈশান তার পরিবার ও মায়ের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, এমন দৃশ্য বলিউড সিনেমার ইতিহাসে বিরল ও অনবদ্য!

ছবিটির নাম নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। পরে একদিন এক পার্টিতে আমির সালমান এর দেখা হয় আর সেখানেই সালমান খান সাজেস্ট করেন ছবিটির নাম “তারে জামিন পার” রাখতে। পরে নামটি শুনে আমিরেরও পছন্দ হলো এবং ছবির নাম হল “তারে জামিন পার”।

আমির খান এই ছবির জন্য অভিষেক বচ্চন এর কাছ থেকে পার্মিশন নিয়েছিলেন এবং Dyselxia সম্বন্ধে ধারণা নিয়েছিলেন এবং এটা থেকে কীভাবে অভিষেক পরাস্ত হয়েছিলেন তা জেনেছিলেন, কারণ অভিষেক এই রোগে আক্রান্ত ছিলেন ছোটবেলায়।

মুভিটির রাইটার অমল গুপ্তে সাতদিন পর্যন্ত ডিরেক্ট করেছিলেন। মূলত অমলের ডিরেকশনে পুরোপুরি ভরসা না পাওয়ায় তাকে রিপ্লেস করে আমির নিজেই ডিরেক্ট করা শুরু করেছিলেন। মুভির স্ক্রিপ্ট,স্ট্র্যাটেজির বিষয়ে আমিরের সবসময়ই অগাধ জ্ঞান। অভিনয় ছাড়াও ডিরেকশন দিয়েও সেই ট্যালেন্ট প্রমাণ করেছেন তিনি।

২০০৭ সালের ২১শে ডিসেম্বর এই চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর বক্স অফিসে বাজিমাত করে। ১২০ মিলিয়ন রূপি বাজেটের এই মুভিটি সব মিলিয়ে আয় করে ৮৮৯ মিলিয়ন রূপি! ২০০৭ সালের হায়েস্ট গ্রসিং সিনেমা ছিল এটা। আইএমডিবিতে ৮.৫ এবং রোটেন টমেটোজে ৯০% ফ্রেশ রেটিং এই সিনেমাটি সাধারণ দর্শকের পাশাপাশি প্রতিটি বাবা-মায়ের দেখা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

Facebook Comments

Tags

Related Articles

Back to top button