ইনসাইড বাংলাদেশযা ঘটছে

আপনার সন্তান কি যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষাটি শিখছে?

আমি যখন এই লেখাটা লিখতে বসেছি, তখন সারাদেশের মানুষ নুসরাত নামের মেয়েটির মৃত্যুতে শোকাহত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড মন খারাপ নিয়ে আমিও সারাদিন ঘরে বসে ছিলাম। প্রতিবার এরকম এক-একটা ঘটনা ঘটে আর আমরা জাগ্রত হই, দু’দিন পর আবার ঘুমিয়ে পড়ি। এটাকে যদি ‘সহিংসতা-প্রতিবাদের ক্ষণস্থয়ী চক্র’ নামে অভিহিত করি তাহলে আপনাদের কোন আপত্তি আছে? থাকলে দয়া করে লিখে জানাবেন।

আজকের এই লিখাতে আমি বাংলাদেশে নারীর প্রতি যৌন নির্যাতন ও সহিংসতার মূলে যাওয়ার চেষ্টা করবো। কঠোর আইন করেও যে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, সেটা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করবো। ইচ্ছা না হলে এ লেখা পড়বেন না। কারণ আমি যে যৌক্তিক অবস্থান থেকে আলোচনা করবো, সেগুলো আপনাদের মনোঃপুত না হতে পারে।

যাই হোক, মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে একটু বলে নিই, ২০১৭ সালে আমেরকিা পড়তে আসার পর যে প্রফেসর আমার মনোজগতকে নতুন করে নির্মাণ করেছেন, তার নাম ড. রিচেল ল্যাভিট। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন নন-কনফর্মিং কুইর স্কলার। আরো একটু পরিস্কার করে বলতে গেলে তিনি নিজেকে নারী/পুরুষ এই দুই বাইনারির মধ্যে আবদ্ধ করতে নারাজ। ড. ল্যাভিট দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা নিয়ে গবেষণা করেন। আমেরিকান সমাজে কুইর (বিশেষত গে, রেজবিয়ান, বাইসেক্সুয়াল, ট্রান্সজেন্ডার ও অন্যান্য) কমিউনিটির উপর নির্যাতনের ধরন, ধারণ, মাত্রা নানা বিষয়ে তিনি নিয়মিত কথা বলে থাকেন। ড. ল্যাভিটের কথা এ কারণেই বললাম, উনার সংস্পর্শে না এলে আমি হয়তো আমেরিকার মত সমাজে এখনো প্রতিদিন ঘটে যাওয়া সহিংসতার নানামাত্রিক রূপ সর্ম্পকে গভীরভাবে জানার ও উপলব্ধি করার সুযোগই পেতাম না। যাই হোক, মূল কথায় আসি। আমি মনে করি, বাংলাদেশে আমরা যে যৌন সহিংসতা দেখি, তার মূল অন্তত দুই জায়গায়: একটা কারণ একেবারেই স্ট্রাকচারাল বা কাঠামোগত। আর দ্বিতীয়টি রিপ্রেজেনটেশনাল। অর্থাৎ, যে পরিমাণে সহিংসতার ঘটনা ঘটে, সেগুলোর ১% ও হয়তো আমরা দেখতে পাই না। যে কারণে সহিংসতার ধারনাটিই আমাদের কাছে অস্পষ্ট। অনেকে অস্বীকার করতে চায়। কেন দেখতে পাই না, সে কারণ একটু পরেই বলছি।

ধরুন, নুসরাতে নামের মেয়েটের সাথে যে পুরুষটি যৌন সহিংসতা করেছে, এ ঘটনায় কয়েকটি বিষয় বিবেচ্য:

এক. একজন পুরুষ শিক্ষকের কাছে নারী শিক্ষার্থী নুসরাতের অধঃস্তন অবস্থান, যেটাকে আমি বলছি স্ট্রাকচারাল সমস্যা।

এবং দুই. খবর নিয়ে দেখুন, নির্যাতক লোকটি শুধু নুসরাতকে না, আরো অনেক ছাত্রীকেই নির্যাতন করেছে; কিন্তু তারা এতদিন প্রতিবাদ করার সাহস পায় নি। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এরকম যৌন নীপিড়ক অনেক শিক্ষকের চেহারা আমরা কম-বেশি প্রত্যেক্ষ করেছি। কয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে? কয়জন মুখ খুলেছে? একবার ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন। আমার বিবেচনায় ১% ও না। এটাকে আমরা বলছি রিপ্রেজেনটেশনাল সমস্যা।

আমেরিকাতে ৯০ দশকে প্রফেসর ক্রেনশ “ইন্টারসেকশনালি” ধারণাটি হাজির করেন। তিনি বলতে চাচ্ছেন, একজন নারী প্রথমত নারীর অধঃস্তন সামাজিক অবস্থানের কারণে নির্যাতিত হয়। তারপরে তার রেসিয়াল ও এথনিক কারণে নির্যাতনের মাত্রা বাড়ে। এবং প্রতিটি আলাদা আলাদা পরিচয় তাকে আরো আরো বেশি সহিংসতার প্রতি ধাবিত করে। সোজা কথায়, একজন শ্বেতাঙ্গ নারীর প্রতি সহিংসতার ধরণ ও মাত্রা এবং একজন আফ্রিকান আমেরিকান নারীর প্রতি সহিংসতার ধরণ ও মাত্রা আলাদা। শত বছর ধরে আফ্র্রিকান আমেরিকান জনগোষ্ঠীর উপর নির্যাতনের যে ইতিহাস, সে ইতিহাসের সামাজিক বাস্তবতায় দাড়িয়ে কালো নারীর প্রতি সহিংসতার মাত্রা অধিক, তাদের পক্ষে প্রতিবাদ করা অনেক বেশি কঠিন, এবং বিচার লাভের সম্ভাবনাও ক্ষীণ। সাদাচোখে বাংলাদেশে সাদা-কালো বিভাজনের মত সামাজিক সমস্যা নেই। তবে বাংলাদেশে যে সমস্যা আছে সেগুলো হলো উপরোল্লিখিত কাঠামোগত ও রিপ্রেজেন্টেশনাল। বাংলাদেশে একজন নারী যখন সহিংসতার শিকার হয়, স্বাভাবিকভাবেই নারী হবার কারণে তারা খুব একটা বিচার পায় না। গরীব হলে বিচার পাবার আশাও অনেক নারী করে না। এমন বাস্তবতায় যদি, সে নারী গরীব ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর কেউ হয়, তাহলে তো আর কথায় নেই। বিচারের আশা করাটাই কঠিন হয়ে দাড়ায়। এখানে আইনী জটিলতার চেয়েও বড় সমস্যা আইন প্রয়োগকারী জনগোষ্ঠীর পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা। নুসরাতের ঘটনায় পুলিশের জেরা করার বিকৃত ভিডিওটি দেখলেই বোঝা সম্ভব, সহিংসতার শিকার নারী কীভাবে দ্বিতীয়বার আবারো পুলিশের কাছে নির্যাতিত হয়। নারী তো বেটই, বাংলাদেশের কত শতাংশ মানুষ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে নিরাপদ বোধ করেন, সে পরিসংখ্যান আমার জানা নেই। আপনারা পারলে আমাকে জানাবেন।

বাংলাদেশের কাঠামোগত সমস্যার আরো একটি দিক হলো, আপনি যখন কোন কাঠামোর সংস্কার চাইবেন, সেই সংস্থার লোকজন আপনার কথা আমলে তো নিবেই না, উল্টো প্রতিবাদ করে জনজীবন বিষাক্ত করে তুলবে। যেমন ধরুন, চিকিৎসা ব্যবস্থার সংস্কার চাইলে ডাক্তাররা এক হয়ে সেবা প্রদান বন্ধ রাখে। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার সংস্কার চাইলে শ্রমিকদল এক হয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলবেন? নিজের কল্লাটা পরদিন থাকবে কিনা সে গ্যারান্টি রাষ্ট্রও দিতে পারে না। শুক্রবারে বায়তুল মোকররম থেকে মোল্লাদের মিছিলের চিৎকারে রাষ্ট্রও কেঁপে উঠে। আর পুলিশ ও আর্মির সংস্কার চাওয়ার মত বুকের পাঁটা বাংলাদেশে কার আছে জানি না। সংস্কার চেয়ে খুব লাভও হয় না, এটাই চিরন্তন সত্য। প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেনস! অর্থাৎ, নারী নির্যাতিত হয়। সহিংসতার শিকার হয়। বিচার চাইতে পারে না। অল্প দু’চারজন বিচার চাইতে গেল দ্বিতীয় দফা আবারো নিযার্তিত হয়। ফলে নারীর প্রতি সহিংসতার একটা খন্ডচিত্র আমরা দেখতে পাই যেটা খুবই সামান্য। বিশ্বাস না হলে পাহাড়ী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাথে কথা বলে দেখুন। মোট নির্যাতনের কত শতাংশ চিত্র আসলে আমাদের সামনে আসে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এসবই স্ট্রাকচারাল এবং রিপ্রেজনটেশনাল সমস্যা।

স্টাকচালার সংহিসতা একথাটাই বলে যে, সমাজের বিদ্যমান কাঠামোই আসলে কোন ব্যক্তিবিশেষ বা জনগোষ্ঠীর প্রতি সংহিস হওয়ার শক্তি যোগায়। আমরা যদি, এ কাঠামোতে নারীকে বিবেচনা করি, তাহলে যে যে কারণে নারীর প্রতি সহিংসতা এখনো টিকে আছে সেরকম কারণগুলোর একটি হলো, নারীর অধঃস্তন সামাজিক অবস্থান। যতদিন পর্যন্ত নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি হচ্ছে না, নারী ততদিন প্রতিবাদ করতে সাহসী হবে না। ঘরে, বাইরে, বাসে সবখানে চুপ! গতকাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী লিখেছে, বোরকা পরা মেয়েরা জনপরিসরে তুলনামূলক অধিকতর নির্যাতন/সহিংসতার শিকার হয়। কারণ হিসাবে মেয়েটি দাবী করছে, নিযার্তক ধরেই নেয়, বোরকা পরা মেয়েরা অধিকাংশ সময়ই প্রতিবাদ করার মত সাহসী হয় না। এ কারণে নির্যাতক এই মেয়েগুলোকেই টার্গেট করে। এ হাইপোথিসিসকে ধরে আরো গবেষণা হওয়া উচিত। তারপরে ধরুন, যে নারী বোরকা পরে না, চাকরিও করে, সেও নির্যাতনের শিকার হয়। এমনকি ৫ বছরের শিশুরাও রক্ষা পায় না। এ ঘটনাগুলো একারণেই ঘটে যে, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ঘটনাগুলো সমাজে ঘটতে ঘটতে এক ধরনের “স্বাভাবিকতা” তৈরি করে। যেটাকে আমরা ইংরেজিতে ”নরমালাইজেশন” বলে থাকি। মানুষ ধরইে নিচ্ছে- “এগুলো তো একটু-আধটু হয়ই”! এই স্বাভাবিকতা আবার অপরাধের বৈধতাও দেয়। আপনার ঘরে ডাকাতি হলে বা আপনাকে কেউ ছুরিকাঘাত করলে আপনি থানায় মামলা করতে যান; কিন্তু পরিবারে-বাসে-কর্মস্থলে মলেস্টেশনের শিকার হয়ে কয়টা নারী মামলা করতে যায়? যায় না কারণ তারা জানে এমন সহিংসতার খুব বেশি বিচারও হয় না। অপরাধী নানাভাবে সহজে পার পাওয়ার সুযোগ লাভ করে। তারচেয়ে বড় কথা, নারীর উপর যুক্ত হয় নানামুখী বাধা। পারিবারিক বাধা। সামাজিক লোকলজ্জার বাধা। ভয়-ভীতি। আরো অনেক অনেক বাধা।

এখন প্রশ্ন হলো, কঠোর আইন করে এ সমস্যার সমাধান হবে কিনা? আমার মতে হবে না। আমি আবারো বলছি- না, হবে না! যেসব সহিংসতায় কোন ব্যক্তি/গোষ্ঠী ইন্টারসেকশনাল আইডেন্টিটির কারণে সহিংসতার শিকার হয়, সেখানে আইন একমাত্র সমাধান তো নয়ই, কার্যকরী সমাধানও নয়। ধরুন, নুসরাতকে যে যৌন নির্যাতন করা হলো, সে ঘটনা সেখানেই শেষ নয়। তাকে আগুনে পুড়িয়ে কেন মারা হলো? ভারতের নির্ভয়া নামের মেয়েটিকে গণধর্ষণ করার পর তার যৌনাঙ্গে আস্ত রড ঢুকিয়ে তাকে ক্ষতবিক্ষত করা হলো কেন? অধিকাংশ সময় পত্রিকাতে নানা ফিল্টারের পর আমরা যে খবরগুলো পাই, সেখানে দেখবেন, নারীকে প্রথমে ধর্ষণ করা হয়, তারপর ক্ষত বিক্ষত করে খুন করা হয়। কেন? কারণ- এখানে অপরাধের সাথে যে উপাদনটি যুক্ত থাকে তার নাম “ঘৃণা”। এটাকে ইংরেজিতে আমরা হেটক্রাইম বলি। ক্যানডেল টমাস এবং জ্যাক এপোথিসহ আরো অনেক আমেরকিান লিগ্যাল স্কালারা মনে করেন, হেট ক্রাইম ল’ আসলে হেট ক্রাইম কমাতে তেমন কার্যকর কোন পদক্ষেপ নয়। আমি মনে করি, বাংলাদেশেও তাই। কিছু কারণ ব্যাখ্যা করছি: প্রথমত, আপনি যখনই একজন অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনছেন, তার মানে, অপরাধী নিজে এটা অনুভব করছে যে, সে তার কৃতকর্মের সাজা পাচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, এধরনের অফেন্ডাররা মুক্ত হয়ে আবারো একই ধরনের অপরাধ করে। তাহলে তার জেল-জরিমানা আদৌ তার মানসিকতার পরির্বতন করতে পারছে কী? যদি সেটা না হয়, আপনি কয়জনকে শাস্তি দিবেন? ১% অপরাধী যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয় তারা ছাড়াও তো বাকী ৯৯% অপরাধী স্ট্রাকচারাল ও রিপ্রেজেনটেশনাল কারণে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়ায়ই না। তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা হবে না? তারচেয়ে বড় কথা, ব্যবস্থা হলেও তো মানসিকতার পরির্বতন হচ্ছে না। যে কারণে সহিংসতাও থামছে না। দুষ্টুচক্রের মত ঘুরপাক খাচ্ছে বছরের পর বছর।

দ্বিতীয়ত, যে বা যারা হেট ক্রইম ভিকটিম, তারা বিচার পাবার পর কতখানি সন্তুষ্ট? শাস্তি-ই কি একমাত্র ক্ষতিপূরণ? আসলে এ ধরণের অপরাধের তো কোন ক্ষতিপূরণই হয় না। তারপরেও ভিকটিম ও তার পরিবার কথা বলে না, কারণ, এই আইনী ব্যবস্থা মূলত এ ধরনের অপরাধকে এক ধরনের বৈধতা দেয়, এই মর্মে যে- এসব অপরাধ সমাজের আর দশটা অন্য অপরাধের মতই একটা সমস্যা। এটার বিচারও তো হচ্ছে। তারপরে আবার এত কথা কিসের! যেন এটা পকেটমার বা জনপরিসরে ধুমপান করার মতই সাধারন একটা অপরাধ।

বিচার হলেই কি সব শেষ? বিচার তো আগেও অনেক হয়েছে, হেইটক্রাইম কি বন্ধ হয়েছে? নুসরাতের প্রতি নির্যাতনকারী সেই পুরুষটিও বিচারের মধ্য দিয়ে যাবে। ধরে নিলাম প্রমাণ হবে, তাকে মৃত্যুদন্ডই দিলেন। নুসরাতের পরিবার বিচার পেয়ে শান্তি পেল। আর আমরা যারা ফেসবুক, ব্লগে লেখালেখি করি, তারাও খুশি হলাম। এতে কী ধর্ষণ বন্ধ হবে? একারণেই আমেরকিান স্কলাররা আইনের কার্যকারীতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সমাধান হিসাবে তারা বলছেন, “প্রো-একটিভ এ্যাকশান”। অর্থাৎ, আমাদেরকে সমাজের সেই স্ট্রাকচারটার ভিতরে গিয়ে মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। পরিবারে, সমাজে, স্কুলে, পাবলিক বাসে, সবখানে নারীর জন্য সম-মর্যাদার একটা অবস্থান তৈরি করতে না পারলে নারী উল্লোখিত সবগুলো জায়গাতেই তার অধঃস্তন অবস্থানের কারণে নির্যাতিত হতেই থাকবে। এই নির্যাতনের ১% হয়তো ছাঁকনির ভিতর দিয়ে গণমাধ্যমে আসবে; তারপর আমরা দু’চার দিন লাফালাফি করে নির্যাতকের বিচার চাইব। ভাগ্য ভালো হলে দু’চার জন বিচার পেলেও পেতেপারে। কিন্তু সহিংসতা থেমে থাকবে না।

সবশেষে, আমি বলবো, আপনার পরিবার দিয়ে শুরু করুন। যে পরিবারে বাবা, ভাই, স্বামী বা অন্য কোন সদস্য পুরুষ হবার কারণে নির্যাতন ও সহিংসতায় অংশ নেয়, আগে তাদেরকে প্রতিহত করুন। এটা সহজ নয়। কিন্তু চেষ্টা তো করতে হবে। শিশু সন্তানকে সমমর্যাদার ধারণা দিন। মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদের ভাষাটি পরিবার, স্কুল, কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়কেই শেখাতে হবে।

ফরচুন শামীম
শিক্ষক ও গবেষক।
ম্যানহাটন, ক্যানসাস। যুক্তরাষ্ট্র।

Facebook Comments

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button