সিনেমা হলের গলি

ইংলিশ ভিংলিশ ও শ্রীদেবীর সাহসী কামব্যাকের আখ্যান

বলিউডে অনুরাগ কাশ্যাপ, সঞ্জয় লীলা বানসালি, রাজকুমার হিরাণীসহ নামজাদা সিনেমার পরিচালকদের ভিড়ে “গৌড়ি শিন্দে” নামটা একটু অপরিচিতই ঠেকবে। গৌড়ি শিন্দের জন্ম এবং বেড়ে উঠা সবকিছুই পুনেতে। “সিম্বায়োসিস ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে” গ্র্যাজুয়েশন করার পর মুম্বাইতে তিনি আসেন ডকুমেন্টারি প্রোগ্রামের ডিরেক্টর সিদ্ধার্থ ক্যাকের অধীনে ইন্টার্নি করার জন্য। সেখান থেকেই সিনেমা বানানোর পোকাটা তার মাথায় ঢুকে যায়। পরবর্তী বিভিন্ন অ্যাডভার্টাইজিং ফার্মের হয়ে অসংখ্য অ্যাড এবং শর্ট ফিল্ম তৈরী করেন তিনি। তার শর্ট ফিল্ম “Oh man (2001)” বার্লিন ফিল্ম ফ্যাস্টিভালের জন্য মনোনীত করা হয়। তার সিনেমা বানানোর ইচ্ছাটা তখন থেকেই তুঙ্গে উঠে আস্তে আস্তে। শেষ পর্যন্ত তিনি পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন “English Vinglish (2012)” ছবিটির মাধ্যমে, যে সিনেমাটা পরিচালনার পাশাপাশি এর গল্প, চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন তিনি। প্রথম সিনেমাতেই গৌড়ি শিন্দে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে দেন সবাইকে। তার পরবর্তী সিনেমা রিলিজ হয় ২০১৬ সালে, চার বছর পর। যে সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন বলিউডের প্রভাবশালী অভিনেতা শাহরুখ খান এবং আলিয়া ভাট। ছবিটা বক্স অফিসে সেভাবে ব্যবসা করতে না পারলেও বিষয় বস্তুর বৈচিত্রের কারণে সমালোচকদের কাছ থেকে ভূয়সী প্রশংসা পায়। “English Vinglish” সিনেমাটি তৈরীর পর গৌড়ি সেটা উৎসর্গ করেন তার মাকে। এই সিনেমার প্লটটা পুরোটাই তার মায়ের জীবন থেকে নেওয়া। গৌড়ির মা একজন সহজ সরল মহিলা ছিলেন, যিনি ফলমূলের ব্যাবসা করে তার সংসার চালিয়েছেন। তিনি ফ্লুয়েন্টলি ইংরেজিতে কথা বলতে পারতেন না, যে জন্য গৌড়ি শৈশবে তার মাকে নিয়ে বেশ লজ্জিত ছিলেন। এক টিভি ইন্টারভিউতে গৌড়ি বলেছেন, “আমি এই ফিল্মটা বানিয়েছি একমাত্র আমার মাকে সরি বলার জন্য।”

ইংলিশ ভিংলিশ- সিনেমাটির প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে এরকমই এক সহজ সরল গৃহিনীকে নিয়ে, যিনি সংসার অন্তপ্রাণ কিন্তু কম শিক্ষিত হওয়ার দরুন পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তার প্রাপ্য সম্মানটা পান না। মেয়ের স্কুলে প্রিন্সিপালের সাথে ইংরেজিতে কথা বলতে না পারার অক্ষমতা তাকে বুঝিয়ে দেয়, তিনি বর্তমান আধুনিক সমাজের জন্য পুরোপুরি ফিট নন। তার মেয়েও তিরস্কার করে বুঝিয়ে দেয় মাকে নিয়ে সে লজ্জিত! কিন্তু এত অসম্মান তো সেই মায়ের প্রাপ্য না। একটা সময় তিনি ঘুরে দাঁড়ান, সবাইকে বুঝিয়ে দেন তার অবস্থান আসলে কত উঁচুতে। এরকমই এক হার না মানা মনমানসিকতার মায়ের চরিত্রে প্রানবন্ত অভিনয় করেছেন বলিউডে সৌন্দর্যের দেবী বলে খ্যাত প্রয়াত শ্রীদেবী।

“ইংলিশ ভিংলিশ” ছিল শ্রীদেবীর কামব্যাক মুভি। এক সময়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবী অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছিলেন পারিবারিক কারণে। দীর্ঘ ১৫ টা বছর অভিনয় থেকে দূরে থাকার পর ২০১২ সালে তিনি আবারও এই সিনেমা দিয়ে বলিউডে কামব্যাক করেন এবং তার ভক্ত অনুরাগীরা এবার আবিষ্কার করে নতুন এক শ্রীদেবীকে, যিনি পর্দায় গ্ল্যামারের ছটা দিয়ে চোখ ধাধিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে ন্যাচারাল অভিনয়কে বেছে নিয়েছেন এটা বোঝাতে যে তিনি অভিনয়টা এখনো ভুলে যাননি। অভিনয় যে তার রক্তে, তারই ঝলক পুনরায় তিনি দেখান এই ছবিটিতে। বলিউডের জন্য ২০১২ সালটা ছিল অনেক বর্ণাঢ্য একটা বছর, যে বছরে মুক্তি পেয়েছিল অগ্নিপথ, বারফি, বোল বচ্চন, ককটেইল, দাবাং টু, গ্যাংস অফ ওয়াসিপুর ১,২, হাউজফুল ২, স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার, সন অফ সর্দারের মতো কমার্শিয়াল ধাঁচের ব্যবসাসফল সিনেমা। এত জাকজমকপূর্ন সিনেমার ভিড়েও দর্শক ইংলিশ ভিংলিশকে মনে রেখেছে এখনো শুধুমাত্র এর রিয়েলিস্টিক প্লটের জন্য, শ্রীদেবীর মনমাতানো অভিনয়ের জন্য। এই সিনেমায় ফুটে উঠেছে আমাদের সমাজের সাধারণ গৃহিনীদের জীবনের নানা টুকরো টুকরো হাসিকান্নার গল্প, এ সিনেমা দেখে দর্শক বুঝতে পারবে “সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে” কথাটির মাহাত্ন্য। দেখতে পারবে একজন গৃহিনী পরিবারের সদস্যদের হাজারো টিটকারি সামলেও কীভাবে দু’হাত দিয়ে পুরো সংসারটা আগলে রেখেছেন।

আমাদের পুরুষ শাসিত সমাজে বেশিরভাগ পুরুষই সংসারের নারী সদস্যদের কাজকে গ্র্যান্টেড বলে ধরে নেন। “আমি সারাদিন বাইরে থাকি, ব্যবসা করি, চাকরি করি, অনেক কষ্ট করে অর্থ উপার্জন করি। তুমি কী করছ? তুমি তো বসে বসে খাও!”- সংসারের নারী সদস্যটির প্রতি এরকম দৃষ্টিভঙ্গি লালন করে এরকম চিন্তা চেতনার মানুষের অভাব হবে না খুঁজলে। তাদের ভাবখানা এমন থাকে, “আমি বাইরে কষ্ট করে অর্থ উপার্জন করি। তুমি ঘরে যে কাজ করো সেটা তো তোমার কর্তব্য।” এভাবে তাদের কষ্টকে অবমূল্যায়ন করা হয়। প্রতিটি পরিবারে, প্রতিটি সংসারে মা, বোন, স্ত্রী অর্থাৎ নারী সদস্যদের এরকম কিছু চাপা দীর্ঘশ্বাস থাকে যা তারা মুখ ফুটে বলতে পারে না। কারো কাছে মনের দুঃখটা ভাগও করে নিতে পারে না। এরকমই কিছু চাপা দীর্ঘশ্বাসের দৃশ্যের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয় “Engllsh Vinglish” সিনেমাটি, আমাদেরকে বুঝিয়ে দেয় আমাদের চিন্তাভাবনার সীমাবদ্ধতা। মুভিটিতে একটা সংলাপ ছিল অনেকটা এরকম- “পুরুষ মানুষ রান্না করলে সেটা আর্ট, আর নারীর রান্না করা হল কর্তব্য।” তারা সংসারের জন্য রক্ত পানি করে পরিশ্রম করলেও দিনশেষে আমরা তাদের প্রাপ্য সম্মানটা দিতে ভুলে যাই। তাদের প্রতি আমরা সহানুভূতিশীল হই না। একবারও চিন্তা করি না তাদের অবর্তমানে সংসারের অবস্থা কতটা করুণ পর্যায়ে চলে যেতে পারে। সুযোগ পেলেই আমরা তাদের কটুক্তি করি, তাদের দুর্বলতা নিয়ে হাসি ঠাট্টা করি, দুর্ব্যবহার করি। কিন্তু এতে করে আস্তে আস্তে তার মনে যে হীনমন্যতা আর কষ্টের পাহাড় জমা হয়, তা অনুধাবন করার মতো বিবেকবুদ্ধি যদি আমাদের থাকতো তাহলে হয়তো তাদের সাথে আমরা এরকম আচরণ করতাম না।

মুভিতে শ্রীদেবীর ক্যারেক্টার নেম শশী গোদবলে। একটি উচ্চমধ্যবিত্ত পরিবারের গৃহিনী হচ্ছেন শশী। সংসারে আছে তার স্বামী আর দুই ছেলে-মেয়ে। ভীষণ গোছানো আর পরিপাটি একটা সংসারই বলা চলে। দুই হাতে শশী পুরো সংসারটা সামলায়। ঘর ঝাড়ামোছা থেকে শুরু করে সবার জন্য রান্নাবান্না, মেয়েকে স্কুলে পৌছে দেয়া, ছোট্ট ছেলেকে আগলে রাখা, চার দেওয়ালের অন্দরমহলের সব কাজ বলতে গেলে তিনি একাই করেন। এমনকি লাড্ডু বানিয়ে সেটা হোম সার্ভিস হিসেবে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌছে দিয়ে ফাঁকতালে কিছু অর্থ উপার্জনও করেন তিনি। এত কিছুর পরও একটা জায়গাতেই শশীর দুর্বলতা প্রকট, সেটা হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় তার দুর্বলতা। ইংরেজি ভালোভাবে না জানা কিংবা বলতে না পারাটা কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু স্বামীর পেশাসূত্রে প্রায়ই সমাজের হোমড়া চোমড়া ব্যক্তিদের অনুষ্ঠানে তাকে যেতে হয়। আবার মেয়ের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে প্রিন্সিপালের সাথেও প্রয়োজনে তাকেই গিয়ে কথা বলতে হয়। সেক্ষেত্রে তার মতো একজন ব্যক্তির ইংরেজি না জানাটা মোটামুটি পাপের পর্যায়েই পড়ে। স্বামী এবং মেয়ে দুজনই সেজন্য তার ওপর ত্যাক্ত-বিরক্ত। স্বামী এবং মেয়ে তো বটেই, পাড়া প্রতিবেশীদের কাছেও এজন্য কথা শুনতে হয় শশীকে। একটা অবোধ কষ্ট ধীরে ধীরে শশীর অন্তরে জমা হতে থাকে।

কিন্তু হঠাৎ করেই তার গল্পটা পাল্টে যায়। বলতে গেলে শশীই রচনা করে এক নতুন গল্প, শুরু করে এক নতুন ধরনের যুদ্ধ। শশীর বড় বোন মানু বসবাস করে আমেরিকার নিউইয়র্কে, হঠাৎ করে শশী এবং তার পুরো পরিবারকে আমন্ত্রন জানায় তার মেয়ে মীরার বিয়েতে। মেয়ের স্কুলে এক্সাম এবং স্বামীর অফিসের ব্যস্ততার কারণে সিদ্ধান্ত হয়, শশী একাই যাবে নিউইয়র্কে। তারা সব কাজ শেষ করে তারপর যাবে মীরার বিয়েতে। অন্দরমহলের চারদেয়াল এবং পরিচিত শহর ছেড়ে নিউইয়র্কের মতো একটা শহরে যাবে শশী, তাও একা একা এটা ভাবতে তার বেশ কষ্ট হচ্ছিল। যাই হোক, কোনরকম বিপদ আপদ ছাড়াই সে নিউইয়র্কে বোনের বাড়িতে পৌঁছায়। নিউইয়র্কের মতো আপগ্রেডেড একটা শহরে চলাফেরা করার জন্য ইংরেজি জানাটা যে কতটা জরুরী বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শশী সেটা হাড়ে হাড়ে টের পায়। নিজ দেশে ইংরেজি না জানার জন্য যে পরিমাণ অপমান তাকে সহ্য করতে হতো, বিদেশে এসে সেটার হার আরো বেড়ে যাওয়ায় শশীর মনে একসময় জেদ চেপে যায়। মাতৃভূমির উদ্দেশ্যে ফিরে যাবার আগে “ইংরেজি” নামের এই দুর্বোধ্য ভাষাটাকে তাকে যে করেই হোক আয়ত্ত করতেই হবে! যেমন চিন্তা, তেমন কাজ। নিউইয়র্কে এক ভাষা শিক্ষা ইন্সটিটিউটে ইংরেজি শেখার জন্য এক ক্রাশ কোর্সে ভর্তি হয় সে। তারপর শুরু হয় মজার মজার ঘটনা। সেখানে গিয়ে দেখে তার চেয়েও অবস্থা খারাপ অনেকের যারা বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছে। আস্তে আস্তে তাদের সাথে মিশতে মিশতে শশী আবারো নিজের হারানো আত্মবিশ্বাস, আত্মসম্মানের উপস্থিতি অনুভব করতে থাকে। বিশেষ করে এক ফরাসী সহপাঠী যখন তাকে প্রপোজ করে, প্রথমবারের মতো শশী নিজের ভ্যালু বুঝতে পারে। সেই ইন্সটিটিউটে কেউই জানতো না যে শশী বিবাহিত। এরপর মজার মজার অনেক ঘটনার সাথে সাথে মুভির প্লট এগিয়ে যেতে থাকে।

এই ফিল্মের প্রধান চরিত্র নারী হলেও এটা মোটেও নারীকেন্দ্রিক কোনো মুভি নয়। ছবির আসল প্রাণই হচ্ছে শ্রীদেবী। এরকম একটা নন গ্ল্যামার চরিত্রেও দর্শকেরা হঠাৎ হঠাৎ সেই হারানো দিনের শ্রীদেবীর সৌন্দর্যের ঝলক দেখতে পাবেন। আর অভিনয়? রাগ, দুঃখ, যন্ত্রণা, হাসি- বেঁচে থাকার সব উপাদানই মজুত তাঁর ভাণ্ডারে। যে সব অভিনেত্রী নায়িকা হওয়ার বাসনায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান, তাঁদের কাছে শ্রীদেবীর অভিনয় যেন টিউশন ক্লাস।

ইংলিশ ভিংলিশ বক্স অফিসে ভালো সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়। ২০ কোটি রূপির মুভি শেষ পর্যন্ত ৯০.৪২ কোটি রূপি আয় করে। এমনিতেই শ্রীদেবীর জন্য এটা কামব্যাক মুভি ছিল। সিনেমায় তার চোখ ধাঁধানো অভিনয় দর্শক এবং সমালোচকমহলে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করে। টাইমস অফ ইন্ডিয়া সিনেমাটিকে ২০১২ সালের সেরা মুভি হিসেবে আখ্যায়িত করে। বলিউডের প্রসিদ্ধ মুভি ক্রিটিক্স তারান আদর্শ এবং রাজা সেন দুজনই এই সিনেমাটিকে ৫ এ ৪ রেটিং দেন। দ্যা হলিউড রিপোর্টার সিনেমাটির ব্যাপারে প্রশংসা করে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে, যেখানে শ্রীদেবীর এই চরিত্রে অভিনয়ের সিদ্ধান্তকে “সাহসী পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করা হয়। সিনেমার ক্যারিশমাটিক পরিচালক গৌড়ি শিন্দে সেরা নবাগত পরিচালক হিসেবে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পান। এছাড়াও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী ক্যাটাগরিতে স্টারডাস্ট অ্যাওয়ার্ড পান শ্রীদেবী। ২০১৩ সালে “ইংলিশ ভিংলিশ” একমাত্র ভারতীয় মুভি হিসেবে অস্কারে মনোনয়ন পায়।

এই ছবিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। ১৯৯২ সালে সর্বশেষ অমিতাভ বচ্চন এবং শ্রীদেবী একসাথে অভিনয় করেছিলেন “Kudha Gawah” মুভিতে। মুভিটির তামিল ভার্সনে ঠিক এই চরিত্রটিতেই অভিনয় করেছেন দক্ষিণী চলচ্চিত্রের আরেক সুপারস্টার অজিত।

ছবিটিতে সহোদর বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শ্রীদেবী এবং সুজাতা কুমার। তাদের দুজনেরই অকাল মৃত্যু হয় ২০১৮ সালে। শ্রীদেবী মৃত্যুবরণ করেন ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সালে। বাথটাবে দুর্ঘটনাবশত জলে ডুবে মৃত্যু বরণ করেন। যদিও তার মৃত্যুর ধরন নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। অপরদিকে ঠিক ছয় মাসের ব্যবধানে সুজাতা কুমার ১৯শে আগস্ট, ২০১৮ তে মৃত্যুবরণ করেন। স্টেজ ফোর ক্যাটাগরির ক্যান্সার ছিল সুজাতা কুমারের। মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেই তাঁর অবস্থার অবনতি এবং শরীরের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে পড়ে। ১৯ আগস্ট রাত ১১টা ২৬ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয় বলে ট্যুইটে জানান বোন সুচিত্রা।

আইএমডিবিতে ৭.৯ এবং রোটেন টমেটোজে ৮৩% ফ্রেশ রেটিং পাওয়া এই মুভিটি পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখতে পারেন কোনো ভাবনা ছাড়াই।

Comments
Tags

Related Articles

Back to top button