খেলা ও ধুলা

তবুও মনের মধ্যে উঁকি দেয় জয়ের আশা…

১/ টসে জিতে বোলিং নেয়ার পিছনে যে চিন্তাটা ছিল, সেটা ঠিকই ছিল। পিচ দুইদিন ঢাকা ছিল। স্যাঁতস্যাঁতে পিচে তো বোলিং-ই নিবে।

২/ সমস্যা হচ্ছে, এরকম পিচে আপনার কুইক বোলার, সুইংগিং বোলার লাগবে। রুবেলের কথা বাদ দেই, রাহীকে নিলেও বুঝতাম যে, পিচ বুঝে সুইং করানোর জন্য একটা প্ল্যান নিয়ে নামসে। আজকে আসলে টস জিতে বোলিং নিয়ে রান আটকায় রাখবো- এই চিন্তার পরে কীভাবে রাখবো- বিষয়ক কোন ডেফিনিট চিন্তা মাথায় ছিল বলে মনে হচ্ছে না।

৩/ আজকের ফিল্ডিং যাচ্ছেতাই, হরিবল না বলতে না চাইলেও টেরিবল বলতেই হবে। আর ভুল থেকে শিক্ষা তো নিতে হবে। একটা উদাহরণ দেই, সাউথ আফ্রিকার সাথে ম্যাচে, মোসাদ্দেক ডীপে একটা সিঙ্গেলসকে দুই বানায় দিসিলো বল চার্জ না করে। মাশরাফি তখনই তাঁকে গালি দিয়েছিলেন। আজকে মোসাদ্দেক একই কাজ করেছে। মাসুল দিতে হয়েছে পরের বলে ছক্কা খেয়ে।

৪/ বোলিং নিয়ে আর কিছু বলতে ইচ্ছা করে না। টিম ম্যানেজম্যান্টে এরকম ডিফেন্সিভ স্ট্র্যাটেজি থাকলে কিছুই হবে না।

৫/ আজ থেকে ১৪ বছর আগে ইংল্যান্ড বাংলাদেশের সাথে ৩৯১ রান করেছিলো। আজকে ৩৮৭! সে সময়ের দৃষ্টিতে ৩৯১ অসম্ভব টার্গেট!সেইদিন আশরাফুল করেছিলেন ৫২ বলে ৯৪! অন্যদিকে ছিলেন জাভেদ ওমর। আশরাফুল ওভারের প্রথম বলে চার/ছক্কা মারে। সেকেন্ড বলে সিঙ্গেলস নেয়। জাভেদ ওমর নিষ্ঠার সাথে বাকি ওভারটা ডট দিয়ে কাটিয়ে দেন!

আবার বেশিরভাগ সময়ে ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেলস নিয়ে পরের ওভারে মেডেন দেন, অথবা চার বা পাঁচ নাম্বার বলে সিঙ্গেলস নেন। আশরাফুল স্ট্রাইকে আসলেই চার-ছক্কা মারে! আমি রাত জেগে সেই খেলা দেখতে দেখতে জাভেদ ওমরকে বকা দেই! সে এক অভুতপূর্ব অভিজ্ঞতা।

আজকে চেজ করতে হলে সৌম্য-তামিমকে দুই প্রান্ত থেকে শুরু থেকেই মারতে হবে। ২৫০ রান করে হারের মধ্যে সম্মানজনক কিছুও নাই। জিততে হবে। রানরেট চিন্তা করলেও ৩৭০+ করতে হবে!

৬/ একবার চিন্তা করেছিলাম যে, এই নখদন্তহীন স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কোন লেখালেখি করব না। তারপরেও মনের মধ্যে আশা উঁকি দেয়। ইন-শা-আল্লাহ জয়ের আশা করতে তো দোষ নাই!

Facebook Comments

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button