খেলা ও ধুলা

বেনিফিট অফ ডাউটের একপাক্ষিক স্রোত…

লিটনের আউটে আম্পায়ার্স কল ম্যাটার করেছে। ফিল্ড আম্পায়ারের ডিসিশন চ্যাঞ্জ করার জন্য পরিষ্কার এভিডেন্স থাকতে হয়। বল মাটিতে টাচ করেছে এমনটা সবার কাছে মনে হলেও আমার ধারণা পরিষ্কারভাবে কেউই দেখতে পায়নি। সে ক্ষেত্রে মিস্টার আলিম দার আউট-নট আউট দুইটা ডিসিশনই দিতে পারতেন। কিন্তু মাঠের আম্পায়ারটি যেহেতু ইংল্যান্ডের এবং মাঠের নীল পরা দলটার জয়ে নিজেদের চেয়ে পাক-ব্রিটিশ স্বার্থ বেশি জড়িত সুতরাং এই ক্ষেত্রে “নট আউট” আশা করাটা বাড়াবাড়ি।

বাংলাদেশ “নট আউট” পেতে পারত, তবে অনেস্টলি বললে সেটা কিছুটা হলেও বাড়তি সুবিধা হয়ে যেত। এ ক্ষেত্রে তথাকথিত বড় দল ছাড়া কেউ এই বাড়তি সুবিধা পাওয়ার কথা না।
সুতরাং আলিম দারকে অতি মাত্রায় গালি দেয়াটা মনে হয় না খুব বেশি সমীচীন হবে।

এখানে সফট সিগন্যাল ফ্যাক্ট। সফট সিগন্যাল জিনিষটাই ফালতু এবং গালি দিলে ফিল্ড আম্পায়ারকেই সিংহভাগ দেয়া উচিত।

আমার আপত্তি সৌমের আউট নিয়ে।
অলরেডি দুইটা এলবিডব্লিউ দেয়া হয়ে গেছে দলের সেরা ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে, একবার রিভিউ সাকসেসফুল হয়েছে। এরপর ৩য় বার যখন পায়ে বল লাগল তখন আবার আঙুল তোলার আগে ভাবা উচিত ছিল।

এই পীচে গড়ে প্রায় ৩ ইঞ্চি টার্ণ করে। সৌমের বলটা বলতে গেলে আড়াআড়ি টার্ণ করেছে। এই টার্ণে এলবিডব্লিউ খুব কমই দেয়া হয়। যে বল হিট করে সেটার ইমপ্যাক্ট হয় বাইরে, আর যেটার ইমপ্যাক্ট লাইনে সেটা সাধারণত হিট হিট করার সম্ভাবনা খুব কম।

একটা শট ভুল খেলার পর খুব বেশি নিশ্চিত না হয়ে সাথে সাথে আরেকটা ভুল শট খেলাটা যেমন বলদামি, আম্পায়ারিং এর ক্ষেত্রে সেইম একই জিনিসটা হয়েছে।

পুঁথিগতভাবে এই ম্যাচের আম্পায়ারিং ফেয়ার। একটা সফট সিগন্যালের সুবিধা আফগানরা পেয়েছে, পেয়েছে ১০% হিটে আরেকটা আম্পায়ার্স কলের সুবিধা। সরাসরি ভুল বলার সুযোগ নেই।

কিন্তু খেলার এক তৃতীয়াংশ পার না হতেই “বেনিফিট অব ডাউটের” এক পাক্ষিক স্রোত বড় বেশি চোখে লাগছে।

দেখা যাক, এরপর কী হয়।

Image Credit- rabbitholebd.com

Facebook Comments

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button