প্রথমত, এটি লিখেছিলাম গত মাসে ভারতে গিয়ে এএফসি কাপ ম্যাচে আইজলের বিপক্ষে আবাহনীর জিতে আসার পর। পুরোটা লিখে শেষ করা হয়নি তাই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে দিতে পারিনি। তবে কোচ টিটুর ব্যাপারে এই কথাগুলো সব সময়ই প্রাসঙ্গিক।

খানিক সাহসী হবার ফল কি? টিটু ৪-২-৩-১ ফরমেসনে খেলিয়েছে। একে ডিফেন্সিভ লাগতে পারে তবে তা নির্ভর করে খেলোয়াড়দের নিজেদের ও সারির মধ্যকার দূরত্বের ওপর। তবে নিঃসন্দেহে ৫ জনের ডিফেন্সিভ ফরমেসনের চেয়ে এরূপ ফরমেসনে আপনি আরও বেশি জায়গা জুড়ে খেলোয়াড় উপস্থিতি রাখতে পারছেন মিডফিল্ডে। আপনি রক্ষণাত্মক হতে চাইছেন কিন্তু আক্রমণের সংখ্যাও বাড়াতে চাইছেন তো এই ফরমেসন দারুণ কাজ করবে। এই ফরমেসনের মূল নজর একটি শক্তিশালী মিডফিল্ড তৈরিতে যা ডিফেন্স কে ছায়া দিবে এবং একই সাথে ফরমেসনটির দারুণ ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য আক্রমণে উঁচু মাত্রা আনবে। প্রথম গোলটি দেখুন, ম্যাচের একদম শুরুর দিকে ঘটেছে আর তাই ফুটবলাররা প্রায় নিখুতভাবে ফরমেসনে ছিল- এমেকার পেছনে থাকা সানডের বল পাবার সম্ভাবনা তৈরি হতেই কাছে থাকা রুবেল রাইট উইং দিয়ে দৌড়ে এসে সহজেই নিজের জায়গা নিয়ে নিলো, টিটুর টিপিকাল ফ্ল্যাট ৫-৩-২ বা ৫-৪-১ ফর্মেসনে রুবেলের সাথে সাথে প্রতিপক্ষের সেকেন্ড লাইন ডিফেন্সও ততক্ষণে উপস্থিত হয়ে যেত এবং মার্কড্ হয়ে রুবেল এতো ভেতরে ঢোকবার সুযোগ নাও পেতে পারতো। তো দেখুন, ৪-২-৩-১ নাকি ৫-৩-২ কোনটিতে বেশি জায়গা জুড়ে খেলতে পারছেন আপনি?

এবং সাধুবাদ জানাবার পাশাপাশি আবারও টিটুর সমালোচনা করতেই হচ্ছে। প্রথমার্ধে ৩ গোল সহ আবাহনীর বল পজেসন ছিল ৫৩.৩%। খেলা শেষে তা নেমে আসে ৪৬% এ। মানে দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র ৩৮.৭% বল পজেসন ছিল আমাদের। এবং হ্যাঁ, দ্বিতীয়ার্ধে টিটু ৭০ মিনিটের পর আবারও তার ৫ জনের ডিফেন্স নিয়ে আসে এবং সেই হেতু আমার আবার সমালোচনার সরণাপন্ন হওয়া। কেন ৫ জনের ডিফেন্স? আপনার ৩ গোলের লিড আছে, আপনার ইমনের মত মিডফিল্ড মাস্টার আছে, আপনার জাপানিজ সেইয়া কোজিমার মত একজন মিডফিল্ডার আছে যে প্রয়োজনের চেয়ে এক মুহূর্ত বেশি বল পায়ে রাখে না এবং নিঁখুত পাস খেলতে পারে। আক্রমণাত্মক না হলেও ঠান্ডা মাথায় দ্বিতীয়ার্ধটা কাঁটিয়ে দেয়া যেত, এতো চাপ পড়তো না গোলকিপার আর ডিফেন্সের ওপর। কি দরকার ছিল এতো নিচে নেমে খেলে তাদের সর্বমোট ১৭টি শটের মুখে পড়া?

এবং এখানে এসে পড়বে আপনার প্রতিপক্ষ কে এবং তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স কেমন? আপনার প্রতিপক্ষ হচ্ছে ২০১৬/১৭ ভারতীয় আই লীগের চ্যাম্পিয়ন আইজল এফসি যে দলটা ২০১৭/১৮ মৌসুমে এসে ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। সাথে আই লীগের এই সাম্প্রতিকতম মৌসুমটি সত্যিকার অর্থে ভারতের দ্বিতীয় সারির লীগ তা যতোই লোকজন মুখে বলুক আর কাগজে দেখাক না কেন যে এটাই ভারতের শীর্ষ লীগ এবং চ্যাম্পিয়ন দলটি এএফসি চ্যাম্পিয়নস্ লীগের বাছাইয়ে খেলার সুযোগ পাবে। কারণটা খুবই সহজ। একই সময়ে চলা আইএসএল-এ খেলেছে ভারতের প্রথম সারির ফুটবলাররা, দ্বিতীয় সারির ফুটবলাররা খেলেছে আই লীগে।

এবং এই ব্যাপারটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ যে আপনার ঘরোয়া ফুটবলাররা কতটা ভালো। এই ব্যাপারটি এশিয়ান ফুটবলের চেয়ে ভালো আর কোথাও বোঝা যায় না। এশিয়ান ক্লাব প্রতিযোগিতায় প্রতি দলে ৪ জন পর্যন্ত বিদেশি খেলতে পারে। দেখা যায় যে ভারতীয় বা মালয়েশিয়ান বা ইন্দোনেশিয়ান ক্লাবের এই ৪ জন বিদেশি কোটার খেলোয়াড় পশ্চিম এশিয়ার ক্লাবগুলোর বিদেশি খেলোয়াড়দের মানের সমান বা বেশি হলেও প্রায় ৯০ ভাগ সময় হারছে কারণ ব্যবধানটা গড়ে দেয় পশ্চিম এশিয়ার আরব ক্লাবগুলোর একাদশের বাকি ৭ জন ঘরোয়া ফুটবলাররা। আর আদতে আরবের ক্লাবগুলোর ৯০ ভাগই এএফসি কাপে ১-২ জনের বেশি বিদেশি খেলায় না এমনকি পুরো একাদশেই বা স্কোয়াডে পর্যন্ত কোন বিদেশি খেলোয়াড় থাকে না। ইরাকের এয়ার ফোর্স ক্লাব গত দু’বারের চ্যাম্পিয়ন এবং তারা কোন বিদেশি খেলায়নি। এএফসি কাপের ১৪ বছরের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত পূর্ব এশিয়ার কোন ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়া তো দূরের কথা ফাইনালও খেলতে পারতো না যদি না ২০১৫ সালে কোটা পদ্ধতি চালু না হতো এবং হঠাত্‍ সে বছরের সেমিফাইনালিস্ট কুয়েতি ক্লাবদ্বয় না খেলতে পারতো সংশ্লিষ্ট দেশটির ওপর ফিফার নিষেধাজ্ঞার খড়গ নেমে আসায়।

সমস্যা ৫ জনের ডিফেন্সেও না। ট্যাকটিকাল প্রয়োজনে আপনি ৫ জনের ডিফেন্স খেলাতেই পারেন। সমস্যা হচ্ছে মানসিকতার। টিটু এতোই ভয়ে থাকেন যে খেলোয়াড়দের প্রতি নির্দেশনা থাকে যে ডিফেন্স বা মিডফিল্ড ছেড়ে বেশি ওপরে ওঠা যাবে না। ৫ জনের ডিফেন্সে দুই উইং ব্যাক কে সেন্সর বোর্ডে আঁটকে রাখেন তিনি। আমার পূর্বোক্ত কিছু লেখা পড়লে আপনারা জেনে থাকবেন যে প্রতিপক্ষ তা এমনকি ৫ বছরের বাচ্চা হলেও তার চোখে সেই বাচ্চা ট্যাকনিক্যালি তার দলের খেলোয়াড়দের চেয়ে ভালো। আগের ম্যাচেই ব্যাঙ্গালুরুর আক্ষরিক অর্থেই ‘গ’ অর্থাত্‍ তৃতীয় সারির দলের বিপক্ষে সে আলট্রাডিফেন্সিভ খেলিয়েছে দলকে। অবস্থা এমন যে সংবিধানে ৬ বা ৭ জনের ডিফেন্স লাইনের উল্লেখ থাকলে উনি তাই করতেন। এই তো গত লীগের ঘটনাটা দেখুন। লীগের প্রথম অর্ধ শেষে ৬টি দল রেলিগেসনের শঙ্কায় ছিল আর ৪টি দল শিরোপা দৌড়ে। এবং প্রতিটি দলই লীগের শেষ পর্বে আহত বাঘের মত ঝাঁপিয়ে পড়ে যার যে লক্ষ্য তা পূরণে। কাঁদা মাঠেও একেকটি ম্যাচের গতি ও পর্যাপ্ত গোছানো খেলা দেখে আশ্চর্য হতে হচ্ছিল। আর এর ভেতর টেবিলের শীর্ষে থাকা চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ টিটু করলেন কি? তিনি ওই ডিফেন্সিভ খেলায় পড়ে রইলেন আর কোন রকম এক গোলে জিতে প্রতিটি ম্যাচ পার করবার মানসিকতায় বসে রইলেন। ফলাফল- ৪র্থ হতে হতেও কোন রকমে ৩য় হয়ে লীগ শেষ করলো তার দল, টিটু শেষের দিকে বরখাস্ত হয়।

আমাদের লীগের মান থাকবে আইএসএল ও আই লীগের মাঝামাঝি। কারণ ওই যে ঘরোয়া ফুটবলারের ব্যাপারটা। ভারতের বিশাল জনগোষ্ঠী থাকার সুবিধা সাথে সাম্প্রতিক সময়ের আগ পর্যন্ত ভালো গ্রাসরুট না থাকার অসুবিধা- এই দুয়ে মিলে যে দৃশ্যটা তৈরি হয়েছে তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিই। হাতে গোণা কয়েকজন বাদে ভারতের অন্যান্য ফুটবলারদের মান কখনই সাফ কে ছাড়িয়ে যায়নি। এবং সময়ে সময়ে দলে এমন একজন ছিল যে সাফের অন্যান্য দলগুলোর সাথে ব্যবধান গড়ে দিতো। এই শতকের কথা চিন্তা করলে বাইচুঙ এর পর এখন সুনীল। এখন বাংলাদেশের সাথে চিন্তা করলে তাদের আর আমাদের বেশির ভাগ ফুটবলারদের মান একই। এরই সাথে আমাদেরও সময়ে সময়ে মুন্না বা আলফাজ বা আরমান বা মামুনুলের মত ফুটবলার ছিল ও আছে। এখন ভারত যে জায়গাটাতে সব সময় আমাদের ছাড়িয়ে গেছে তা হচ্ছে- আমাদের মামুনুল বা জাহিদের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলবার মত খেলোয়াড় কিন্তু থাকছে না। কিন্তু বাইচুঙ বা চেত্রীর পর্যায়ের ফুটবলারদের নিচের ধাপে থাকা প্রতিটি খেলোয়াড়ের বিকল্প খেলোয়াড় সব সময়ই থাকছে। মানে ৮০ ভাগ পজিসনেই একাধিক প্রায় সমমানের ফুটবলার থাকছে। এতে করে একাদশে জায়গা করে নেয়া ফুটবলাররা নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে নিজেদের সামর্থ্যের চেয়েও বেশি দিচ্ছে। একটা পর্যায়ে মনে হয়েছিল যে তামিমের বিকল্প নেই ওপেনিংয়ে। অতঃপর ওপেনিংয়ে নিজের জায়গাটা নড়বড়ে হতেই আহত বাঘের মত লড়াই করে ফিরে আসে তামিম। তিনি বার বার উল্লেখ করে থাকেন যে মাঠের বাইরে ফিটনেস নিয়ে কতটা কাজ করেছেন তিনি। আরও মনোযোগী হয়েছেন। দলে নিজের গুরুত্ব অনুধাবন করে ব্যাটিংয়ের আগ্রাসন কমিয়ে এনেছেন আউট হবার ঝুঁকি কমাতে। তামিম ভাই, আপনার ওজন কিন্তু আবার বাড়ছে!

দেখুন এক ফুটবলপ্রেমীর অভিজ্ঞতা যিনি এই তো সেদিন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আইজলের বিপক্ষে আবাহনীর খেলা দেখতে গিয়েছিলেন-

‘সে ‘ডিফেন্সিভ’ এটাকিং ফুটবলের জনক। আইজল দলটার মান কম-বেশি ফকিরারপুলের মত। তা সত্ত্বেও এবং ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেও দ্বিতীয়ার্ধে ৫ জন ডিফেন্ডার ও ২ জন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নিয়ে শুরু করে টিটু। এমনকি ম্যাচ ১-১ হবার পরও সে ডিফেন্সিভ খেলিয়ে যাচ্ছিলো। ৮৫তম মিনিটে গিয়ে সে আক্রমণাত্মক হবার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ২টি বল পোস্টে ছিল এবং ১টি গোল বাতিল হয়। আমি মিডিয়া বক্সের নিচে থেকে খেলা দেখছিলাম- আমি তাকে ইমন ও ফাহাদের উদ্দেশ্যে চিত্‍কার করতে দেখেছি যখনই এই দুই মিডফিল্ডার প্রেস করছিল। সে এমনকি এমেকা কে মিডফিল্ডে জায়গা ধরে রাখতে নির্দেশনা দিয়ে চলছিল। এতো লুথা কোচ দিয়ে কি এই লেভেলের ফুটবল সম্ভব? বিন্দুমাত্র গাটস্ ও নেই।’

অতএব কোচ টিটুর প্রতি প্রশ্ন, গৌহাটিতে দ্বিতীয়ার্ধে হঠাত্‍ এত ভীত হবার মত কি ঘটেছিল যে এভাবে সব ফুটবলার কে নিচে বসিয়ে প্রতিপক্ষকে অযথা চাপ দেবার সুযোগ দিতে? ভারতের দ্বিতীয় সারির ফুটবলার নিয়ে আই লীগে যে দল ৫ম হয়েছে তাদেরকে যদি আমরা আমাদের শীর্ষ ফুটবলারদের চেয়েও ভালো মনে করে থাকি, তাহলে আমাদের ফুটবল খেলা ছেড়ে লুডু খেলা উচিত।

কথা প্রসঙ্গে ভূটানিজ তারকা ফুটবলার চেনচো গায়েলসেন এর ব্যাপারে বলি। ১৭ ম্যাচে ৭ গোল করে আই লীগের ৩য় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছে সে। সবার প্রশংসা কুড়োচ্ছে সে। এখন একটু ভেতরে ঢুকলে দেখা যাবে যে, তার মানের ভারতীয় কোন স্ট্রাইকার নেই আই লীগে স্বাভাবিকভাবেই। ও আচ্ছা সে তো বিদেশি কোটায় খেলছে! আই লীগে প্রতিটি দল নিদেনপক্ষে ২ জন এশিয়ান সহ সর্বমোট ৬ জন বিদেশি কে নেবার সুযোগ পেয়েছে এবং একাদশে নামাতে পারবে নিদেনপক্ষে ১ জন এশিয়ান সহ ৪ জন। লীগে এই দলটিতে চেনচো ছিল বিদেশিদের মধ্যে একমাত্র স্ট্রাইকার ও লীগের প্রথম পর্বে একমাত্র এশিয়ান। অতএব তাকে খেলাতেই হতো। হ্যা অবশ্যই তার কোন কৃতিত্ব আমি কেড়ে নিচ্ছি না। তার খেলা ভারতীয় একটি ক্লাব কে তাকে দলভূক্ত করবার ব্যাপারে ভাবিয়েছে এটা দারুণ এক ব্যাপার। চেনচোর মানের স্ট্রাইকার আমাদের নেই এখন। তবে পুরো চিত্রটাও তুলে ধরলাম। এদিক দিয়ে ভাগ্য খারাপ নেপালের বিমল ঘারতি মাগার এর। মোহন বাগানের হয়ে লীগের ৯ ম্যাচের ৩টিতে সব মিলিয়ে মাত্র ৮১ মিনিট খেলবার সুযোগ হয়েছে তার এবং প্রাপ্তি বলতে ১টি এসিস্ট। এবং সুপার কাপের আগে তাকে ছেড়ে দেয় মোহন বাগান। কেন সুযোগ হলো না? কারণ দলটিতে ছিল আসার পাইরিক ডিকার মত ক্যামেরুনিয়ান নির্দয় স্ট্রাইকার যে ভারতীয় ফুটবলের পরিচিত মুখ। ছিল এশিয়ান কোটায় লেবানন জাতীয় দলের আকরাম মোঘরাবি যে এএফসি কাপে একদা নিয়মিত ছড়ি ঘুরিয়েছিল স্বদেশি ক্লাব নেজমেহ এসসি এর হয়ে।

টিটু: ‘বাছা তোমরা হলিউডের ইনভিকটাস চলচ্চিত্রটি দেখেছিলে? সেখানে ম্যাট ডেমন বলেছিল- ডিফেন্স! ডিফেন্স! ডিফেন্স!’

Image Credit: Riyadh Hasnat Sarker

‘খানিক সাহসী হবার ফল কি?’ কথাটি বলেছিলাম শুরুতে। আসলে উপমহাদেশীয় ফুটবল নিয়ে বিন্দুমাত্র ধারণা থাকলেও আপনি বুঝে যাবেন কখন কিভাবে খেলবেন বা খেলাবেন। এখানে শব্দটা হবে ‘সঠিক আচরণ’ এবং ‘সাহসী’ কিংবা ‘ভীতু’ বলে কিছু নেই।

কোচ টিটুর প্রতি কোন ব্যাক্তিগত ক্ষোভ নেই আমার। আর এভাবে দিনের পর দিন তার সমালোচনা করতে ভালোও লাগে না আমার। এসবের উদ্দেশ্য একটাই যে চিরাচরিত দুর্বল মানসিকতার বাংলাদেশি সত্ত্বা থেকে বের হয়ে আসুন তিনি, তবেই তার কোচিংয়ের সত্যিকারের মুনসিয়ানা বেরিয়ে আসবে এবং উপকৃত হবে বাংলাদেশ ফুটবল।

Comments
Spread the love