অবশেষে প্রথমবারের মত টেস্ট র‍্যাংকিং-এ আট নম্বর অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। গত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে হারের পর আর কোনো টেস্ট খেলেনি বাংলাদেশ। তবুও এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের বার্ষিক হালনাগাদে।

এবারের র‍্যাংকিং-এ ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ মৌসুমের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে ৫০ শতাংশ। সেখানেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে ৮ম স্থান দখল করে নিয়েছে টাইগাররা। কারণ এই সময়ের মধ্যে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলংকার মাটিতে শ্রীলংকাকে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্য ও শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে টাইগাররা। অবশ্য র‍্যাংকিং-এ এই লাফটা আরো আগেই দিতে পারতো বাংলাদেশ। গত ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ দুদলেরই পয়েন্ট ছিল সমান ৭২। ভগ্নাংশের ব্যবধানে এগিয়ে থাকা ওয়েস্টইন্ডিজকে পেছনে ফেলতে হলে স্রেফ ওই টেস্টে ড্র করলেই চলতো টাইগারদের। কিন্তু ২১৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে বসায় তা আর হয়নি।

তবে এবার বার্ষিক হালনাগাদে পারফরম্যান্স দিয়েই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বেশ পেছনে ফেলেছে তারা। শ্রীলংকার সাথে হেরে ৭১ পয়েন্টে নেমে যাওয়ার পর এবার চার পয়েন্ট যোগ হয়ে ৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের রেটিং। অন্যদিকে পাঁচ রেটিং পয়েন্ট হারিয়ে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রথমবারের মত নয় নম্বরে নেমে গেছে একদা টেস্টে পরাক্রমশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে সেই অভিষেক টেস্টের পর এখন পর্যন্ত ১০৪টি টেস্ট খেলেছে টাইগাররা। এরমধ্যে জয় পেয়েছে মোট ১০টি টেস্টে, ড্র করতে পেরেছে মাত্র ১৫টিতে আর হার ৭৯টি টেস্টে। চলুন এক নজরে দেখে আসা যাক টেস্ট ক্রিকেটের প্রথম ১৮ বছরে বাংলাদেশের জয় পাওয়া ১০টি টেস্ট কেমন ছিল:

প্রথম জয়- ২০০৫ সাল, বিপক্ষ জিম্বাবুয়ে: টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম জয় আসে ২০০৫ সালের ৬-১০ জানুয়ারি চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে। প্রথম ইনিংসে তৎকালীন রেকর্ড ৪৮৮ রান তুলেছিল বাংলাদেশ, জবাবে প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয়ে যায় ৩১২ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২০৪ তুলে ৩৮০ রানের জয়ের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় টাইগাররা। এনামুল হক জুনিয়রের বিধ্বংসী বোলিং-এ মাত্র ১৫৪ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপারটা হচ্ছে প্রথম ইনিংসে চারটা ফিফটি আর দুইটা চল্লিশোর্ধ ইনিংস থাকলেও বাংলাদেশের ৪৮৮ রানের ইনিংসে একটাও সেঞ্চুরি ছিল না! এমনকি পুরো টেস্টেই কেউ সেঞ্চুরি করেননি, দুই ইনিংস মিলিয়ে সর্বোচ্চ রান ছিল হাবিবুল বাশারের ১৪৯(৯৪+৫৫)। দ্বিতীয় ইনিংসে এনামুল হক জুনিয়র নিয়েছিলেন ৬টি উইকেট। পরের টেস্টে ঢাকায় (৭+৫=১২ উইকেট)সহ সিরিজে মোট ১৯ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি, ঢাকা টেস্ট ড্র করে প্রথমবারের মত টেস্ট সিরিজ জয় করে বাংলাদেশ!

দ্বিতীয় জয়- ২০০৯ সাল, বিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ: প্রথম টেস্ট জয়ের পর দীর্ঘ চার বছর পেরিয়ে যাবার পর টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় জয় ও দেশের বাইরে প্রথম জয় পায় টাইগাররা। সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে প্রথম ইনিংসে ২৩৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্টইন্ডিজ সংগ্রহ করে ৩০৭ রান। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসেই ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা, তামিম ইকবালের ১২৮ রানের অসাধারণ এক ইনিংসে ৩৪৫ রানে অলআউট হয় তারা। জয়ের জন্য ২৭৭ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে মাত্র ১৮১ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংস। অলরাউন্ডার হিসেবে মাহমুদুল্লাহর অভিষেক হয় এই ম্যাচে, দু’ইনিংস মিলিয়ে ৩+৫=৮ উইকেট নেন তিনি। বাংলাদেশ জেতে ৯৫ রানে।

বাংলাদেশ, টেস্ট জয়, টেস্ট র‍্যাঙ্কিং

তৃতীয় জয়- সেন্ট জর্জেস, প্রতিপক্ষ ওয়েস্টইন্ডিজ: দ্বিতীয় টেস্টটা পুরোটাই ছিল সাকিব আল হাসানের। অধিনায়ক মাশরাফির আচমকা ইনজুরিতে হঠাৎ দলের দায়িত্ব পেয়ে প্রথম টেস্টে দলকে জয় এনে দেওয়ার পর দ্বিতীয় টেস্টে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন তিনি। প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৩৭ রানের জবাবে বাংলাদেশ অলআউট হয় ২৩২ রানে। সাকিব নেন ৩ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে সাকিবের পাঁচ উইকেট ও এনামুল জুনিয়রের তিন উইকেট নেওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ সংগ্রহ করতে পারে মাত্র ২০৯ রান। ২১৫ রানে জয়ের টার্গেটে খেলতে নেমে ৯৭ বলে ৯৬ রানে অসাধারণ এক ইনিংসে চার উইকেটের জয় এনে দেন সাকিব। অপরাজিত ছিলেন তিনি, ম্যাচ শেষ করেন লং অন দিয়ে বিশাল এক ছয় মেরে!

চতুর্থ জয়- হারারে, বিপক্ষ জিম্বাবুয়ে: প্রায় ৮ বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসনের পর ফিরেই ব্রেন্ডন টেইলরের নেতৃত্বে অসামান্য পারফম্যান্সে জিম্বাবুয়ে প্রথম টেস্টে ৩৩৫ রানে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশকে। কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টেই ঘুরে দাড়ায় টাইগাররা, সাকিব আর মুশফিকের ব্যাটে প্রথম ইনিংসে ৩৯১ রান তোলার পর জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ২৮২ রানে। ১০৯ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা। ৪০১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে হ্যামিলটন মাসাকাদজার সেঞ্চুরির পরেও বোলারদের নৈপুণ্যে মাত্রই ২৫৭ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ১৪৩ রানের বিশাল জয়ে সিরিজে সমতা আনে টাইগাররা।

পঞ্চম জয়- ঢাকা, বিপক্ষ- জিম্বাবুয়ে: ফিরতি সিরিজে ঢাকায় ২০১৪ সালে তিন টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টে সাকিবের দুর্ধষ বোলিং-এ প্রথম ইনিংসে ২৪০ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। সাকিব নেন ৫৯ রানে ৬ উইকেট। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৫৪ রানে অলআউট হবার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাইজুল ইসলামের রেকর্ড ভাঙা বোলিং-এ ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। তাইজুল টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে বেস্ট বোলিং ফিগারের রেকর্ড গড়েন ৩৯ রানে আট উইকেট নিয়ে। কিন্তু মাত্র ১০৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। কোন রান ছাড়াই হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। ৮২ রানে পতন ঘটে সপ্তম উইকেটের। শেষ পর্যন্ত মুশফিকুর রহিম আর তাইজুল ইসলাম জুটি বেঁধে ৩ উইকেটের জয় এনে দেন।

বাংলাদেশ, টেস্ট জয়, টেস্ট র‍্যাঙ্কিং

ষষ্ঠ জয়- খুলনা, প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে: প্রথম ইনিংসে তামিমের ১০৯ ও সাকিবের ১৩৭ রানের সুবাদে ৪৩৩ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েও মাসাকাদজার ১৫৮ আর চাকাভার ১০১ রানে ভালোই জবাব দিয়েছিল, অলআউট হবার আগে সংগ্রহ করেছিল ৩৬৮ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪৮ রান তুলে বাংলাদেশ ইনিংস ঘোষণা করার পর ৩১৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সাকিবের বোলিং তোপে ১৫১ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। দুই ইনিংসে সমান ৫ উইকেট করে নিয়ে টেস্টে ১০ উইকেট নেন সাকিব, বাংলাদেশ জয় পায় ১৬২ রানে।

সপ্তম জয়- চট্টগ্রাম, প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে: তামিমের ১০৯, ইমরুল কায়েসের ১৩০ ও সাকিবের ৭১ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৫০৩ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ওদিকে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ৩৭৪ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে মমিনুলের ১৩১ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ৩১৯ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ৪৪৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ২৬২ রানে। দুই ইনিংস মিলিয়ে লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন ৭ উইকেট নেন।

বাংলাদেশ, টেস্ট জয়, টেস্ট র‍্যাঙ্কিং

অষ্টম জয়- ঢাকা, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড: প্রথম টেস্টে জিততে জিততে ২২ রানে হেরে যাওয়া বাংলাদেশ প্রবল গর্জনে ঘুরে দাঁড়ায় ২য় টেস্টেই। মাত্র তিনদিনে ১০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে ক্রিকেটের কুলীনকুল ইংল্যান্ডকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়ে ১৬ বছর পর প্রথমবারের মত শক্তিশালী কোন টেস্ট দলের বিপক্ষে জয় পায় টাইগাররা। এ জয়ের ফলে টেস্ট সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্র করে টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে তামিমের ১০৪ রানের পরেও ২২০ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড করেছিল ২৪৪ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ২৯৬ রান তোলায় ইংলিশদের জয়ের টার্গেট দাঁড়ায় ২৭৩ রানে। তৃতীয় দিনের চা-বিরতির আগেই বিনা উইকেটে ১০০ রান তুলে ফেলেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু চা-বিরতির পরেই শুরু হলো ধ্বংসযজ্ঞ। মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিব আল হাসানের অভাবিত বোলিং-এ আর মাত্র ৬৪ রান তুলতেই গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে ছয়টি উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে মিরাজ নিলেন আরো ছয়টি উইকেট। এর আগের সাতটি জয়ের সবগুলোই ছিল দুর্বল জিম্বাবুয়ে আর ভগ্নদশা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে। অষ্টম জয়টা এল সত্যিকারের বড় কোন দলের বিপক্ষে।

বাংলাদেশ, টেস্ট জয়, টেস্ট র‍্যাঙ্কিং

শততম টেস্টে বিজয়ী বাংলাদেশ: অসাধারণ এক টানটান উত্তেজনার জয়ে বছরের শুরতেই শ্রীলংকার সাথে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজ ড্র করেছিল বাংলাদেশ। কলম্বোর পি সারা ওভাল স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে ১৯১ রানের জয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে বিজয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছেছিল বাংলাদেশ। ওপেনার তামিম ইকবালের ৮২ রানের লড়াকু ইনিংস ছিল জয়ের মূল রসদ। টেস্টে এটি ছিল বাংলাদেশের নবম জয়। একই সাথে এটি ছিল শততম টেস্টে বাংলাদেশের জয়। এর আগে শততম টেস্টে জিতেছিল মাত্র তিনটি দল। এই টেস্টে তামিম ইকবাল ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ম্যান অফ দ্য সিরিজ হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান।

প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারিয়েছে টাইগাররা: এ বছরের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল এটি। টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের প্রবল পরাক্রমশালী অভিজাত অস্ট্রেলিয়াকে ১১ বছর পর প্রথম ম্যাচেই হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। ২০ রানের রোমাঞ্চকর ও মহাকাব্যিক জয়ে স্মরণীয় হয়ে রইল মিরপুর টেস্ট। এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলা বাংলাদেশের পঞ্চম টেস্ট। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর এতো কম টেস্ট আর কোন দেশের সাথে খেলেনি টাইগাররা। সর্বশেষ সেই ২০০৬ সালে বাংলাদেশে টেস্ট খেলতে এসেছিল অস্ট্রেলিয়া। তারপর ২০১১ সালে এলেও প্রাপ্য দুটি টেস্ট খেলেনি তারা। সেই টেস্ট শেষ পর্যন্ত তারা খেলতে এলো ২০১৭ সালে।

বাংলাদেশ, টেস্ট জয়, টেস্ট র‍্যাঙ্কিং

এর আগেও দু’বার খেলতে আসার কথা থাকলেও নিরাপত্তা ইস্যুর অজুহাত তুলে আর আসেনি তারা। শেষ পর্যন্ত এবার মাঠের বাইরে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেও মাঠের ভেতর ২২ গজে টাইগারদের কাছে নিরাপত্তা দেওয়া গেল না অজিদের। শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচে তাদের হারিয়ে টেস্টে ১০ম জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে ৮৯ রান ও বল হাতে ১০ উইকেট নিয়ে একটার পর একটা রেকর্ড গড়ে দলকে জিতিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। দুই ইনিংসে তামিম ইকবালের ৭১ ও ৭৮ রানের দু’টি অসামান্য ইনিংসেরও বিশাল অবদান ছিল এই জয়ে। সবমিলিয়ে দলগত নৈপুণ্যেই অজি বধ করতে পেরেছিল টাইগাররা।

Comments
Spread the love