পাকিপ্রেমীদের লাথি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বের করে দেওয়া হোক!

স্বাধীনতার পর ধর্ষিতা বাঙালী মহিলাদের চিকিৎসায় নিয়োজিত অষ্ট্রেলিয় ডাক্তার জেফ্রি ডেভিস গনধর্ষনের ভয়াবহ মাত্রা দেখে হতবাক হয়ে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে আটক এক পাক অফিসারকে জেরা করেছিলেন এই বলে- যে তারা কিভাবে এমন ঘৃণ্য কাজ করেছিলো। তাদের সরল জবাব ছিলো; “আমাদের কাছে টিক্কা খানের নির্দেশনা ছিলো, যে একজন ভালো মুসলমান কখনোই তার বাবার সাথে যুদ্ধ করবে না। তাই আমাদের যত বেশী সম্ভব বাঙালী মেয়েদের গর্ভবতী করে যেতে হবে।আমাদের এসব উশৃঙ্খল মেয়েদের পরিবর্তন করতে হবে, যাতে এদের পরবর্তী…

"পাকিপ্রেমীদের লাথি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বের করে দেওয়া হোক!"

মুক্তিযুদ্ধের এক অনবদ্য সেলুলয়েড দলিল: ‘ওরা ১১ জন’

‘ওরা ১১ জন’ কেন মুক্তিযুদ্ধের সেলুলয়েড দলিল, সেটা বলতে গেলে এই চলচ্চিত্র নিয়ে গল্পের বাইরে কিছু কথা বলা প্রয়োজন। তাহলে ‘ওরা ১১ জন’ এর তাৎপর্য বিশদভাবে ফুটে উঠবে। ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রের পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম এক শীর্ষসারির গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন- ‘দেশ স্বাধীন হয়েছে। জানুয়ারি থেকেই পরিকল্পনা নেওয়া হলো যে ওরা ১১ জন নামে একটি চলচ্চিত্র তৈরি করা হবে। এই নামের পেছনে কারণ আছে। মুক্তিযুদ্ধে ১১ দফা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ছিল, আর ছিল বঙ্গবন্ধুর ছয়…

"মুক্তিযুদ্ধের এক অনবদ্য সেলুলয়েড দলিল: ‘ওরা ১১ জন’"

পাকিস্তান- এমন ‘স্টুপিড’ দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি…

১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯৪৫ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মতো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৬ বছরের পুরা ঝড়টা গিয়েছে ইউরোপের উপর দিয়ে এবং দুইটা বিশ্বযুদ্ধেই সবচেয়ে বড় পার্ট ছিলো জার্মানির। তারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়েছে ইচ্ছা করে আর মোটামুটি জোর করেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাঁধিয়েছে (অনেকেই মজা করে বলে যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধটা হচ্ছে না কারণ জার্মানি ঠাণ্ডা আছে!)  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু থেকে জোসেফ স্টালিনের সাথে ‘একে অপরকে আক্রমণ করবো না’-এর মতো অলিখিত চুক্তি করে যৌথবাহিনী দিয়ে…

"পাকিস্তান- এমন ‘স্টুপিড’ দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি…"

‘যুদ্ধদিনের নেতা, আপনার কাছে ক্ষমা চাইবো না’

স্বাধীনতার যুদ্ধ চলছে। এদেশের প্রাণের নেতা, স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কারাগারে বন্দী। ওইরকম পরিস্থিতিতে যে মানুষটা বাংলার স্বাধীনতা অর্জনে রেখেছেন অগ্রণী ভুমিকা, যার সুদক্ষ নেতৃত্ব ছাড়া আমাদের স্বাধীনতার কথা চিন্তাও করা যেত না, সেই বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদকে  ‘এগিয়ে চলো’ জানায় স্যালুট ও একরাশ শ্রদ্ধা। যতদিন পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের নাম লেখা থাকবে, ততদিন তাজউদ্দিন আহমদের নাম ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে… লিখেছেন- ফাহমিদা ফারজানা ঐষী ইমোশনাল এপ্রোচে মুজিবকে কাবু করা যায়। কিন্তু তার পেছনে ফাইল বগলে…

"‘যুদ্ধদিনের নেতা, আপনার কাছে ক্ষমা চাইবো না’"

একদল অকুতোভয় বঙ্গশার্দুলের ক্র্যাকপ্লাটুন

মার্চের শুরু হওয়া অবর্ণনীয় আগ্রাসনের পর তখন পাকিস্তানী সেনাবাহিনী সবেমাত্র জেঁকে বসেছে সারা দেশে। লাখ লাখ নিরীহ মানুষকে বিনা কারনে অবলীলায় গুলি করে মেরে ফেলছে ওরা। একটা পিঁপড়াকে যেমন বিনা কারনে ইচ্ছে হলেই দু আঙ্গুলের মাঝে টিপে ধরে মেরে ফেলি আমরা, বিন্দুমাত্র অনুশোচনাও হয় না তাতে, ঠিক সেইভাবে পাকিস্তানী সেনারা ইচ্ছে হলেই যাকে-তাকে যখন তখন গুলি করে, বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মেরে ফেলছিল। অনুশোচনা তো দূরে থাক, বরং এটা  ছিল তাদের কাছে খুব উত্তেজনাকর এক খেলার…

"একদল অকুতোভয় বঙ্গশার্দুলের ক্র্যাকপ্লাটুন"