গিনেস বুকে বাংলাদেশের যত রেকর্ড

গিনেস বুকে নিজের নাম, নিজের দেশের নাম কে না দেখতে চায়! বাংলাদেশের নামও গিনেস বুকের বেশ কিছু রেকর্ডে ঠাই পেয়েছে। বেশ কিছু রেকর্ড ভালো লাগার হলেও নিশ্চিতভাবেই কয়েকটি রেকর্ডে বাংলাদেশের নাম দেখাটা আমাদের জন্য ভীষণ বিব্রতকর ও কষ্টের। চলুন দেখে নেওয়া যাক- এক সাথে সবচেয়ে বেশি মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় সঙ্গীত ২০১৪ সালে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ১ লক্ষ মানুষ একসাথে জাতীয় সংগীত গেয়ে গিনেস বুকে নাম লেখায় বাংলাদেশ। সবচাইতে বেশি মানুষ শীর্ণকায় বিএমআই (বডি ম্যাস ইনডেক্স)…

"গিনেস বুকে বাংলাদেশের যত রেকর্ড"

পাকিপ্রেমীদের লাথি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বের করে দেওয়া হোক!

স্বাধীনতার পর ধর্ষিতা বাঙালী মহিলাদের চিকিৎসায় নিয়োজিত অষ্ট্রেলিয় ডাক্তার জেফ্রি ডেভিস গনধর্ষনের ভয়াবহ মাত্রা দেখে হতবাক হয়ে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে আটক এক পাক অফিসারকে জেরা করেছিলেন এই বলে- যে তারা কিভাবে এমন ঘৃণ্য কাজ করেছিলো। তাদের সরল জবাব ছিলো; “আমাদের কাছে টিক্কা খানের নির্দেশনা ছিলো, যে একজন ভালো মুসলমান কখনোই তার বাবার সাথে যুদ্ধ করবে না। তাই আমাদের যত বেশী সম্ভব বাঙালী মেয়েদের গর্ভবতী করে যেতে হবে।আমাদের এসব উশৃঙ্খল মেয়েদের পরিবর্তন করতে হবে, যাতে এদের পরবর্তী…

"পাকিপ্রেমীদের লাথি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বের করে দেওয়া হোক!"

শুভ জন্মদিন তামিম ইকবাল খান

তামিম ইকবাল খান বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান। টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা বা টি২০, প্রতিটিতেই সবচেয়ে বেশী রান ও সবচেয়ে বেশী সেঞ্চুরির মালিক তামিম আর যেকোনো ফরম্যাটে মাত্র ১টা রান হলেই দশ হাজারী রানসংগ্রাহক ক্লাবে প্রবেশ করবেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কারোরই এই অর্জন নেই! কিন্তু একটা ক্রিকেটারের “মূল্য” বোঝার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের চেয়েও যেটি বেশি প্রভাব ফেলে, তার কোন ম্যাচে “ইমপ্যাক্ট” ফেলার ক্ষমতা; ম্যাচ জেতাতে অবদান রাখা নয়, ম্যাচ জিতিয়েই ফেরার ক্ষমতা! সেখানেও তামিম ইকবাল অনন্য। বাংলাদেশের যে…

"শুভ জন্মদিন তামিম ইকবাল খান"

যেভাবে পূর্ব পাকিস্তান হলো বাংলাদেশ (কুইজ-১)

ইতিহাস জানতে আমাদের বড্ড অনীহা। কী হয়েছে আগে, এত কিছু জেনে কী লাভ! বাঁচতে হবে তো বর্তমান নিয়েই। কিন্তু রক্তে ভেজা এই স্বাধীনতা পেতে যে হারাতে হয়েছে ৩০ লক্ষ প্রাণ! ৪ লক্ষ মা-বোনের আহাজারিতে ভারী হয়েছে এই জনপদের আকাশ! কী করে ভুলি আমরা নিজেদের এই শেকড়কে? আর তাই আজ থেকে শুরু হলো এগিয়ে চলোর নিয়মিত কুইজ আয়োজন, ‘যেভাবে পূর্ব পাকিস্তান হলো বাংলাদেশ’। কুইজের মাধ্যমেই হোক ইতিহাসের পাঠ। আজ থাকছে প্রথম পর্ব। 

"যেভাবে পূর্ব পাকিস্তান হলো বাংলাদেশ (কুইজ-১)"

টেস্ট ক্রিকেট ১৪০*, বাংলাদেশ ১০০*

মেলবোর্ন থেকে কলম্বোর দূরত্ব প্রায় সাড়ে আট হাজার কিলোমিটার। জীবনযাত্রা কিংবা সংস্কৃতিতে দুই শহরের আকাশ পাতাল তফাৎ, তবে মিলও আছে- সাগরপাড়ের দু’টো শহরের মানুষই প্রচণ্ড ক্রিকেটপাগল। ক্রিকেটের আঁতুড়ঘর বলা চলে মেলবোর্নকে, আর কলম্বোর ধমনীতে, শিরায় উপশিরায় মিশে আছে ক্রিকেটের ঘ্রাণ। আজ থেকে একশো চল্লিশ বছর আগে, ঠিক এইদিনে মেলবোর্নে ক্রিকেট নামের খেলাটার আন্তর্জাতিক রূপ লাভ; আর ক আশ্চর্য, ঠিক এই দিনেই, এতোগুলো বছর পরে টেস্ট আঙিনার নবীনতম দলটা মাঠে নামলো তাঁদের ইতিহাসের শততম ম্যাচটা খেলতে!…

"টেস্ট ক্রিকেট ১৪০*, বাংলাদেশ ১০০*"

রেকর্ড ভাঙ্গা-গড়ার দিনে মুগ্ধতার রেশ কাটেনি সাকিব-মুশফিকে!

ম্যাচ শুরুর আগের সবুজ উইকেট আর ইতিহাস জুজু  প্রথমদিনেই ভালভাবে সামলেছেন তামিম-মুমিনুল। এই মাঠে আগের চার ইনিংসে বাংলাদেশের দলীয় সর্বোচ্চ ১৪৩ রানের রেকর্ড ভেঙ্গে  দুজনই তুলে নেন অর্ধশতক( তামিম ৫৬, মুমিনুল ৬৪*)। দুইবার বৃষ্টির হানা ও শেষের দিকে আলো স্বল্পতার কারণে খেলা কম হয়েছে অন্তত চার ঘন্টা, প্রথম দিনশেষে ৪০.২ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৫৪/৩। প্রথম দিনের শেষ সময়ে জীবন পাওয়া সাকিব-এর সাথে দ্বিতীয় দিনের শুরুটা ভাল হয়নি আগের দিনে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকা মুমিনুলের। দিনের…

"রেকর্ড ভাঙ্গা-গড়ার দিনে মুগ্ধতার রেশ কাটেনি সাকিব-মুশফিকে!"

পাকিস্তান- এমন ‘স্টুপিড’ দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি…

১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯৪৫ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মতো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৬ বছরের পুরা ঝড়টা গিয়েছে ইউরোপের উপর দিয়ে এবং দুইটা বিশ্বযুদ্ধেই সবচেয়ে বড় পার্ট ছিলো জার্মানির। তারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়েছে ইচ্ছা করে আর মোটামুটি জোর করেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাঁধিয়েছে (অনেকেই মজা করে বলে যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধটা হচ্ছে না কারণ জার্মানি ঠাণ্ডা আছে!)  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু থেকে জোসেফ স্টালিনের সাথে ‘একে অপরকে আক্রমণ করবো না’-এর মতো অলিখিত চুক্তি করে যৌথবাহিনী দিয়ে…

"পাকিস্তান- এমন ‘স্টুপিড’ দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি…"

একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি: ‘রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড কই?’

আমি খুব সৌভাগ্যবান, আমি সাঁওতালদের সাথে কয়েকদিন কাটিয়েছি। ইরানী একটা মুভি দেখেছিলাম, এক যুদ্ধবাজ রাষ্ট্রনায়ক বোমা ফেলে একটা জনপদ ধ্বংস করে দেয়। এরপর আবার সেই যুদ্ধবাজ বিমানে করে খাবার, কৃত্তিম হাত পা ছুঁড়ে দেয়। যুদ্ধে হাত-পা হারানো মানুষেরা সেই কৃত্তিম হাত-পা এর জন্য, অভুক্ত মানুষেরা খাবারের জন্য দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করে। মানুষের কি প্রতিযোগিতা, যে তার সবকিছু কেড়ে নিয়েছে তার থেকে সামান্য অনুদান নেয়ার জন্য। আমাদের সাঁওতালরা দেখিয়েছে- যে রাষ্ট্র তাদের ঘর পুড়িয়েছে সেই রাষ্ট্রের সাহায্য…

"একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি: ‘রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড কই?’"

ক্ষতবিক্ষত যোনিপথ এবং দুই চামচ ‘বাঙালি-চেতনা’

তনুর লাশের আপডেট পান নাই… পূজার ধর্ষক সাইফুলকে তো চেনেন? খাদিজাকে কোপানো বদরুলকে তো চেনেন? আফসানার খুনি রবিনকে তো চেনেন? রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে তো চেনেন? তা এদের চিনে কি করতে পেরেছি আমরা, বলেন তো?  ভাইরে.,. আইন তো বেদ-বাক্য না, মানুষের রচনা… মানুষের প্রয়োজনেই তো আইন। কেন এক রাতের নোটিশে এই আইন পরিবর্তন হবে না? কেন বসে বসে মশকরা দেখতে হবে? আমরা কি এর চাইতেও কম বয়সে ধর্ষণের ঘটনায় হ্যাশ-ট্যাগ দেয়ার অপেক্ষায়? মনে করেন…

"ক্ষতবিক্ষত যোনিপথ এবং দুই চামচ ‘বাঙালি-চেতনা’"

এই দেশে মানুষ নাই আর, সবাই হিন্দু-মুসলমান!

কিছু মানুষের কাছে এভরিথিং ইজ এবাউট হিন্দু মুসলমান। বিলিভ মি এই দেশে আসলে কোনো মানুষ নাই – শুধু হিন্দু মুসলমান আছে। আপনি মুসলমান, চাকরি পান নাই? কারন হিন্দুরা দেশের সব চাকরি নিয়ে নিচ্ছে। এজ আ ম্যাটার অফ ফ্যাক্ট, ফেসবুক তমুক গ্রুপ এবং রেডিও অমুকে আপনি প্রমান পেয়ে যাবেন দেশের পুলিশের সব বড় পোস্ট এখন হিন্দুদের দখলে! আপনি হিন্দু, কিন্তু চাকরী পান নাই? কী করে পাবেন? এই দেশে সংখ্যালঘুদের উপরে কী যে নির্যাতনটা হচ্ছে তা দেখার মতো…

"এই দেশে মানুষ নাই আর, সবাই হিন্দু-মুসলমান!"

আফগানিস্তান সিরিজ এবং আমাদের দর্শকদের করণীয়

          আফগানিস্তান ক্রিকেট দলকে নিয়ে নিরপেক্ষ ক্রিকেট বিশ্লেষকদের একটা আলাদা আবেগ দেখা যায়। বাংলাদেশ যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মানচিত্রে নতুন এসেছিল, তখন অনেকেই আমাদের ছোট করে দেখেছিলেন। সেই তুলনায় আফগানিস্তান শুরু থেকেই ‘বিশ্বক্রিকেটের ডার্লিং’! অবশ্য এর কারণও আছে, গুলি-বোমার শব্দ শুনে বেড়ে ওঠা, তেমন সুযোগ সুবিধা ছাড়াই ক্রিকেটার হওয়া, যুদ্ধংদেহী ভঙ্গীতে মাঠে নামা সাহসী, আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান আর গতিময় ফাস্ট বোলারদের নিয়ে যতটা রোমান্টিক ক্রিকেট-ফিকশন লেখা যায়, ২০১৪ পর্যন্ত বাঁহাতি স্পিনারের উপর নির্ভরশীল…

"আফগানিস্তান সিরিজ এবং আমাদের দর্শকদের করণীয়"

কীসের ভিত্তিতে আমরা অলিম্পিকে পদক আশা করি!

গুলি ছোঁড়ার সময় নার্ভটা যেন স্থির থাকে, এর জন্য কয়েক মাস জার্মানীতে ইলেকট্রিক ম্যাগনেটিং প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েছে ভারতীয় শুটার অভিনব বিন্দ্রা। তবুও বেইজিং অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী এ শুটারের গলায় কোন পদক ওঠেনি রিওতে। লিখেছেন- রাশেদুল ইসলাম কত অল্পতেই অামরা শ্যামলী বা বাকীদের কাছ থেকে আশা করি! অলিম্পিকের মতো অাসরে খেলতে পাঠানোর জন্য আমরা কি দিতে পেরেছি শ্যামলী বা বাকীকে? একটা ওয়াইল্ড কার্ড ছাড়া তো আর কিছুই না। হ্যাঁ, স্রেফ একটা ওয়াইল্ড কার্ডই শুধু! ব্রেন ম্যাপিং, ইলেকট্রিক…

"কীসের ভিত্তিতে আমরা অলিম্পিকে পদক আশা করি!"