অনুপ্রেরণার গল্পগুচ্ছতারুণ্য

প্রতিবন্ধকতাকে জয় করা একজন সফল উদ্যোক্তা

ভারতের হায়দ্রাবাদের ছেলে শ্রীকান্ত বোল্লা একজন সফল উদ্যোক্তা। আজ তার গল্প বলতে চাই, তার সফলতার গল্প, তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প, প্রতিবন্ধতাকে জয় করার গল্প আর মানুষের মত মানুষ হবার গল্প। গল্প বলার জন্য শ্রীকান্তকেই কেন বেছে নিলাম- এ প্রশ্ন কি পাঠকের মনে আসছে? শ্রীকান্ত বোল্লাকে বেছে নেবার কারণ হলো, আমি মুগ্ধ হয়েছি তার গল্প জেনে এবং তার কথা শুনে। আমার ধারণা, এগিয়ে চলোর পাঠকরাও মুগ্ধ হবেন। চলুন জেনে আসি একজন সফল উদ্যোক্তা শ্রীকান্ত বোল্লার প্রতিবন্ধতাকে জয় করার গল্প।

শ্রীকান্ত বোল্লার জীবনের গল্প শুরু ১৯৯২ সালে হায়দ্রাবাদের শ্রীথাম্পুরমে। সন্তানের জন্ম বেশিরভাগ সময়ই বাবা-মার জন্য খুশির বন্যা নিয়ে আসে। কিন্তু শ্রীকান্ত বোল্লার জন্ম তার বাবা মার জন্য খুশির বিনিময়ে নিয়ে এসেছিল উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা। কেননা জন্ম থেকেই শ্রীকান্ত ছিল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। জন্মের পর তাকে দেখে গ্রামের অনেক আত্মীয়-প্রতিবেশী তার বাবা-মাকে পরামর্শ দেয় ”এই সন্তান একটা অভিশাপ! একে মেরে ফেলো।” তারা হয়তো ভেবেছিল বেঁচে থাকলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এ সন্তান বাবা-মার জন্য শুধু দুঃখ কষ্ট আর হতাশাই বয়ে আনবে। হয়তো সে সারাজীবন বাবা-মার বোঝা হয়ে বেঁচে থাকবে। আত্মীয়-প্রতিবেশিরা সে যাই ভাবুক আর বলুক না কেনো, শ্রীকান্তের অশিক্ষিত দরিদ্র বাবা-মার কিন্তু সে কথায় মন গলেনি। অন্ধ হোক আর যা হোক, সন্তান তো সন্তান। অন্যের কাছে বোঝা হলেও কি আর সন্তান কখনো বাবা-মার কাছে বোঝা হয়! তাই, শ্রীকান্তের বাবা মা নিজেদের সর্বোচ্চ সামর্থ আর ভালবাসা দিয়ে, সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে আগলে সন্তানকে বড় করতে থাকে। শ্রীকান্তর মতে, মনের দিক থেকে তার বাবা মা হলো দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী দম্পতি। আর সে দুনিয়ার সবথেকে ভাগ্যবান সন্তান। সত্যিই তো ভাগ্যবান, ক’জন পায় শ্রীকান্তর বাবা-মার মত বাবা-মা!

ছোটবেলায় শ্রীকান্ত তার কৃষক বাবার সাথে মাঠে যেতো তার কাজ দেখতে, কিন্তু কোন সাহায্য করতে পারতো না। কি করে পারবে, সে যে অনেক ছোট! উপরন্তু দেখতে পায়না কিছুই। সেসময়ই শ্রীকান্তর বাবা বুঝতে পারেন, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছেলে তার মত কৃষিকাজ করতে পারবে না। তাই তাকে ভিন্ন ধরণের কিছু শিখাতে হবে, যাতে সে অন্য কিছু করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। তাকে পড়াশোনা শেখাতে হবে। কিন্তু ভাবলেই তো হলো না, লেখাপড়া শেখানো তো আর সহজ কাজ নয়! এমনিতেই তিনি দরিদ্র কৃষক, তার উপর তাদের গ্রামে নেই কোন স্কুল। কি করে তিনি ছেলেকে পড়ালেখা শেখাবেন! তবু, শ্রীকান্তের বাবা হাল ছাড়লেন না, ছেলেকে নিয়ে গ্রাম থেকে বেশ দূরের একটা স্কুলে ভর্তি করালেন। শুরু হলো শ্রীকান্তের স্কুল জীবন। 

শেষপর্যন্ত শ্রীকান্তের সে সাহসের কিন্তু জয় হয়েছিল। সে দীর্ঘ ছয় মাস আদালতে লড়াই করে অনুমতি পেয়েছিল বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার। সরকারি শিক্ষা পর্ষদ থেকে একটি নির্দেশ  নির্দেশ এসেছিল, “তুমি বিজ্ঞান নিতে পারো,

স্কুল ছিল অনেকটা দূরে, পেরোতে হতো প্রায় ৪-৫ কিলোমিটার পথ। রাস্তা ছিল বেশ দূর্গম। বর্ষা এলে তো কথাই নেই। কাদা আর খানা-খন্দর ভরা দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এত দূরের পথ পাড়ি দেওয়া দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শ্রীকান্তর জন্য ছিল মোটামুটি দুঃস্বাধ্য। তবু শ্রীকান্ত মনোবলকে সঙ্গী করে সেই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিত। স্কুলে যেত এবং পড়ালেখা করার চেষ্টা করত। কিন্তু তবু দু’বছর ধরে স্কুলে যাবার পরও সে খুব একটা সুবিধা করতে পারল না।  পারল না কারণ, স্কুলে সবাই তাকে অবহেলা, অবজ্ঞা আর করুণার চোখেই দেখতো। ক্লাসে তাকে বসতে হতো সবচেয়ে পেছনের বেঞ্চে, সহপাঠীরা তাকে খেলতে নিতো না। বলতো, ‘ও তো অন্ধ। ও খেলবে কি করে!’ সবাই তাকে দূরে সরিয়ে রাখত। একাকীত্ব সেই সময় এতটাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল যে, শ্রীকান্তর কাছে মনে হতো, সে  দুনিয়ার সবথেকে অভাগা শিশু। 

শ্রীকান্ত শেষ পর্যন্ত পারেনি নিজেকে সেই স্কুলে মানিয়ে নিতে। তাই সে স্কুল থেকে নিয়ে বাবা-মা তাকে ভর্তি করায় হায়দ্রাবাদের এক বিশেষায়িত স্কুলে। সেটাই ছিল শ্রীকান্তর জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। সে বিশেষায়িত  স্কুলে উপযুক্ত পরিবেশ পেয়ে শ্রীকান্তর প্রতিভা বিকশিত হতে শুরু করে। শ্রীকান্ত পরীক্ষায় ভালো ফল করতে শুরু করে এবং অসাধারণ মেধাবী রুপে পরিচিত হয়ে ওঠে। শুধু পড়াশোনায় ই নয়, সে ভারতের হয়ে জাতীয় পর্যায়ে দাবা এবং ক্রিকেট খেলায়ও প্রতিনিধিত্ব করে। স্কুলে থাকতেই সে ডক্টর কালামের সাথে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করে। সে একটি যুব রুপান্তর প্রকল্পের আওতায় ভারতের আট লক্ষেরও বেশি তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন সময়ে জীবনযু্দ্ধে লড়াই করার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। এত কম বয়সে এতকিছু করার পরেও কিন্তু শ্রীকান্তের জীবনে চলার পথ তখনও সহজ হয়ে ওঠেনি। তাকে লড়াই করতে হয়েছে পদে পদে।

শ্রীকান্ত যখন দশম শ্রেণীতে পড়ে, সে মুখোমুখি হলো জটিল এক অবস্থার। ৯০ শতাংশেরও বেশি নম্বর পেয়ে সে দশম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হলো, অথচ স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে জানালো সে নাকি বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে পারবে না। কেন? কারণ সে অন্ধ। অন্ধদের বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার আইন নেই, তাকে আর্টস বা কলা নিয়ে পড়তে হবে। একথা শুনে হতবাক হয়ে গেল শ্রীকান্ত। কিন্তু সে তো হাল ছাড়ার পাত্র নয়। কোন অন্যায়ের কাছে সে মাথা নত করবে না সিদ্ধান্ত নিল। সে করল কি, আদালতে মামলা ঠুকে দিল। কার বিরুদ্ধে জানেন? সরকারের বিরুদ্ধে, সরকারের করা অন্যায় আইনের বিরুদ্ধে। কি সাহস! 

শেষপর্যন্ত শ্রীকান্তের সে সাহসের কিন্তু জয় হয়েছিল। সে দীর্ঘ ছয় মাস আদালতে লড়াই করে অনুমতি পেয়েছিল বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার। সরকারি শিক্ষা পর্ষদ থেকে একটি নির্দেশ  নির্দেশ এসেছিল, “তুমি বিজ্ঞান নিতে পারো,

শেষপর্যন্ত শ্রীকান্তের সে সাহসের কিন্তু জয় হয়েছিল। সে দীর্ঘ ছয় মাস আদালতে লড়াই করে অনুমতি পেয়েছিল বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার। সরকারি শিক্ষা পর্ষদ থেকে একটি নির্দেশ  নির্দেশ এসেছিল, “তুমি বিজ্ঞান নিতে পারো, তবে নিজের ঝুঁকিতে।” নিজের ঝুঁকিতে- কেন বলেছিল এ কথা সরকারি নির্দেশে? কেননা তারা ভেবেছিল শ্রীকান্ত পাশ করতে পারবে না। সে যাই হোক, সরকারী নির্দেশ পাবার পর শ্রীকান্ত একটা স্থানীয় কলেজে যোগ দিলো। শিক্ষকের সাহায্যে সব বই রেকর্ড করালো এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করতে শুরু করল। রেজাল্ট কি হলো জানেন? উচ্চমাধ্যমিকে শ্রীকান্ত ৯৮ শতাংশ নাম্বার নিয়ে পাশ করল। ৯৮ শতাংশ! শ্রীকান্ত দেখিয়ে দিল মনের জোর আর ইচ্ছা থাকলে কোন প্রতিবন্ধকতার কারও সফলতার পথে বাধা হতে পারে না। 

কিন্তু, উচ্চমাধ্যমিক তো শেষ হলো। এখন কি? শ্রীকান্ত ইন্ডিয়ার সব শীর্ষস্থানীয় টেকনোলোজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করল। কিন্তু সেগুলো থেকে তাকে জানানো হলো, অন্ধ হবার কারণে সে কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। আত্মসন্মানে বলীয়ান শ্রীকান্ত তখন কি করল জানেন?  বলল, ’আইআইটি( ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলোজি) যখন আমাকে চায়না, আমিও আইআইটিতে পড়তে চাইনা।” হাল না ছেড়ে, শ্রীকান্ত আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করতে শুরু করল। সে একটা নয়, ডাক পেল আমেরিকার চার চারটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এমআইটি, স্ট্যানফোর্ড, বার্কলে এবং কার্নেজি মেলন। শ্রীকান্ত এমআইটিতে ভর্তি হলো। সে ছিল এমআইটির ইতিহাসে প্রথম অন্ধ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট। সেখানে গিয়ে প্রথম প্রথম তার কিছু অসুবিধা হলেও ক্রমান্বয়ে ভালো ফল করতে শুরু করলো শ্রীকান্ত।

সেই সময়ে তার মাথায় চিন্তা এলো পড়াশোনা শেষ করে সে কি করতে চায়। সে কি বিয়ে করে সংসারী হতে চায়? নাকি আমেরিকার কর্পোরেট দুনিয়ার নিজের একটা অবস্থান করে নিতে চায়? নাকি সে যে সমস্যাগুলোর মধ্যে দিয়ে এসেছে সেগুলো সমাধান করতে চায়? তার মনে পড়তে থাকল জীবনে মোকাবিলা করা অনেক প্রতিকূলতা আর বঞ্চনার কথা। সে চিন্তা করল, কেন শুধু অন্ধ হবার কারণেই একটি শিশুকে ক্লাসের শেষ বেঞ্চে বসতে হবে? কেন প্রতিবন্ধী হবার কারণে ভারতের ১০ ভাগেরও বেশি মানুষকে থাকতে হবে অর্থনীতির বাইরে? কেন তারা কাজ করতে পারবে না? রোজগার করতে পারবে না? কেন তাদের সমাজের বোঝা হয়ে থাকতে হবে? কেন?…এই প্রশ্নগুলোর জট খুলতেই শ্রীকান্ত আমেরিকার কর্পোরেট দুনিয়ার প্রলোভন ছেড়ে দেশে ফিরে এলো। 

শেষপর্যন্ত শ্রীকান্তের সে সাহসের কিন্তু জয় হয়েছিল। সে দীর্ঘ ছয় মাস আদালতে লড়াই করে অনুমতি পেয়েছিল বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার। সরকারি শিক্ষা পর্ষদ থেকে একটি নির্দেশ  নির্দেশ এসেছিল, “তুমি বিজ্ঞান নিতে পারো,

ভারতে ফিরেই শ্রীকান্ত প্রতিবন্ধীদের সহায়ক সেবা প্রদানের জন্য একটি প্লাটফর্ম গড়ে তুলল। সেই প্লাটফর্মের আওতায় সমাজের বিভিন্ন অংশ থেকে প্রতিবন্ধীদের খুঁজে  বের করে পুনর্বাসিত করা, যত্ন আর সেবা দিয়ে  সমাজের মূলস্রোতের সাথে মিশিয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করতে থাকল শ্রীকান্ত। এ প্রকল্পের আওতায় সে ৩০০০ এরও বেশি ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষা, বৃত্তিমূলক পুনর্বাসন, ক্রীড়া, এবং আরও অনেক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দিয়ে সাহায্য করতে সমর্থ হলো। কিন্তু তারপরও তো ভাবনা থেকেই যায়। এইসব প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থানের কি ব্যবস্থা হবে!  এ চিন্তা থেকেই শ্রীকান্ত শুরু করল নতুন একটি কোম্পানী, বোলেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ। তার কোম্পানীর যাত্রা শুরু হলো ১৫০ জন প্রতিবন্ধীকে সঙ্গে নিয়ে। অল্প সময়েই শ্রীকান্তর কোম্পানী আলোর মুখ দেখতে থাকে। শ্রীকান্তর উদ্ভাবনী শক্তির  সহায়তায় বিক্রি এবং লাভ হুহু করে বাড়তে থাকল তার কোম্পানির। কোম্পানীর পরিসর বড় হতে থাকল, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়তে শুরু করল…। শ্রীকান্তর কোম্পানীতে বর্তমাতে ৬০০রও বেশি প্রতিবন্ধী কাজ করে। তার কোম্পানীর বাৎসরিক মূলধন ১৫০ কোটি রুপি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তার কোম্পানীর আয় ছিল ২৫ কোটি রুপি। ২০১৭ সালের এপ্রিলে, ফোর্বস ম্যাগাজিনে এশিয়ার  ত্রিশ বছরের কম বয়সী ত্রিশ জন সফল উদ্যেক্তার তালিকায় জায়গা  করে নেয় শ্রীকান্ত বোল্লা।

শ্রীকান্তর কোম্পানীর সফলতা শুধু অর্থের হিসেবে পরিমাপ করলে বড় ভুল হবে। শ্রীকান্তর কোম্পানীতে প্রতিদিন ১০০ টনেরও বেশি ক্রাফট পেপার তৈরি হয়। যেগুলোর প্রধান ক্রেতা এপি এবং তেলেঙ্গনা মেনুফ্যাকচারস। এছাড়াও তার কোম্পানীতে কৃষির উচ্ছিষ্ট দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহার করে তৈরি হয় পরিবেশবান্ধব থালা, বাটি, ট্রে, বক্স ইত্যাদি। শ্রীকান্তর বোলেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে তিনটি। এক, প্রতিবন্ধীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। দুই, ভারতের অনগ্রসর কৃষকদের কৃষির উদ্বৃত্ত বা উচ্ছিষ্টকে কাজে লাগিয়ে কৃষকদের উপকৃত করা। তিন, পরিবেশ বান্ধব দ্রব্যসামগ্রী তৈরি করে পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখা।

মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সে এত অর্জনের পরও আজও শ্রীকান্ত পরিতৃপ্ত নয়। এখনও সে অনেক কিছু করতে চায়, অনেক পথ চলতে চায়, সমাজে অনেক পরিবর্তনের পথিকৃৎ হতে চায়। শ্রীকান্তর জীবন, কর্ম আর চিন্তাধারা থেকে সাধারণের অনেক কিছু শিখবার আছে। তবে শ্রীকান্ত তার জীবন থেকে নেয়া নির্দিষ্ট  তিনটি শিক্ষার ব্যাপারে মানুষকে বলতে চায় –

প্রতিবন্ধীদের প্রতি সমবেদনা এবং সমর্থন জানান। হয়ত আপনার সামান্য একটু সমর্থন কারও জীবন বদলে দিতে সহায়তা করবে।  

একাকীত্বে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। একাকীত্ব মানুষের জীবনে বড় ধরণের দারিদ্র হিসেবে কাজ করে। সম্ভব হলে মানুষের একাকীত্বে পাশে দাঁড়ানো সবার কর্তব্য।

অন্যের জন্য কিছু করুন। মানুষের জন্য করলে সর্বপ্রথম যে সেই কাজটার দ্বারা উপকৃত হবে, সে আপনি নিজে। 

তথ্যসূত্র- টাইমস অফ ইন্ডিয়া

Comments
Show More

Related Articles

Close