‘ওরা ১১ জন’ কেন মুক্তিযুদ্ধের সেলুলয়েড দলিল, সেটা বলতে গেলে এই চলচ্চিত্র নিয়ে গল্পের বাইরে কিছু কথা বলা প্রয়োজন। তাহলে ‘ওরা ১১ জন’ এর তাৎপর্য বিশদভাবে ফুটে উঠবে। ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রের পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম এক শীর্ষসারির গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন-
‘দেশ স্বাধীন হয়েছে। জানুয়ারি থেকেই পরিকল্পনা নেওয়া হলো যে ওরা ১১ জন নামে একটি চলচ্চিত্র তৈরি করা হবে। এই নামের পেছনে কারণ আছে। মুক্তিযুদ্ধে ১১ দফা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ছিল, আর ছিল বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা, তাই ছবির শুরুতেই যখন ওরা ১১ জন নামটি পর্দায় ভেসে ওঠে, তখন কামানের ছয়টি গোলা ছোড়া হয়।’
‘ওরা ১১ জন’ স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র । সদ্য যুদ্ধফেরত দুই তরুন খসরু ও মাসুদ পারভেজ চেয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী কঠিন সময়টিকে সবার কাছে তুলে ধরতে। এমন একটি মাধ্যমের কথা তারা ভাবছিলেন যাতে করে একসঙ্গে দেশ-বিদেশের অনেক মানুষ মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে। এমনকি ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছেও যা হয়ে থাকবে একটি প্রামাণ্য দলিল। অপরদিকে চাষী নজরুল ইসলামও এমন একটি ভাবনা মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন সহযোগিতার আশায়। এই তিনজন একত্রিত হয়ে ঠিক করলেন সেই মাধ্যমটি হবে চলচ্চিত্র। আর এভাবেই নির্মাণ শুরু হয় ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রটির।
 
এই চলচ্চিত্রের কাহিনী গড়ে ওঠে ১৯৭১ সালের দুটি পরিবারের পটভূমি নিয়ে। দেশে তখন তুমুল রাজনৈতিক উত্তেজনা। পাক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঘোষনা করেছে, এসেম্বলি বসবে না। বাংলার আপামর ছাত্র জনতা তীব্র ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে। শুরু হয় প্রতিবাদ, আন্দোলন, হরতাল, মিছিল। তারপর বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষন। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লক্ষনীয়, এই চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধুর ভাষনের কিছু অংশ সাবলীলভাবে চিত্রায়িত হয়েছে। যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্রের জন্য অতীব জরুরী সিকোয়েন্স। এবং সেটা ব্যবহার করে পরিচালক তার চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন নিঃসন্দেহে। 
ora-egaro-jon-1972
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ১১ জন সাহসী মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়েই মূলত এই চলচ্চিত্রের গল্প এগিয়ে যায়। ২৫ মার্চ সেই কালো রাত্রির পর এই গেরিলা বাহিনীটি বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু গেরিলা অপারেশন চালায়। বাহিনীটির নেতৃত্ব দেন কামরুল আলম খসরু। খসরু ও তার বোন মিতা (শাবানা) ঢাকায় মামাবাড়িতে থেকে লেখাপড়া করেন। প্রতিবেশী শীলার (নূতন) সঙ্গে খসরুর বিয়ে ঠিক হয়। অন্যদিকে মেডিকেল কলেজের ছাত্রী মিতার সঙ্গে শীলার প্রকৌশলী ভাই পারভেজের (রাজ্জাক) সম্পর্ক রয়েছে। সবকিছু ঠিকই চলছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই দেশে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। খসরু চলে গেল যুদ্ধে। আরো দশজন সঙ্গীকে নিয়ে গড়ে তুলে গেরিলা বাহিনী। পারভেজ মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করায় পাকিস্তানীদের হাতে বন্দী হয়। পারভেজের কাছ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের খবর বের করতে না পারায় তার সামনেই মা আর ছোট ভাইকে হত্যা করা হয়। বোন শীলা নির্যাতনের শিকার হয়। মিতা বিক্রমপুরে একটি হসপিটালে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় সেখানকার চিকিৎসক দলের সঙ্গে যোগদান করে। একদিন সেও পাকিস্তানি সৈন্যদের নির্যাতনের শিকার হয়। যুদ্ধকালীন সময়ে এমনই কিছু মানুষের খন্ড খন্ড চিত্র উঠে এসেছে ছবিটিতে। মুক্তিযুদ্ধের শুরু হতে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরো সময়টিকেই ফ্রেমবন্দী করতে চেয়েছেন পরিচালক চাষী নজরুল। যার নেপথ্যে ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ। ছবির বেশিরভাগ অংশ জুড়েই মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমন, সম্মুখ যুদ্ধ ও ব্যক্তিগত নৈপুন্য দেখানো হয়েছে। ছবি শেষ হয় পাকিস্তানীদের আত্মসমর্পণ আর মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়োল্লাসের মধ্য দিয়ে। 
এই চলচ্চিত্রে অনেক অনেক শিল্পী অভিনয় করেলেও, বেশিরভাগ শিল্পীই ছিলেন অপেশাদার। মুক্তিযোদ্ধা চরিত্রে কয়েকজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা অভিনয় করেছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন খসরু, মুরাদ, নান্টু। পাশাপাশি পেশাদার অভিনেতা হিসেবে রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, সুমিতা দেবি, খলিল, হাসান ইমাম, রওশন জামিল, রাজু আহমেদসহ আরো অনেকেই। এই চলচ্চিত্রের সংলাপ লিখেছেন এটিএম শামসুজ্জামান। যিনি রাজাকার বেজার আলী চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কাহিনীকার ছিলেন আল মাসুদ, চিত্রনাট্য লিখেছেন কাজী আজিজ, চিত্রগ্রহন বশির হোসেনের।  
kawser_rhuso_1387138400_4-ora_11jon_4
যেহেতু ‘ওরা ১১ জন’ মুক্তিযুদ্ধোত্তর প্রথম সিনেমা, তাই এই সিনেমাতেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনাদের প্রকৃত লড়াই করার জায়গাটা সুনিপুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তখন বীরাঙ্গনা শব্দটা অতটা আলোচিত ছিল না, যতটা ছিল নির্যাতিতা, লাঞ্চিতা, ধর্ষিতা হিসেবে। ১৯৭২ এর পটভূমিতে এই চলচ্চিত্রটি হয়ে উঠছিল সমাজের দর্পন। এই চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে একটি বার্তা দেওয়ার প্রয়াস ছিল, যা এই সিনেমার পুরোটা জুড়েই লক্ষনীয়। বিশেষ করে, মিতাকে পাক বাহিনী নির্যাতন করার পর তাকে মুক্তিযোদ্ধারা উদ্ধার করে আনে হাসপাতালে। তারপর জ্ঞান ফিরলে সে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করতে গেলে সিনিয়র ডাক্তার তাকে বাঁচার প্রেরণা যোগায়-
“ডোন্ট বি সেন্টিমেন্টাল! মনে রেখো, তুমি মরে গেলেই এর সমস্যা সমাধান হবে না।তোমার মত বাংলার হাজারও মিতা আজ ওদের হাতে এমনিভাবে ধর্ষিতা, লাঞ্চিতা। বেঁচে থেকে এর প্রতিশোধ নিতে হবে…” 
মিতা নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে, অন্তত আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা করার জন্য হলেও সে বেঁচে থাকে। বাংলার লাখো নির্যাতিতার জন্য এই বার্তা কিছুটা হলেও বাঁচার প্রেরণা যুগিয়েছে।
“তোমার দাদা দেশের জন্য শহীদ হয়েছে। আমাকে এখনি অপারেশনে যেতে হবে। ফিরবো কিনা জানিনা, মা’কে দিয়ে গেলাম, মাকে দেখো। চলি….” 
– মুক্তিযোদ্ধা প্রদীপ মারা যাওয়ার পর প্রদীপের বোন পরমাকে খসরুর বলা এই সংলাপই বলে দেয়, কতটা কঠিন আর পাষাণ হয়ে যুদ্ধ করতে হয়েছে প্রতিটি দেশ অন্তঃপ্রান মুক্তিযোদ্ধাকে। বুকে পাথর চেপে, কাঁধে স্টেনগান ঝুলিয়ে লড়তে হয়েছে দেশ মাতৃকার জন্যে। খশরু চরিত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধা খশরুর পরিশ্রম ছিল চোখে পড়ার মতো। একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাই জানেন, কতটা সাহসিকতা নিয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করে আনতে হয়েছে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য! আর এই চরিত্রে খশরুর পরিশ্রম স্বার্থকতা পেয়েছে পুরো সিনেমাজুড়ে। 
ওরা ১১ জন ছবির শুটিংয়ে সত্যিকারের রাইফেল এলএমজি, গ্রেনেডের ব্যবহার করা হয়েছিল। ছবির একটি দৃশ্য ছিল, যেখানে দেখানো হয় যে গওহর জামিল ও শাবানা গোলাগুলির পর পড়ে যায়। এ দৃশ্যটি ছিল বেশ আবেগপ্রবণ। কীভাবে করেছিলেন পরিচালক সেটি?
চাষী নজরুল ইসলাম বললেন, ‘এফডিসির ৪ নম্বর ফ্লোরের ভেতর একটি সেট তৈরি করা হয়। সেখানে কাচের জানালা ছিল। ক্যামেরাম্যান সামাদ ভাইকে বললাম যে কাচের জানালা ভেবে তখনই গওহর জামিল ও শাবানা দুদিক থেকে এসে এক জায়গায় দাঁড়াবে এবং পড়ে যাবে।
‘খসরু অমনি বলল, “চাষী ভাই, এক কাজ করি, সরাসরি গুলি করি। তারপর দুজন দুদিক থেকে দৌড়ে আসুক।” শাবানা বলল, “চাষী, এটা কী করে হয়! এসব গোলাগুলি সত্যিকারের করার দরকার কী?” ক্যামেরাম্যান সামাদ ভাই বললেন, “ভাই, গুলি আবার আমার শরীরে বিঁধবে না তো।” আমি সবাইকে আশ্বস্ত করে বললাম, খসরুর হাতের নিশানা খুবই ভালো, ভয় পাওয়ার কোনো দরকার নেই। শাবানা বলল, “আমার যদি কিছু হয়, তবে এর জন্য দায়ী থাকবি তুই।” আমি অভয় দিয়ে বললাম, কোনো সমস্যা নেই। সামাদ ভাই ক্যামেরা চালিয়ে দিলেন। খসরু তার রাইফেল উঁচিয়ে ঠা ঠা করে গুলি শুরু করল। গ্লাস ভাঙার শব্দ পেলাম। এখনো সেই বুলেটের আঘাতের চিহ্ন ৪ নম্বর ফ্লোরের দেয়ালে রয়ে গেছে। শাবানা আর গওহর জামিল দুদিক থেকে ছুটে এল। এরপর সেটি ইতিহাসের অংশ হয়ে গেল।’

জয়দেবপুর সেনানিবাসের সেনা সদস্যরাও অভিনয় করেছেন। সত্যিকারের অস্ত্র ব্যবহারের ফলে ছবির শ্যুটিংয়ে কম ঝক্কি পোহাতে হয়নি। এ প্রসঙ্গে একটি দৃশ্যের কথা বলা যেতে পারে। দৃশ্যটি ছিল এমন- একটি মেয়েকে পাকিস্তানী হানাদাররা তাড়া করবে এবং গুলি ছুড়তে থাকবে কিন্তু মেয়েটির গায়ে কোন গুলি লাগবে না। যেহেতু আসল গুলি তাই দৃশ্যটি ধারণ খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। গুলি করলে মেয়েটির গায়ে লাগার সম্ভাবনাই বেশি। গুলির ছোড়ার দায়িত্বটি কেউই নিতে চাইলেন না। এমনকি চিত্রগ্রাহক আবদুস সামাদও দৃশ্যটি ধারণ করতে অস্বীকৃতি জানালেন। শেষ পর্যন্ত খসরু গুলি ছোড়ার দায়িত্ব নিলেন। দৃশ্যটি ধারণ শুরু হল। মেয়েটি দৌড়াচ্ছে আর খসরু একে একে ৩০টি গুলি ছুড়লেন। গুলি মেয়েটির খুব কাছ দিয়ে চলে গেল, কয়েকটা জামাও স্পর্শ করল কিন্তু একটাও শরীরে লাগলনা। সফলভাবে দৃশ্যটি ধারণ শেষে সবাই আনন্দে খসরুকে জড়িয়ে ধরে।
kawser_rhuso_1387138216_2-ora_11jon_2
ওরা ১১ জন ছবিটির আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য হলো একটি দৃশ্যে সত্যিকারের পাকিস্তানি সৈন্যরাও অভিনয় করেছেন। দৃশ্যটি ছিল ধরা পড়ে যাওয়া পাকিস্তানি সৈন্যকে মেরে ফেলার। মুক্তিযুদ্ধের সময় আটকে পড়া দুই পাকিস্তানি সৈন্য তখন চলচ্চিত্রটির ইউনিটের কাছে বন্দী ছিল। তাদেরকে তখনও বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এই দুই সৈন্যকে দিয়েই দৃ্শ্যটিতে অভিনয় করানো হয়। এরপর তাদেরকে সেনানিবাস কর্তৃপক্ষের কাছে সোপর্দ করা হয়। 
পুরো চলচ্চিত্রে তিনটি গান রয়েছে, ছবির শুরুতে ‘ও আমার দেশের মাটি’ রবীন্দ্রসংগীত দিয়ে দেশের প্রতি প্রবল মমত্ববোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সাবিনা ইয়াসমিনের কন্ঠে ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলা স্বাধীনতা আনলে যাঁরা’ দিয়ে ছবিটি শেষ হয়। সংগীত পরিচালনা করেছেন খোন্দকার নুরুল আলম।

পরিচালক প্রয়াত চাষী নজরুল ইসলাম সম্পর্কে বলতে গেলে এই লেখা শেষ করা যাবে না। শুধু এটুকু বলি, ‘৭১ এর নয়মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর একটি দেশে সিনেমা নির্মান মোটামুটি বিলাসিতার শামিল। তার ওপর মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাবলী নিয়েই তিনি চলচ্চিত্র নির্মানে নেমে যথেষ্ট সাহসিকতার পরিচয় দেন। কোনো রকম উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাতীত যুদ্ধের দৃশ্য গুলো দেখাতে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন। ছবির প্রযোজক ছিলেন আরেকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রনায়ক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা। পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের স্ত্রী আর মাসুদ পারভেজ পূর্বপরিচিত। সেই সূত্রেই পরিচালক ও প্রযোজকের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর এভাবেই শুরু হয় একটি ইতিহাস রচনার কাজ।

১৯৭২  সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই চলচ্চিত্র আমাদের স্বাধীনতার সেলুলয়েড দলিল হয়ে আছে আজও, ভবিষ্যতেও থাকবে। হয়তো মানের বিচারে কিবা শিল্পের বিচারে ‘ওরা ১১ জন’ ততটা পরিপূর্ণতা পায়নি প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতায়। কিন্তু তৎকালীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘ওরা ১১ জন’ অবশ্যই আমাদের সেরা নির্মানের একটি। স্বাধীনতার ৪৫ বছরে আরো অনেক অনেক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে, ভবিষ্যতে আরো আরো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারিগরী মানের দিক দিয়ে বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মান হবে। কিন্তু সেসবের জন্য ‘ওরা ১১ জন’ সবার জন্য অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে যুগ যুগ ধরে।   
(তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, প্রথম আলো )
*** ‘ওরা ১১ জন’ দেখুন ইউটিউবে- www.youtube.com/watch?v=v-qIckO6lmU

Do you like this post?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid

আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিন-