সিনেমা হলের গলি

একজন অনন্যসাধারণ ক্রিস্টোফার নোলানের গল্প!

তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তিনি নিজেই। তাঁর প্রত্যেকটি সিনেমার চরিত্রগুলোর মতই তিনি নিজেও আশপাশের সব কিছুকে দেখেন ভিন্ন থেকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে, আর তাই তো তিনি যখন কোন নতুন সিনেমা নিয়ে হাজির হন তখন সেই সিনেমার আসল মর্মার্থ খুঁজতে বসে যায় দর্শক, সমালোচক থেকে সিনেমাবোদ্ধা সকলেই। তাঁর সিনেমা মানেই দর্শককে সেখানে নিজের মাথা খাটাতে হবে, নিজের দৃষ্টিকোণ থেকে আবিষ্কার করা যাবে সিনেমার ভেতরের ভিন্ন অর্থ।

ক্রিস্টোফার এডওয়ার্ড নোলান। জন্ম ১৯৭০ সালের ৩০শে জুলাই লন্ডনে। ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়ালেখা করেছেন লন্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজে। খুব অল্প বয়স থেকেই বাবার পুরানো ক্যামেরা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা প্রজেক্টের জন্য তিনি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা বানাতে শুরু করেছিলেন। এমনকি প্রতি সপ্তাহে ছুটির দিন গুলোতে বন্ধুদের কাছ থেকে শুটিং-এর নানা উপকরণ ধার নিয়ে নানা সময়ে অনেকরকম বিষয়ের উপর শুটিং করেছেন। বানিয়েছেন নানা ডকুমেন্টারি ফিল্ম।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় নোলানের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘ফলোয়িং’। লন্ডনের রাস্তায় বিল নামের একজন লেখক তার নতুন উপন্যাস লেখার জন্য প্রতিদিন রাস্তায় নানা মানুষকে অনুসরণ করে আর তাদের জীবনের খুঁটিনাটি খেয়াল করে চরিত্র সাজাতে চায় আর এমনি করেই লেখকের সাথে পরিচয় হয় কব নামের হাই প্রোফাইল চোরের সঙ্গে। কব তাকে তার সাথে চুরি করার প্রস্তাব দেয় যেন সে খুব কাছ থেকে পুরো প্রক্রিয়াটি দেখতে পারে। পরবর্তীতে বিলের জীবনের পরিবর্তন আর নানা ডায়লগের মাধ্যমে মানুষের জীবনের ছোট ছোট সত্যই এই সিনেমায় উপস্থাপন করেছেন নোলান, আর একই সাথে নিজের প্রথম সিনেমায় প্রমান করেছেন, তিনি শুধু চলচ্চিত্র নির্মাতা হতে আসেননি, তাঁর মূল লক্ষ্য গল্পকার হওয়া। মাত্র ৬০০০ ডলার খরচায় নিজের বন্ধুদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহের ছুটিতে কয়েক মাস ধরে শুটিং করে নোলান সিনেমাটি নির্মাণ করেছিলেন। এই সিনেমাটি বক্স অফিসে আয় করে ২,৪০,৪৯৫ ডলার। সিনেমাটির প্রত্যেকটি শট, রহস্যে ঘেরা প্লট আর চরিত্রের নানা জটিলতার কারণে এখনো এটি একটি ক্লাসিক ফিল্ম হিসাবে গ্রহনযোগ্যতা পায়।

নিজের দ্বিতীয় ছবিতেই বাজিমাত করেন ক্রিস্টোফার নোলান। ২০০০ সালে মুক্তি পায় তার সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘মেমেন্টো’। ল্যানারড শ্যাল্পি এন্ট্রিওগ্রেড এমন্যাশিয়া নামক এক ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত। এক রাতে ল্যানারডের স্ত্রী খুন হয় আর খুনী ল্যানারডের মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। এর পর থেকেই ল্যানারড আর নতুন কোন স্মৃতি তৈরি করতে পারে না। প্রতি ১০ মিনিট পর পর সে ভুলে যায় সে কোথায় আছে, কেন আছে, তার জীবনের উদ্দ্যেশ্য কি! নোলান এমনভাবে ল্যানারডের পরিস্থিতি আর গল্প বর্ণনা করেছেন যেন দর্শক নিজেও ল্যানারডের মতো অনুভব করতে পারে। ল্যানারডের স্মৃতি আর বর্তমান ঘটনাগুলো আলাদা কালার, স্টোরিটেলিং টেকনিকের মাধ্যমে ল্যানারডের মতো দর্শককেও নোলান নানা ধাঁধা আর বিশ্বাস-অবিশ্বাসের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। সিনেমাটি সেরা চিত্রনাট্য আর সেরা এডিটিং দুইটি ক্যাটাগরিতে অস্কারের জন্যে মনোনয়ন পায়।

২০০২ সালে মুক্তি পায় নোলানের তৃতীয় সিনেমা ‘ইনসোমনিয়া’। ১৯৯৭ সালের একই নামের সিনেমারই রিমেক করেন নোলান। এটিই তার একমাত্র সিনেমা যেখানে সে নিজে গল্পকারের ভূমিকা পালন করেননি। কেউ কখনো ভেবেছিল যে রবিন উইলিয়ামসের মত কমেডিয়ান একজন হার্ড হিটিং ভিলেনের ভূমিকাতেও অভিনয় করতে পারবে? পরিচালক হিসাবে নোলানের অনেকগুলো সফলতার মধ্যে এটি অনেক বড় সফলতা। সে কোন ধরনের অভিনয় তিনি নিখুঁত হাতে বের করে আনতে পারেন যে কোন অভিনেতার মধ্য থেকে। ইনসোমনিয়া সিনেমাটিও ক্রাইম থ্রিলার ঘরনায় এক নতুন সংযোজন।

এর পরের সিনেমাতেই আবার বাজিমাত করেন নোলান। পুরো বিশ্বের সামনে উন্মুক্ত করেন কমিক কালচার সিনেমার নতুন ধারা। দীর্ঘ ৩০ বছর পর অবশেষে বিশ্ব জুড়ে কমিক্স ভক্তরা তাদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘ব্যাটম্যান’-কে খুঁজে পান অনেক পরিণত আর ডার্ক ফ্লেভারে। হলিউডের নানা পরিচালক, অভিনেতারা যখন বারবার কমিক ভক্তদের নিরাশ করেছেন ঠিক তখনই সুপারহিরো ঘরনায় নোলানের আবির্ভাব ‘দেবদূত’ হয়ে আসে। আর সাথে সাথেই ব্যাটমান হিসাবে অভিনেতা ‘ক্রিস্টিয়ান বেইল’ এর ক্যারিয়ারের এক অদ্ভুত সুন্দর সূচনা। নোলান আর বেলের জুটি বক্স অফিসে রাজত্ব করেছে প্রায় ৮ বছর।

ব্যাটম্যান আর গোথাম সিটির এক বিশাল অধ্যায়ের মধ্যেই নোলান ক্রিস্টিয়ান বেইল আর হিউজ জ্যাকম্যানকে নিয়ে নির্মাণ করেন নিজের পঞ্চম সিনেমা ‘দ্যা প্রেসটিজ’, ক্রিস্টোফার প্রিস্টের ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত উপন্যাসের জাদুর নানা কৌশল আর দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বী জাদুকরের মধ্যকার বন্ধুত্ব থেকে দ্বন্দ্ব, স্যাক্রিফাইস আর পৃথিবীর সব জাদুই আসলে জাদুকরের কৌশল এবং সব সফলতার পিছনেই আসলে কারও ব্যর্থতা লুকানো, এমন একটি প্লট নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি ২০০৬ সালে মুক্তি পায়। ততদিনে নোলান এই প্রজন্মের একজন নতুন টেকনিক সমৃদ্ধ গল্পকার আর বিখ্যাত বক্সঅফিস হিটার হিসাবে বিশ্বব্যাপী সমৃদ্ধ পরিচালক।

২০০৮ সাল নিয়ে আসে নোলান আর পুরো পৃথিবীর জন্যে কমিক ভিত্তিক চলচ্চিত্রের সব থেকে বড় সফলতা। মুক্তি পায় এখনো পর্যন্ত কমিক চরিত্র নিয়ে নির্মিত ইতিহাসের সব থেকে সেরা সিনেমা ‘The Dark Knight (দ্য ডার্ক নাইট)’। পর্দায় মানুষ দেখতে পায় শতাব্দীর সেরা ভিলেন, ব্যাটম্যানের আজীবন শত্রু ‘জোকার’-এর এক অনবদ্য অভিনয়। সিনেমার শুটিং শেষ করার কিছু দিনের মধ্যেই মারা যান জোকারের চরিত্রে পৃথিবীর সেরা অভিনয় করা হিথ লেজার। মাত্র ২৮ বছর বয়সী হিথের সাথে নোলানের সম্পর্ক ছিল অন্যরকম। এমনকি সিনেমাটির বেশ কয়েকটি অংশের পরিচালনা হিথ নিজে করেছেন। সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার আগে নোলান যখন জোকারের চরিত্রে হিথকে নেওয়ার কথা ঘোষণা দেন তখন ব্যাটম্যান ভক্তরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। কিন্তু সিনেমাটির মুক্তির পর ইতিহাস বদলে যায় আর বদলে যায় নোলানের ভাগ্যও। সিনেমাটি বক্স অফিসে আয় করে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের উপরে।

বন্ধুর প্রতি সম্মানের কারনেই নোলার তার পরবর্তী ব্যাটম্যান সিকুয়াল ‘The Dark Knight Rises (দ্যা ডার্ক নাইট রাইজেস)-এ জোকার চরিত্রটির কোন ব্যবহার করেননি। ধারণা করা হয় মাত্র ৩টি সিনেমার পরেই নোলান এই থ্রিলোজি ছেড়ে দেওয়ার পিছনে হিথের মৃত্যু একটি বড় কারণ।

নোলান আবারো নিজের ঘরনা সাইকোলজি থ্রিলারে ফিরে আসেন ২০১০ সালের ‘Inception’ এর মাধ্যমে। এমন কিছু সিনেমার পর্দায় নিয়ে আসেন যা কেউ ভাবেনি আগে। মানুষের মস্তিস্কের মধ্যের নানা অজানা রহস্য আর জগৎ উদ্ভাবন করে সেটাকে নানা ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেন নিজের গল্প বলার কৌশলে। এই সিনেমায় নোলান প্রশ্ন তোলেন আমাদের চারপাশ নিয়ে, মানুষের নিজের অস্তিত্ব আর স্বপ্ন নিয়ে। মস্তিকের অজানা রহস্য, স্বপ্ন আর অসাধারণ ভিজুয়াল নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি দিয়ে নোলান আবারো প্রমাণ করেন তিনি চারপাশকে শুধু পর্যবেক্ষণই করেন না, সাথে সাথে নানা প্রশ্নের উত্তরও খোঁজেন। সাব্জেক্টিভ রিয়েলিটি আর স্বপ্নের মধ্যে আসলেই কোন পার্থক্য আছে নাকি আমরা যেটা বিশ্বাস করি সেটাই আমাদের নিজস্ব সত্য, এমন সব প্রশ্ন নিয়েই নির্মিত ইনসেপশন।

‘একজন গল্পকার হিসাবে আমি এমন গল্পগুলো নিয়ে কাজের সুযোগ খুঁজি, যে গল্পটি হয়তো আমাদের সামনেই ছিল কিন্তু সেটাকে আলাদা করে দেখার সময় হয়নি।’

একই অভিনেতাদের নিয়ে কাজ করার প্রবণতাও নোলানের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। এখন পর্যন্ত তার নির্মিত ১০ টি সিনেমার ৭টিতেই কাজ করেছেন মাইকেল কেইন। এদিকে তার বিখ্যাত ৪ টি সিনেমাত প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছে ক্রিশ্চিয়ান বেল। টম হার্ডি, এনা হ্যাথওয়ে, জোসেফ গরডন, সিলিয়ান মার্ফি-র মতো অভিনেতারা নোলানের একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এদের প্রত্যেকের ক্যারিয়ারেই নোলান ইফেক্ট বিদ্যমান।

ব্যক্তি হিসাবে নোলান স্বল্পভাষী হলেও, সিনেমায় গল্পের প্রয়োজনে আর ডিটেইলিং-এর জন্যে সিনেমার ভাষা ব্যবহারে পিছপা হননি কখনো। অতি আধুনিক প্রযুক্তিতে কম্পিউটারের মাধ্যমে এখন সব ধরনের শুটিং করা সম্ভব হলেও নোলান এই ব্যাপারে একটু পুরানো টেকনিকেরই ভক্ত। তার সিনেমায় বেশিরভাগ শটই আসল। এই কারনে তাকে অনেক বড় ধরনের ঝামেলায় পড়তে হয়েছে নানা সময়ে। দুইটি সিনেমার শুটের সময় পৃথিবীর মহামূল্যবান ‘আইম্যাক্স’ ক্যামেরা ভেঙ্গেছেন দুইবার। তৎকালীন সময়ের পুরো পৃথিবীতে মোট আইম্যাক্স ছিল ৪ টি। প্লেন ক্রাশ হোক বা ঘর বাড়িতে বোমা বা বড় বড় গাড়ি উল্টানো সব শটই আসল চাই নোলানের। তিনি মনে করেন যখন প্রযুক্তি ছিল না তখনো অনেক অসাধারণ সিনেমা বানানো হয়েছে, তবে এখন কেন নয়?

বাবা আর মেয়ের সম্পর্ক আর পৃথিবীর বসবাসযোগ্য পরিবেশ, ব্ল্যাকহোল আর থিওরি নিয়ে নির্মিত ইন্টারস্টেলারের মূল বাক্য ‘পৃথিবী হোক বা মহাকাশ, যে কোন টাইম ডাইমেনশনে একমাত্র ভালোবাসই সর্ব অবস্থাতে সত্য’। সিনেমাটিতে নোলান বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক থাকার জন্যে থিওরেটিকাল ফিজিক্সিট কেপ থর্ন-এর যাবতীয় রিসার্চ ব্যাবহার করেন। বৈজ্ঞানীকভাবে যতগুলো তথ্য সিনেমাটিতে ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো সবই সত্য।

নোলানের এই ২০ বছরের সাফল্যে ভরা ক্যারিয়ারের পিছনে দুইজন মানুষের অবদানের কথা না বললেই নয়; একজন নোলানের ভাই জোনাথান নোলান আর নোলানের স্ত্রী এমা থমাস। নোলানের অনেক সফল সিনেমার চিত্রনাট্যতে সমান অবদান জোনাথানের আর বেশির ভাগ সিনেমার এক্সজিকিউটিভ প্রডিউসারের ভূমিকা পালন করেছেন নোলানের চার সন্তানের জননী এমা থমাস। পুরো পৃথিবীর মধ্যে ক্রিস্টোফার নোলান এখন ৬ষ্ঠ সর্বোচ্চ বক্স অফিস কালেকশনের রেকর্ডধারী পরিচালক।

২০১৭ সালকে নোলানের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে ধরা হচ্ছে। অনেক প্রাপ্তি থাকলেও নোলানের ক্যারিয়ারে সব থেকে বড় সোনার হরিণ পরিচালক হিসেবে একটি অস্কার। অনেক আলোচিত পরিচালক হলেও সেরা পরিচালকের অস্কারটি হাতে আসেনি এখন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ক্রিস্টোফার নোলান-এর নতুন সিনেমা ‘ডানকার্ক’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বহুল আলোচিত যুদ্ধক্ষেত্রের ঘটনা নিয়ে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি মুক্তির আগে থেকেই দারুণ আলোচনায় ছিল। মুক্তির পর থেকেই সমালোচক, দর্শক সবাই এর নির্মাণ কৌশল আর ঘটনার বর্ণনায় নোলানের ইউনিক স্টাইল আর নানা দিক নিয়ে প্রশংসায় মত্ত। একটি ঘটনাকে ৩ টি প্রেক্ষাপট দিয়ে বর্ণনা, আইম্যাক্স ক্যামেরার অসাধারণ ভিজুয়াল থেকে শুরু করে যুদ্ধকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গী পাল্টে দিয়েছে ডানকার্ক নানাভাবে। একবাক্যে সবাই স্বীকার করে নিচ্ছে ২০১৭ সালে নির্মিত এবং মুক্তিপ্রাপ্ত সব সিনেমার মধ্যে ডানকার্ক-ই সেরা, এমনকি যুদ্ধ নিয়ে বানানো সিনেমাগুলোর মধ্যে ডানকার্ক নতুন একটি ঘরনা সৃষ্টি করেছে।

বিশ্বজুড়ে তাই নোলানের অসংখ্য ভক্ত,দর্শক আর নোলান ইফেক্টে মুগ্ধ সবাই আশা করছে যে হয়তো আগামী বছরের অস্কারের আসরে তাদের প্রিয় পরিচালকের বহুল প্রতীক্ষিত মুহূর্তটির সাক্ষী তারা হতে পারবে। নোলান ইফেক্টে এবার হয়তো অস্কার একাডেমিও মুগ্ধ হবে!

এই এত কিছু ক্রিস্টোফার নোলান-কে নিয়ে বলার একটি বিশেষ কারন অবশ্যই আছে। আজ এই মাস্টারমাইন্ড, প্রিয় পরিচালকের জন্মদিন। নিজের ৪৭তম জন্মদিনে নোলান কি চাইছেন তা তো আমরা জানি না, তবে দূরের এই দেশে বসে নোলানে মুগ্ধ একজন ভক্ত হয়ে তার ভবিষ্যতের সব কাজের সফলতা চাইতেই পারি। আর তার সাথে সাথে চাইতেই পারি তার হাতে বহুল প্রতীক্ষিত অস্কারের ঐ ট্রফিটা।  

‘শুভ জন্মদিন ক্রিস্টোফার নোলান!’

Comments
Tags
Show More

Related Articles

Close