ফিচারটি যতবার পড়া হয়েছেঃ 790

আজ আমার মন খারাপের দিন!

Ad

upoma

 

 

 

 

 

মাথা আছে বলে যেমন মাথা ব্যথা করে, ঠিক তেমনি মন আছে বলেই মন খারাপ হয়। মন খারাপকে যতই পাত্তা দেয়া হবে সে ততই পেয়ে বসবে। তাই আর যাই হোক তাকে পাত্তা দেয়া যাবে না। যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু কী করে! এ তো আর হাতের মোয়া না যে চাইলেই যেমন ইচ্ছে বানাবেন! কিন্তু উপায় আছে। প্রথমেই মন খারাপের কারণ খুঁজুন। যে কারনে মন খারাপ সেটা বের করে সমাধানের চেষ্টা করুন। সেক্ষেত্রে যদি আপনাকে এগিয়ে গিয়ে সমস্যার সমাধান করতে হয়, তবে তাই করুন। নয়তো মন খারাপের সাথে জীবনে সমস্যাও বাড়তে থাকবে।

kharapকিছু সময় কারণ ছাড়াই আমাদের মন খারাপ হয়। সে সময় প্রথমেই মন খারাপের কারণ খুঁজুন, কোন কারণ না থাকলে থাকলে নড়ে চড়ে বসুন। বই পড়ার অভ্যাস থাকলে বই নিয়ে নাড়াচাড়া করুন। রবীন্দ্রনাথ কিংবা শরৎ বাবু ওই সময় কাজে লাগে। আশাপূর্ণা দেবী, আশুতোষ কিংবা নীহারঞ্জনও বেশ বোঝে আপনার অবস্থা। হাতের কাছে এদের কেউ নেই? তবে হুমায়ুন আহমেদ পড়ুন, বাঙালীর ঘরে এই মানুষটি সুখে-দুঃখে বরাবরই উপস্থিত!

অনেকে একদমই বই পড়েন না। তাদের জন্য গান বেশ যায়। অস্থিরতা দূর করার জন্য পছন্দের প্লে-লিস্টটি চালিয়ে দিন। আমাদের সন্দীপদা, বাপ্পাদা, অর্ণব, কুমার বিশ্বজিৎম এন্ড্রু কিশোর তো আছেই। রবি বাবু বরাবরই মন ঠান্ডা করে তাছাড়া শ্রীকান্ত, হেমন্ত, মিতালি, আশা ভোশলে, পংকজও আপনাকে স্থির হতে সাহায্য করবে। আমার অবশ্য চিরকুট এর গানে বেশ কাজ হয়। আপনার প্লে-লিস্টটি আপনার পছন্দের সব গান দিয়ে ভরিয়ে ফেলুন, তবে এ আর রাহমানকে রাখতে ভুলবেন না অবশ্যই!

monবই, গান কিছুই যদি না টানে তবে ঝটপট তৈরি হয়ে নিন। সুন্দর করে নিজেকে গুছিয়ে নিন নিজের পছন্দের পোশাকে। তারপর বেড়িয়ে পড়ুন। সুন্দর পরিবেশ, ভালো খাবার পাওয়া যায় এমন কোথাও গিয়ে বসুন। পছন্দের খাবার অর্ডার করে এবার চারপাশের পরিবেশটা উপভোগ করুন। রেস্তোরাঁয় গান বাজছে? তবে সেটা শুনুন আর নিজের সাথে গল্প করুন নিজে। ফোনের স্ক্রিনে মনোযোগ না দিয়ে নিজেকে সময় দিন, খাবার এলে তৃপ্তি নিয়ে খান। ভালো আপনার লাগবেই!

এবার একটু বাইরে হাঁটুন। আশেপাশে পার্ক থাকলে সেখানে গিয়ে হাঁটুন অথবা ফুটপাত দিয়ে হেঁটে বাসায় ফিরুন। তবে এক ফাঁকে অবশ্যই আকাশটা দেখে নেবেন! আকাশের অবস্থা যেমনই হোক সে সব সময়ই আপনার মাঝে ভাল লাগা সৃষ্টি করবে।
তবে মন খারাপটা যদি দীর্ঘদিনের হয় তবে ব্রেক নিন, নিজের প্রতিদিনকার জীবন থেকে একটা ছোট ব্রেক নিয়ে ঘুরে আসুন প্রকৃতির কাছ থেকে। সিলেট, রাঙামাটি, সমুদ্রসৈকত কিংবা নীলগিরি-নিলাচল আপনার জন্য সব সময় অপেক্ষায় আছে। ছোট একটা ট্যুর দিয়ে যখন ফিরবেন নিজেই আগের আপনার সাথে এই আপনার পার্থক্যটা ধরতে পারবেন।

মন খারাপ ব্যাপারটা কিছুই না আসলে, এটা আপনার নিজেরই তৈরি। তাই নিজেকে নিজে সময় দিন, দেখবেন সকল মন খারাপেরা পালিয়ে যাবে। সো বি হ্যাপি, মেক ইওরসেল্ফ হ্যাপি!

1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (1 votes, average: 5.00 out of 5)
Loading...
Ad

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য লেখাগুলো

আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিন-

Ad