ইনসাইড বাংলাদেশযা ঘটছে

জাতির জনকের ছবিতে জুতা মারার স্পর্ধা ওরা পায় কোথায়?

এতিমের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদন্ড এবং তারেক জিয়াসহ অন্যান্য আসামীদের ১০ বছরের কারাদন্ড সাথে দুর্নীতি করে সরানো টাকার সমপরিমাণ অর্থদন্ডের রায় দিয়েছে আদালত। রায় হয়েছে ঢাকায়, অথচ এর প্রতিবাদের নামে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলা চালিয়েছে বিএনপি সমর্থকরা। শুধু তাই নয়, তারা পুরো হাইকমিশনে তাণ্ডব চালিয়ে আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুর করে, বাইরে বের করে এনে পদদলিত করে ও জুতা মারে। সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপারটি হচ্ছে, অনেকক্ষণ ধরে চলা এই তাণ্ডবলীলা ঠেকাতে পুলিশ কিংবা কোন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাউকে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। একজন রাজনৈতিক নেতার জন্য ভিনদেশের মাটিতে জাতির জনককে এইভাবে অসম্মানিত এবং অপমানিত করার স্পর্ধা এরা পেলো কোথায়?

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ইউকে এবং এর অঙ্গ সংগঠনসমূহ কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ শেষে স্মারকলিপি হস্তান্তরের নামে একদল বিক্ষোভকারী জোরপূর্বক দূতাবাসের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে চায়। ঢুকতে না পেরে তারা প্রথমে ওয়েটিং রুমের যাবতীয় আসবাবপত্র ভাংচুর করে প্রধানমন্ত্রী ও জাতির জনকের ছবি টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে ভাংচুর চালায়। বাঁধা দিতে গেলে  দূতাবাসের কর্মচারীদের আক্রমণ করে, মারধর করে এবং দূতাবাসের সম্পত্তি ভাঙচুর করে। এরপর বঙ্গবন্ধুর ছবি টেনে বাইরে নিয়ে গিয়ে একযোগে জুতা দিয়ে ছবির উপর মারতে থাকে, পদদলিত করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই দূতাবাসের সম্পত্তি ধ্বংস করা মানে রাষ্ট্রের সম্পত্তি ধ্বংস করা এবং দূতাবাসে আক্রমণ করার বাংলাদেশকে আক্রমণ করার শামিল। বিক্ষোভকারীদের এহেন সহিংস এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।”

বিচিত্র তথ্যটি হচ্ছে এই ঘটনার পর লন্ডন পুলিশ দুতাবাসকে হামলার ভিডিও ফুটেজ হস্তান্তর করেছে, গ্রেফতার হয়েছে তিনজন হামলাকারী এবং এদের একজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এই হামলার পেছনে নির্দেশদাতা হিসেবে তারেক জিয়ার নাম বলেছে। এতে অনেকেই অবাক হতে পারেন, কিন্তু আসলে অবাক হবার তেমন কিছু নাই। কারণ স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূলের লক্ষ্যে যে ক্ষমতাসীন দলের যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে প্রশাসন ও পুলিশকে ব্যাকআপ হিসেবে রেখে জঙ্গীদের হাতে গ্রেনেড তুলে দিয়ে বিরোধীদলের সভায় উপর্যুপরি হামলা করার নির্দেশ দিতে পারে, তার পক্ষে ভিনদেশে স্বদেশের দূতাবাসে হামলা চালিয়ে জাতির জনকের ছবিতে জুতা মারার নির্দেশ দেওয়া খুবই স্বাভাবিক! কিন্তু যেটা খুবই অদ্ভুত লাগলো সেটা হচ্ছে ভিনদেশের মাটিতে বাংলাদেশের দূতাবাসের উপর এমন ভয়ংকর হামলার পরেও আমাদের দেশের তাবৎ শুষিল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছেন না, কথা বলছেন না। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, দেশের আদালতে সেটা প্রমাণ হবে, আদালত রায় দেবে, আদালতের রায় পছন্দ না হলে আপিল করার সুযোগ আছে। এর জন্য কোন স্পর্ধায় কোন যুক্তিতে সেই দলের নেতাকর্মীরা ভিনদেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ভাঙ্চুর করবে? এই অধিকার বিএনপি নেতাকর্মীদের কে দিল?

অথচ আজ দুর্নীতির যে অভিযোগগুলোর জন্য খালেদা জিয়া এবং তার বড় ছেলে তারেক রহমান, জিয়াউর রহমানের বোনের ছেলে মমিনুর রহমান, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক (ইকোনো কামাল), সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের কারাদন্ড হলো, এর প্রত্যেকটা অপরাধই আদালতে যথাযথ তথ্য ও ব্যাংক ডকুমেন্টস মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, খালেদা জিয়া তার প্রধানমন্ত্রীত্বের প্রথম মেয়াদে ১৯৯১-১৯৯৬ সময়কালে এতিম তহবিল নামে সোনালী ব্যাংকের রমনা শাখায় একটি হিসাব খোলেন। একটি বিদেশি সংস্থা ১৯৯১ সালের ৯ জুন ওই হিসাবে ইউনাইটেড সৌদি কর্মাশিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে অনুদান হিসেবে ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাার ২১৬ টাকা দেয়।

ওই টাকা দীর্ঘ দুই বছর কোনো এতিমখানায় না দিয়ে জমা রাখা হয়। এরপর জিয়া পরিবারের তিন সদস্য তারেক রহমান, তার ভাই আরাফাত রহমান এবং তাদের ফুপাতো ভাই মমিনুরকে দিয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট গঠন করে ওই টাকা তাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ওই ট্রাস্ট গঠনের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা মানা হয়নি। এছাড়া ট্রাস্টের ঠিকানা হিসেবে খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের ৬ নম্বর মইনুল রোডের বাড়ির ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে।

পরে ওই টাকা দুইভাগে ভাগ করে ট্রাস্টের বগুড়া ও বাগেরহাট শাখার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫’শ টাকা ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে বরাদ্দ দেওয়া হয় বগুড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে। ওই অর্থ থেকে ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকায় ট্রাস্টের নামে বগুড়ার দাঁড়াইল মৌজায় ২.৭৯ একর জমি কেনা হয়।

কিন্তু অবশিষ্ট টাকা এতিমখানায় ব্যয় না করে ব্যাংকে জমা রাখা হয়। ২০০৬ সনের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত তা সুদে আসলে বেড়ে ৩ কেটি, ৩৭ লাখ ৭ শ ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা হয়।

এজাহারে বলা হয়, ২০০৬ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা তার ছেলে তারেক রহমান ও মমিনুর রহমানকে দিয়ে তিন কিস্তিতে ছয়টি চেকের মাধ্যমে তিন কোটি ৩০ লাখ টাকা তুলে প্রাইম ব্যাংকের গুলশান শাখায় স্থায়ী আমানত (এফডিআর) করেন। এরপর ওই টাকা কাজী সালিমুল হক কামাল ও অন্যদের মাধ্যমে সরিয়ে অন্য খাতে ব্যবহার করা হয়।

মামলায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টকে ‘নাম সর্বস্ব ও অস্তিত্বহীন’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। অপরাধের সময়কাল বলা হয় ১৯৯৩ সালের ১৩ নভেম্বর থেকে ২০০৭ সালের ২৮ মার্চের মধ্যে। 

আজকের বিএনপিতে সম্ভবত এমন একজন বিবেকবানও নাই যে একটাবার এই প্রশ্নটা তুলবে যে, ১৯৯১ সালে এতিমদের জন্য পাঠানো অনুদানের টাকাটা কেন এতো বছরেও দেশের কোন এতিমখানায় দেওয়া হয় নাই? এই টাকাটা জিয়ার নামে স্থাপিত কোন এতিমখানা ছাড়া অন্য কোন এতিমখানায় দেওয়া যাবে না এমন কোন শর্ত কি দেওয়া হয়েছিল দাতাদের পক্ষ থেকে? বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলে এই অনুদানের টাকা কোন এতিমখানায় দেওয়া যাবে না, এমন কোন বাধানিষেধ জারি করেছিল আওয়ামীলীগ সরকার? যদি এধরণের কোন শর্ত বা বাধানিষেধ জারি করা নাই হয়ে থাকে, তাহলে কেন কোন যুক্তিতে এতটা বছর এতিমখানা হয়নি, কেন এতিমের জন্য আসা টাকা দেশের কোন এতিমখানায় না গিয়ে এত হাত ঘুরে, এত এফ ডি আর, এত ব্যাংক একাউন্ট ঘুরে আজ নানাবিধ ব্যক্তির নামে ভাগাভাগি করা হয়েছে, আত্মসাৎ হয়েছে! টাকাটা এসেছে খালেদা জিয়ার স্বাক্ষর করা ব্যাংক একাউন্টে, মামলা করেছে ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার, তাহলে কিভাবে কোন যুক্তিতে খালেদা জিয়ার শাস্তির জন্য বর্তমান সরকার দায়ী হয়? আজকের বিএনপিতে এমন যৌক্তিক প্রশ্ন করার কেউ না থাকলেও কয়েকজন দুর্নীতিবাজের সাজা কেন হবে এমন অন্যায় প্রশ্ন তুলে ভিনদেশের মাটিতে রাষ্ট্রীয় দূতাবাসে হামলা চালিয়ে জাতির জনকের ছবিতে জুতা মারার মত মানুষ অনেকেই আছে এই বিএনপিতে, এরা একাত্তর নিয়ে প্রশ্ন তোলে, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ সংখ্যা নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার চালায়, জাতির পিতাকে প্রবল ঘৃণা করে!

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আজ যারা হামলা চালালো, তারা লন্ডনে যে জাতিগত পরিচয়ে আছে, সেই বাংলাদেশী পরিচয়টা এনে দেওয়ার জন্য যে মানুষটা তার সারাটা জীবন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে কাটিয়ে দিলেন, জীবনের সাড়ে ১২ বছর জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দী থাকলেন, এই দেশের নাম বাংলাদেশ হিসেবে যিনি ঘোষণা করেছিলেন ১৯৬৯ সালে, নিজের জনগণকে সন্তানের মত ভালোবাসার অপরাধে, তাদের অন্ধের মত বিশ্বাস করার অপরাধে যাকে সপরিবারে ব্রাশফায়ার করে ঝাজরা করে ফেলা হলো, নিজের জনগণে রজন্য, বাংলাদেশের জন্য নিজের জীবনটা পর্যন্ত দিয়ে গেলেন, সেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি কিভাবে ভাংচুর করে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা? কোন স্পর্ধায় তার ছবিতে জুতা মারে?

এই নির্লজ্জ প্রাণীগুলোর এমন ভয়ংকর ধৃষ্টতা নিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী ডাঃ আবদুল আলীম চৌধুরীর কন্যা ডাঃ নুজহাত চৌধুরী আপার এই লেখা যথার্থ বলে মনে হচ্ছে-

ফেসবুকে গত রাতে বিলেতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে বিএনপি কর্মীদের তাণ্ডবের ভিডিওতে এক জায়গায় দেখা যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ছবিকে তারা অবমাননা করছে। বেয়াদব, অকৃতজ্ঞ, অর্বাচীন ওই অমানুষগুলোর কি মনে আছে, যে নেত্রীর জন্য বঙ্গবন্ধুর ছবিকে তারা অমর্যাদা করছে – সেই নেত্রীর সংসার বাঁচিয়ে দিয়ে সেই নেত্রীর মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু?

একদিন নিরুপায় হয়ে সেই নেত্রী যখন দাঁড়িয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর দ্বারে, নিজের মেয়ে বলে মর্যাদা দিয়ে স্বামীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। সেই বঙ্গবন্ধুর ছবিকে আপনারা অবমাননা করলেন? কি অকৃতজ্ঞ আপনারা! সরকারের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি রোধে আইন চেয়ে আসছি বহু বছর ধরে। এই কারণেই চাইছি। যেন কেউ আমাদের ’৭১-এর কোন কিছু কখনও অবমাননা বা অস্বীকার করতে না পারে।

আজকে বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা দেখতে হল!!! হায় অকৃতজ্ঞ বাংলার কুলাঙ্গারের দল, যে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরো, যে বাংলাদেশের নামে শ্লোগান দাও, যে বাংলাদেশের মসনদে বসার লোভে উন্মাদ হয়ে গিয়েছ – সেই বাংলাদেশ পেলে কার হাত ধরে? তোমাদের মত কীটদের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর মর্যাদার কোন যাবে আসবে না। ইতিহাসে তাঁর যে মর্যাদা লেখা হয়ে গেছে তা তোমরা ফিরে গিয়ে মুছে দিতে পারবে না। দল-মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অনুগত – শুধুমাত্র রাজাকারদের বংশধররা ছাড়া।

বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা তাদের সবার বুকে শেলের আঘাত হেনেছে। যে দলের লোকজন জাতির জনকের মর্যাদাই রাখতে পারে না, তাদের নেত্রীর মর্যাদা কেউ রক্ষা করতে পারবে না – এটাই প্রকৃতির বিধান। এই ধরার সামান্য মামলার কথা বলছি না। সেটা আদালতের ব্যাপার। অন্যদের মত মর্তের বিচার নিয়ে আমি অত উচ্ছ্বসিত নই কখনও। আমি বলছি ‘ন্যাচারাল জাস্টিস-এর কথা’। আর কেউ না জানুক, তাদের নেত্রী নিজে কিন্তু জানেন সত্যটা। আর জানেন উপরআলা। উপরআলার চোখ এড়িয়ে যাবার কোন উপায় নাই।

বার বার আপনারা মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, শহীদ বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস – যা কিছু আমাদের ইতিহাসের পবিত্র আমানত – তাকে অপমানিত করছেন, পদাঘাত করছেন বাংলাদেশের মানুষের বুকের সবচেয়ে আবেগের জায়গায়। আপনারা পিলিটিক্স করতে থাকুন, আমরা চোখের জলে উপরআলার দরবারে বিচার দিয়ে রাখলাম। এখন অপেক্ষা ‘ন্যাচারাল জাস্টিস’-এর।

ভিনদেশের মাটিতে রাষ্ট্রীয় দূতাবাস অর্থাৎ রাষ্ট্রের উপরেই হামলা চালিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ধ্বংস করা এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে, জুতা ছুড়ে মেরে অপমান করা কুলাঙ্গার দেশদ্রোহীগুলোকে অবিলম্বে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই সরকারের কাছে! যেন আর কেউ কখনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নামে এমন জঘন্য কাজ করার সাহস না পায়!

তথ্য কৃতজ্ঞতা: এতিমখানা দুর্নীতি: কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ

ভিডিও দেখুন-

https://www.facebook.com/ashfakussamad.ashfi/videos/172823213494832/

Comments
Tags
Show More

Related Articles

Close