খেলা ও ধুলারাশিয়া বিশ্বকাপ ২০১৮

এখনো দ্বিতীয় রাউন্ডের রেসে ২৭টি দল!

জমে উঠেছে রাশিয়া ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১৮। সব দলই খেলে ফেলেছে অন্তত একটি করে ম্যাচ। অনেক দল খেলে ফেলেছে দুইটি ম্যাচও। এবং তার ফলে চারটি দল যেমন নিশ্চিত করে ফেলেছে তাদের দ্বিতীয় রাউন্ডে উত্তরণ, ঠিক তেমনই পাঁচটি দল ইতিমধ্যেই ছিটকে পড়েছে শেষ ষোলোয় ওঠার লড়াই থেকে। এর বাইরে বাকি ২৩টি দলের পক্ষেই এখনও সম্ভাবনা রয়েছে পরের রাউন্ডে ওঠার।

তবে সব দলের জন্যই সমীকরণ একই রকম নয়। কয়েকটি দলের কেবল নিজেদের পরের ম্যাচ জিতলেই চলছে। যেমন স্পেন ও পর্তুগাল। একটি করে জয় আর ড্রয়ের মাধ্যমে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে দুইটি দলই। তাই তাদের শেষ ষোলোর ভাগ্য পুরোটাই তাদের নিজেদের হাতেই। জিতলেই নিশ্চিত শেষ ষোলো। আর ড্র করলে বা হারলেও একেবারে শেষ হয়ে যাচ্ছে না সম্ভাবনা। কিন্তু কিছু কিছু দলের ক্ষেত্রে আবার ভাগ্য কেবল নিজেদের হাতেই আর বন্দি নেই। যেমন আর্জেন্টিনা। একটি ম্যাচ ড্র করে আর অন্যটিতে হেরে তাদের অবস্থা এখন এতটাই শোচনীয় যে তারা যদি নিজেদের শেষ ম্যাচে জয়ের দেখা পায়ও, তবু তাদের দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার ব্যাপারে থাকবে অনেক জটিলতা। গ্রুপের বাকি দলগুলোর ফলের উপর তাকিয়ে থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই তাদের।

এভাবেই দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে যাওয়া বা ইতিমধ্যে বাদ পড়ে যাওয়া ব্যতীত বাকি ২৩টি দলই এখন কঠিন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে। আর তাই সমান ভোগান্তির সম্মুখীন ফুটবল ভক্তরাও। নিজেদের প্রিয় দল পরের রাউন্ডে যাবে কি না, আর গেলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নাকি রানার্স-আপ হয়ে, এসব নির্ধারণে জটিল জটিল সব গাণিতিক সমীকরণ বের করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তবে তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের চেষ্টা করেছি আমরা। চলুন, সহজ কিছু সমীকরণের মাধ্যমে জেনে নিই প্রতি গ্রুপে কেমন অবস্থানে রয়েছে দলগুলো।

প্রথমেই আমরা জেনে নেব কোন দলগুলো ইতিমধ্যে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে, আর কোন দলগুলো ইতিমধ্যেই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েছে।

ইতিমধ্যে শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছেঃ রাশিয়া, উরুগুয়ে, ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়া।
ইতিমধ্যে বাদ পড়েছেঃ মিশর, মরক্কো, সৌদি আরব, পেরু, কোস্টারিকা।

গ্রুপ এ

– রাশিয়া ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেছে। নিজেদের শেষ ম্যাচে উরুগুয়ের বিপক্ষে হার এড়াতে পারলেই তারা হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন।
– উরুগুয়েও ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেছে। কিন্তু গ্রুপের শীর্ষস্থান দখল করতে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক রাশিয়াকে হারানোর কোন বিকল্প নেই।
– মিশর ও সৌদি আরব ইতিমধ্যেই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে গেছে।

গ্রুপ বি

– পর্তুগাল ও স্পেনের পয়েন্টই শুধু সমান নয়, সকল সমীকরণেই এখন পর্যন্ত তারা সমানে সমান। তাই নিজেদের শেষ ম্যাচে যারা অপেক্ষাকৃত ভালো (বা অপেক্ষাকৃত কম খারাপ) করবে, তারাই অন্য দলটির চেয়ে এগিয়ে থাকবে। কিন্তু যদি শেষ ম্যাচেও তাদের মধ্যকার সমীকরণ অমীমাংসিত থাকে, সেক্ষেত্রে কারা এগিয়ে তা নির্ধারিত হবে ফেয়ার প্লের মাধ্যমে, অথবা ‘ড্রয়িং অফ লটস’ এর সাহায্যে।
– নিজেদের শেষ ম্যাচে স্রেফ একটি পয়েন্ট অর্জন করতে পারলেই দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করবে পর্তুগাল। কিন্তু যদি তারা হেরে যায়, তবে ছিটকে যাকে গোটা প্রতিযোগিতা থেকেই।

ফুটবলপ্রেমী, রোনালদো, ঋষি, রোনালদো পর্তুগাল, রোনালদো স্পেন
– পর্তুগাল ও স্পেন দুই দলেরই যেহেতু সমীকরণ অভিন্ন, তাই শেষ ম্যাচে অপেক্ষাকৃত ভালো ফল করা দলটিই এগিয়ে থাকবে (যদি না শেষ ম্যাচে দুই দলই হেরে বসে)।
– দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার জন্য ইরানের অবশ্যই পর্তুগালকে হারাতে হবে।
– শেষ ম্যাচে যদি ইরান জেতে, আর স্পেন হারে, সেক্ষেত্রে ইরান গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, আর স্পেন হবে গ্রুপ রানার্স-আপ।
– মরক্কো ইতিমধ্যেই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেছে। তাই শেষ ম্যাচে তারা যে ফলই করুক, তাতে কিছু আসবে যাবে না।

গ্রুপ সি

– ফ্রান্স ইতিমধ্যেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। এখন নিজেদের শেষ ম্যাচে ডেনমার্কের বিপক্ষে একটি পয়েন্ট পেলেই তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে।
– ডেনমার্কের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে স্রেফ একটি পয়েন্ট দরকার। কিন্তু তারা যদি নিজেদের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে দিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করে, তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে তারাই।
– ডেনমার্ক নিজেদের শেষ ম্যাচে যদি ফ্রান্সের কাছে হেরেও বসে, তারপরও তাদের পরের রাউন্ডে ওঠার সম্ভাবনা থাকবে, যদি না অস্ট্রেলিয়া তাদের শেষ ম্যাচে পেরুকে হারাতে ব্যর্থ হয়।
– অস্ট্রেলিয়ার অবশ্যই পেরুকে হারাতে হবে, ডেনমার্কের পরাজয় কামনা করতে হবে, এবং গোল ব্যবধানে ডেনমার্কের থেকে এগিয়ে থাকতে হবে। কেবল তবেই তারা পরের রাউন্ডে খেলতে পারবে।
– পেরু ইতিমধ্যেই বাদ পড়ে গেছে।

গ্রুপ ডি

– ক্রোয়েশিয়া ইতিমধ্যেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে, এবং নিজেদের শেষ ম্যাচে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র একটি পয়েন্ট পেলেই তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে। যদিও এই মুহূর্তে তাদের গোল ব্যবধান অনেক বেশি হওয়ায়, তাদের গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করা অনেকটাই নিশ্চিত (যদি অন্য কোন দলের সাথে তাদের পয়েন্ট সমান হয়ে যায়ও)। 
– শেষ ষোলোয় খেলা নিশ্চিত করতে নাইজেরিয়ার অবশ্যই আর্জেন্টিনাকে হারাতে হবে। অবশ্য আর্জেন্টিনার সাথে ড্র-ও তাদের জন্য যথেষ্ট হতে পারে, যদি আইসল্যান্ড তাদের শেষ ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারাতে না পারে।

লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনা, বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮, মেসির ব্যর্থতা
– আর্জেন্টিনার পরবর্তী রাউন্ডে জেতে গেলে অবশ্যই নাইজেরিয়াকে হারাতে হবে, এবং আশা করতে হবে আইসল্যান্ড যেন তাদের শেষ ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে না জেতে। কিন্তু যদি আর্জেন্টিনা আর আইসল্যান্ড উভয় দলই নিজ নিজ শেষ ম্যাচে জিতে যায়, সেক্ষেত্রে আর্জেন্টিনাকে অনেক বড় ব্যবধানে জিততে হবে। কারণ আর্জেন্টিনা ইতিমধ্যেই আইসল্যান্ডের চেয়ে এক গোল ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যদি দেখা যায় আর্জেন্টিনা আর আইসল্যান্ড উভয় দলই নিজেদের শেষ ম্যাচে জিতে গেল, এবং তাদের সকল সমীকরণও অভিন্ন হয়ে দাঁড়াল, তখন হেড-টু-হেডের বিষয়টিও আর বিবেচনায় আসবে না, কেননা এই দুই দল নিজেদের মধ্যকার ম্যাচটি ড্র করেছিল। তখন প্রথমে দেখা হবে কোন দলের শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ড অপেক্ষাকৃত শ্রেয়তর, অর্থাৎ হলুদ ও লাল কার্ড কম দেখেছে। যদি সেখানেও দুই দলকে বিচ্ছিন্ন করা না যায়, তখন গ্রুপের দ্বিতীয় স্থান নির্ধারণের লক্ষ্যে ‘ড্রয়িং অফ লটস’ এর সাহায্য নেয়া হবে।
– পরের রাউন্ডে যেতে আইসল্যান্ডের অবশ্যই ক্রোয়েশিয়াকে হারাতে হবে এবং আশা করতে হবে যেন নাইজেরিয়া আর্জেন্টিনাকে না হারায়। যদি নাইজেরিয়া আর্জেন্টিনার সাথে ড্র করে, আর আইসল্যান্ড ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দুই গোলের ব্যবধানে জেতে, তখন দুই দলের সমীকরণ সমান হয়ে আসবে। এবং হেড-টু-হেডের কারণে নাইজেরিয়া পরের রাউন্ডে যাবে (যেহেতু নাইজেরিয়া আইসল্যান্ডকে হারিয়েছে)। 
– এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা হলুদ কার্ড দেখেছে ৩টি, কিন্তু আইসল্যান্ডের খেলোয়াড়রা একটিও না। তাই গ্রুপ পর্বের সকল ম্যাচ শেষে যদি আর্জেন্টিনা ও আইসল্যান্ডের সকল সমীকরণ মিলে যায়, সেক্ষেত্রে ফেয়ার প্লের নিয়মে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা আইসল্যান্ডেরই বেশি।

গ্রুপ ই

– শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে ব্রাজিলকে সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে অন্তত এক পয়েন্ট পেতে হবে। তবে তারা সার্বিয়ার কাছে হেরেও পরের রাউন্ডে যেতে পারে, যদি সুইজারল্যান্ডও তাদের শেষ ম্যাচে কোস্টারিকার কাছে হেরে যায়, এবং সেই হারের ব্যবধান ব্রাজিলের হারের সমান বা বড় হয়।
– পরের রাউন্ড নিশ্চিত করতে সুইজারল্যান্ডের কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচে মাত্র একটি পয়েন্ট পেলেই যথেষ্ট। কিন্তু তারা কোস্টারিকার বিপক্ষে হেরেও পরের রাউন্ডে যেতে পারে, যদি সার্বিয়া ব্রাজিলের কাছে হেরে যায়। 
– যদি সুইজারল্যান্ড কোস্টারিকার কাছে এক গোলের ব্যবধানে হেরে যায় আর সার্বিয়া ব্রাজিলের সাথে ড্র করে, তখন বিবেচনায় আসবে স্কোরকৃত গোলের বিষয়টি। 
– যদি সুইজারল্যান্ড আর সার্বিয়ার সমীকরণ মিলে যায়, তাহলে হেড-টু-হেড বিবেচনায় সুইজারল্যান্ড পরের রাউন্ডে যাবে (যেহেতু সুইজারল্যান্ড সার্বিয়াকে হারিয়েছিল)। 
– যদি সুইজারল্যান্ড কোস্টারিকার কাছে দুই গোলের ব্যবধানে হেরে বসে, সেক্ষেত্রে তারা কেবল সার্বিয়া ব্রাজিলের কাছে হারলেই পরের রাউন্ডে যেতে পারবে।


– যদি ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ড উভয় দলই নিজেদের শেষ ম্যাচে জিতে যায়, এবং তাদের সমীকরণও মিলে যায়, তাহলে তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করতে শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডের সাহায্য নেয়া হতে পারে। হেড-টু-হেড এখানে বিবেচনায় আসবে না, কারণ নিজেদের মধ্যকার লড়াইটি তারা ১-১ গোলে ড্র করেছিল।
– এখন পর্যন্ত ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা হলুদ কার্ড দেখেছে ৩টি, সুইজারল্যান্ডের খেলোয়াড়রা ৪টি।
– সার্বিয়া তাদের শেষ ম্যাচে ব্রাজিলকে হারালে অবশ্যই পরের রাউন্ডে যাবে। এমনকি ড্র করলেও তাদের পরের রাউন্ডে যেতে বিন্দুমাত্র সমস্যা হবে না। 
– কোস্টারিকা ইতিমধ্যেই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েছে।

গ্রুপ এফ

– সুইডেন যদি তাদের শেষ ম্যাচে জয়লাভ করে, আর দক্ষিণ কোরিয়া ড্র করে বা হেরে যায়, তাহলে সুইডেন শেষ ষোলো নিশ্চিত করবে।
– মেক্সিকো পরের রাউন্ডে উঠে যাবে, যদি তারা তাদের পরের ম্যাচে জেতে আর জার্মানি ড্র করে বা হেরে যায়।
– দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাবে, যদি তারা তাদের পরের ম্যাচে হেরে যায়, আর সুইডেন জেতে বা ড্র করে।
– জার্মানি প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেবে যদি তারা পরের ম্যাচে হেরে যায়, আর মেক্সিকো জেতে বা ড্র করে।

গ্রুপ জি

– বেলজিয়াম দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করবে যদি তারা তাদের পরের ম্যাচে জেতে, আর পানামা ড্র করে বা হেরে বসে।
– ইংল্যান্ড দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করবে যদি তারা তাদের পরের ম্যাচে জেতে, আর তিউনিসিয়া ড্র করে বা হেরে বসে।
– পানামা প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেবে যদি তারা তাদের পরের ম্যাচে হারে, আর বেলজিয়াম ড্র করে বা জিতে যায়।
– তিউনিসিয়া প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাবে যদি তারা তাদের পরের ম্যাচে হারে, আর ইংল্যান্ড ড্র করে বা জিতে যায়।

গ্রুপ এইচ

– জাপান দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করবে যদি তারা তাদের পরের ম্যাচে জেতে, আর পোল্যান্ড-কলম্বিয়া ম্যাচটি ড্র হয়।
– সেনেগাল দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করবে যদি তারা তাদের পরের ম্যাচে জেতে, আর পোল্যান্ড-কলম্বিয়া ম্যাচটি ড্র হয়।


– পোল্যান্ড প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেবে যদি তারা কলম্বিয়ার কাছে হেরে যায়, আর জাপান-সেনেগাল ম্যাচটি ড্র হয়।
– কলম্বিয়া প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেবে যদি তারা পোল্যান্ডের কাছে হেরে যায়, আর জাপান-সেনেগাল ম্যাচটি ড্র হয়।

টাইব্রেকার

যদি দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হয়, তাহলে টাইব্রেকারের মাধ্যমে এগিয়ে থাকা দলটি নির্ধারণ করা হবে। সেক্ষেত্রে ক্রমানুযায়ী এই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয়া হবেঃ

১/ গোল ব্যবধান
২/ স্কোরকৃত গোল
৩/ হেড-টু-হেড পয়েন্ট
৪/ হেড-টু-হেড গোল ব্যবধান
৫/ হেড-টু-হেড স্কোরকৃত গোল
৬/ ফেয়ার প্লে পয়েন্ট
৭ ড্রয়িং অফ লটস

যদি প্রথম ছয়টি বিষয়ের কোনটির মাধ্যমেই দলগুলোকে আলাদা করা সম্ভব না হয়, কেবল তখনই আসবে ড্রয়িং অফ লটসের বিষয়টি। এটি মূলত লটারি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দুই বা ততোধিক দলের মধ্য থেকে সেরা দলটি বাছাই করা হবে।

Comments
Tags
Show More

Related Articles

Close