”প্রডিজি” শব্দটির সাথে আমার পরিচয় ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী “প্রডিজি” পড়তে গিয়ে। সেখান থেকেই জেনেছিলাম, অসাধারণ মেধাসম্পন্ন শিশুদের প্রডিজি বলে। তো, অসাধারণ মেধাবী বলতে আমরা কতটুকু বুঝি? পাঁচ-ছয় বছর বয়সী শিশুরা যদি একটু সুন্দর করে লিখতে এবং পড়তে শিখে, তবে তা দেখেই আমরা মুগ্ধ হয়ে যাই। ভাবি, কি মেধাবী বাচ্চাটা! কিন্তু, আমরা কল্পনা করতে পারি না প্রডিজিদের মেধা কতটা অসাধারণ! আমরা যদি সত্যিকার কোন প্রডিজি শিশুর মেধা সম্পর্কে জানি তাহলে আমাদের অনেকেরই আক্কেলগুড়ুম হয়ে যেতে পারে। অন্য সব ছোট শিশুদের তুলনায় প্রডিজিদের মেধা তো বেশিই, অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মেধাবী মানুষদেরও এ ধরণের শিশুদের পাশে ম্লান মনে হবে।

ট্রিসটিন প্যাং

ট্রিসটিন প্যাং নিউজিল্যান্ডের অসাধারণ মেধাবী এক শিশু, বা প্রডিজি।  খুব অল্প বয়স থেকেই গণিত এবং বিজ্ঞানে তার জ্ঞান বিস্ময়কর।  মাত্র দু’বছর বয়সেই সে হাইস্কুলের গণিতের সমস্যার সমাধান করত নিজে নিজেই। বাড়িতে একা একা গণিতের সমাধান শিখে সে কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এক্সামিনেশনস্ বা আইজিসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় মাত্র ৯ বছর বয়সে। কেমব্রিজের ১৩ টি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ট্রিসটিন, গড়ে রেকর্ড ৯৮% মার্কস পেয়ে বিস্ময় সৃষ্টি করে মাত্র ১১ বছর বয়স হতে হতেই।

২০১৪ সালে, ১২ বছর বয়সে, সবচেয়ে কমবয়সী শিক্ষার্থী হিসেবে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটিতে গণিত বিষয়ে পড়ার সুযোগ পায় ট্রিসটিন। শুধু গণিত নয়, অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে কমবয়সী বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীও ট্রিসটিন ই। ২০১৪ সালেই সে “ট্রিসটিন হাব” নামের ফ্রি অনলাইন ওয়েবসাইট চালু করে। সে ওয়েবসাইটে, পনের বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের গণিত, ভূগোল, বিজ্ঞান এবং প্রোগ্রামিং শেখার ব্যাপারে সহযোগীতা করা হয়। ট্রিসটিন হাব নামের ওয়েবসাইটটি এতটাই সমৃদ্ধ যে সেখানে একবার ঢুঁ মারলে ছোট বাচ্চারা তো বটেই, বড় মানুষও অনেক কিছু শিখতে পারবে।

১৩ বছর বয়স হবার আগেই সে তার নিজস্ব সাপ্তাহিক রেডিও শো “ইয়থ ভয়েজেস উইথ ট্রিসটিন প্যাং” চালু করে। টুইটারেও ট্রিসটিন একটা জনপ্রিয় চ্যাট গ্রুপ তৈরি করে। সেই একই বয়সে ট্রিসটিন টেড টকে (TED Talk) অংশ নিয়ে, সেখানকার সবচেয়ে কমবয়সী বক্তা হিসেবে ইতিহাস গড়ে।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি খুব অল্প বয়স থেকেই ট্রিসটিন বাড়িতে বসে বিভিন্ন বিষয়ের পাঠ নেয়। বিজ্ঞানের নানা শাখায় তার আগ্রহ অসীম। বড় হয়ে সে বিজ্ঞানের একজন গবেষক হতে চায়। সৃষ্টিকর্তার এক বিস্ময়কর দান ট্রিসটিন প্যাং এর বয়স বর্তমানে ১৬ বছর। এই ১৬ বছর বয়সেই তাকে নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে প্রভাবশালী ২৫ ব্যক্তির তালিকায় বিবেচনা করা হয়। শুধু তাই নয়, ট্রিনটিন পৃথিবীর সেরা দশ চাইল্ড প্রডিজির একজন, যারা তাদের মেধার সাহায্যে পৃথিবীকে বদলে দিবে বলে মনে করা হয়।

কৌটিল্য পন্ডিত

কৌটিল্য পন্ডিত নামটি শুনেই বোঝা যায় নিশ্চয়ই, এই শিশুটি ভারতীয়। ২০১৩ সালে মাত্র ৫ বছর বয়সে আইকিউ টেস্টে ১৫০ পেয়ে শিশুটি ব্যাপক আলোচনায় আসে। সেসময় অমিতাভ বচ্চনের কৌন বানেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানে এসে অনেকেরই বিস্ময়ের কারণ হয়ে ওঠে শিশুটি।

মৌর্য সাম্রাজ্যের বিখ্যাত পন্ডিত কৌটিল্যের নামানুসারেই হয়তো, শিশুটির বাবা-মা তার নাম রেখেছে কৌটিল্য পন্ডিত। পন্ডিত তো সে বটেই, না হলে কি আর মাত্র পাঁচ বছর বয়সী এক বাচ্চার এত মেধা! মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই কৌটিল্য পন্ডিতের, ২০০ টিরও বেশি দেশের নাম, জনসংখ্যা, জাতীয় আয়, ধর্ম, ঐতিহ্যবাহী স্থান…এমন সব তথ্যই মুখস্থ।

তার পরিবারের দেওয়া তথ্য মতে, কৌটিল্যর মেমোরি খুব শার্প। সে একবার যা দেখে বা শিখে তা তার স্মৃতিতে সবসময়ের জন্য গেঁথে যায়। সব ব্যাপারেই বাচ্চাটির কৌতুহল সীমাহীন। সে সবসময় প্রশ্ন করতে থাকে। এবং তার প্রশ্নগুলো শিশুসুলভ কে এবং কেন’র মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তার আগ্রহ জটিল এবং কঠিন সব বিষয়ে।

বর্তমানে কৌটিল্যের বয়স ১০ বছর। এই বয়সেই সে  পরিসংখ্যা, ভৌগলিক অবস্থান, বিভিন্ন রকম তথ্য-উপাত্ত, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পারদর্শী।  পাঁচ বছর বয়স থেকেই কৌটিল্য ভারতের বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তিদের সাথে দেখা করে নিজের জ্ঞান দিয়ে তাদের বিস্মিত করেছে। অনেক অনুষ্ঠান –আয়োজনে অতিথি হয়েছে। ভারতের হরিয়ানার এই অসাধারণ মেধাবী শিশুটি ভালোভাবে বেঁচে থাকলে এবং সঠিক পরিচর্যা পেলে বিস্ময় শিশু থেকে যে বিস্ময় মানবে পরিণত হবে একদিন তা অনেকটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

টেইলর উইলসন

ছোট ছেলেমেয়েরা অনেক সময়ই  খেলতে গিয়ে অনেক কিছু তৈরি করে। কেউ তৈরি করে খেলনা বাড়ি, কেউ গাড়ি, কেউ জাহাজ। এগুলো খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই বলে দশ বছর বয়সী এক বালক খেলতে গিয়ে তৈরি করেছে সত্যিকার একটা বোমা, ব্যাপারটা হজম করা বেশ কঠিন! তবু যারা এই লেখা পড়ছেন তাদের হজম করতে বলছি কথাটা। কারণ, আমরা যেই বালকদের নিয়ে কথা বলছি , তারা সাধারণ কেউ না, তারা এক একজন বিস্ময় বালক।

সিএনএন এর তথ্যমতে, টেইলর উইলসন নামের ২৪বছর বয়সী আমেরিকান এক যুবক, তার জীবনের প্রথম বোমাটি তৈরি করেছে ২০০৪ সালে। মাত্র ১০ বছর বয়সে।  বাড়িতে পাওয়া একটি ঔষধের বোতল এবং কিছু রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে সে বোমাটি তৈরি করেছিল।

এর মাত্র এক বছর পরে, ইন্টারনেটে সে প্লুটোনিয়াম কিনতে শুরু করে। সৌভাগ্যক্রমে, সে সেই প্লুটোনিয়াম দিয়ে কোন বড় রকমের দূর্ঘটনা ঘটায় নি। ২০০৮ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সে সেগুলো দিয়ে তৈরি করেছে একটা নিউক্লিয়ার ফিউশন রিঅ্যাক্টর। আজ পর্যন্ত এত কম বয়সী আর কেউ নিউক্লিয়ার বোমা বানাতে সক্ষম হয়নি।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের এই বিস্ময় বালকটির খোঁজ পায় সেখানকার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের লোকেরা। তারা টেইলর উইলসনকে নিয়ে যায় কাজে লাগাবার জন্য। হোমল্যান্ড সিকিউরিটির অফিস বিল্ডিংয়ে গিয়েই টেইলর উইলসন সেখানকার হর্তাকর্তাদের তাক লাগিয়ে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেই বিল্ডিংটিতে প্রবেশ করেই সেখানে তেজষ্ক্রিয়তার উপস্থিতি টের পায় উইলসন। পরে যখন দেখা যায় সত্যি সত্যিই সেখানে তেজষ্ক্রিয়তার উপস্থিতি রয়েছে, যা টেইলর উইলসনের আগে কেউই টের পায়নি, তখন সবাই হতবাক হয়ে পড়ে তেজষ্ক্রিয়তা সম্পর্কে ছেলেটির জানা-শোনা দেখে।

টেইলরের টেড টক পেজের তথ্য মতে, ২০১২ সালে সে একটা পুরস্কার পায় যার মূল্যমান ছির এক লক্ষ ডলার। এই পুরো টাকাটাই টেইলর দান করে সেই সকল ছেলেমেয়েদের কল্যানে যারা তার মত একট্রা-অর্ডিনারি কিছু তৈরি করতে চায়। টেইলর উইলসনের লক্ষ্য এমন একটা রেডিয়েশন ডিটেক্টর বানানো যা হবে খুব স্বল্পমূল্যের আর সহজলভ্য। টেইলরের আশা, তার আবিষ্কৃত সেই রেডিয়েশন ডিটেক্টরটি পারমানবিক অস্ত্র এবং ক্যান্সারের সংক্রমণ রোধ করতে মানুষ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতে পারবে। সে লক্ষ্যেই কাজ করছে টেইলর উইলসন।

বর্তমানে ২৪ বছর বয়সী টেইলর উইলসন আমেরিকার নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের একজন গবেষক। তার জীবনের মহৎ লক্ষ্য থেকেই আমরা খানিকটা অনুমান করতে পারি, সে যদি তার লক্ষ্য পূরণে সফল হয়, দুনিয়ার উন্নয়তে তা কতখানি অবদান রাখবে।

মাহমুদ ওয়েল

মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই মাহমুদ ওয়েল তার বাবা-মা কে চমৎকৃত করতে শুরু করে। সেই বয়সেই সে যে কোন দুটি সংখ্যার গুণ মুহূর্তের মধ্যেই করতে পারত সঠিকভাবে। মাত্র ছয় বছর বয়সে আইকিউ টেস্টে তার স্কোর হয়েছিল ১৫৫।  চৌদ্দ বছর বয়সে মিশরের ইন্ডিপেন্ডেন্ট উইকলিতে একটি সাক্ষাৎকার নেয়ার সময় রিপোর্টাররা তার মেধা পরীক্ষার জন্য হঠাৎ তাকে প্রশ্ন করে, ১৩৬কে ১৪১ দিয়ে গুণ করলে কত হয়। বলাই বাহুল্য, মাহমুদ ওয়েল এর উত্তর দিতে সময় নিয়েছির মাত্র তিন-চার সেকেন্ড।

শুধু গাণিতিক সমস্যাই নয়, কিভাবে লিখতে-পড়তে এবং ইংরেজী বলতে হয় তা শিখতে সাত বছর বয়সী মাহমুদের সময় লেগেছিল মাত্র তিন মাস। যে কোন মানুষের কাছেই ব্যাপারটা অবিশ্বাস্য মনে হবার কথা। এছাড়াও কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে সে খুবই দক্ষ। ২০১৩ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে স্বয়ং মাইক্রোসফট এর সহায়তায় বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামিং এ দক্ষ হয়ে ওঠে মাহমুদ ওয়েল।

২০১৭ সালে কায়রোতে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইয়ূথ ফোরাম আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে, মাহমুদ ওয়েলকে  ওয়ার্ল্ডস্ স্মার্টেস্ট কিড অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয়। সে বিশ্বের সবচেয়ে কমবছর বয়সী প্রোগ্রামার হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠে। ওয়ার্ল্ডস্ স্মার্টেস্ট কিড পুরস্কার ছাড়াও প্রযুক্তি ও কম্পিউটার বিজ্ঞানের দুনিয়ার পাঁচটি প্রসিদ্ধ আন্তর্জাতিক পুরস্কার রয়েছে তার ঝুলিতে। এছাড়াও নানা ‍গুণে গুণান্বিত মাহমুদ ওয়েল, যা তাকে পৃথিবীর সেরাদের সেরা হতে সাহায্য করবে জীবনজুড়েই।

অ্যাডোরা ইসভিটেক

মাত্র তিন বছর বয়সে সে বই পড়তে শেখে এবং খুব তাড়াতাড়িই সে দিনে দু’তিনটা করে বই পড়তে শুরু করে। প্রচুর পড়ার কারণে লেখার ব্যাপারেও তার আগ্রহ জন্মে খুব অল্প বয়সেই। মাত্র ৪ বছর বয়সেই তার নিজের লেখা বই প্রকাশিত হয়। বইটির নাম ছিল, ফ্লায়িং ফিংগারস্। এ বইয়ে ছোট ছোট গল্প ছিল, আর ছিল কি করে ভালভাবে লিখতে হয় এ সম্পর্কে নানা নির্দেশনা। অনেক বাচ্চারাই শিশুসুলভ চপলতায় অনেককে অনেকরকম নির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়ে থাকে। অ্যাডোরা বইয়ে লেখা নির্দেশনা সে ধরনের হালকা কিছু ছিল না। সেগুলো কার্যকরী সব নির্দেশনা ছিল। সাত বছর বয়সেই সে বিশ্বের নানা দেশের  স্কুলের বাচ্চাদের, এমনকি বড়দেরও বিভিন্ন ধরণের শিক্ষা দিতে শুরু করে।

অ্যাডোরা যেমন প্রচুর পরিমাণে লেখে, তেমনি তার লেখার মানও বেশ ভালো। দ্য টেলিগ্রাফের একটি রিপোর্ট অনুসারে, মাত্র এগারো বছর বয়স থেকে অ্যাডোরা  এক মিনিটে একশ’র ও বেশি শব্দ এবং বছরে ৩ লক্ষ ত্রিশ হাজারেরও বেশি শব্দ টাইপ করে। তার বয়সী অন্য মেয়েরা যেখানে ভালভাবে এক-দু পৃষ্ঠা লিখতেই টায়ার্ড হয়ে যায়, সেখানে অ্যাডোরা হাজার হাজার ওয়ার্ডের বইয়ের পরে বই, ব্লগ এর উপর ব্লগ লিখতে থাকে। সে মেয়ে, ব্লগোস্ফেয়ার নামক একটি ব্লগে খুবই সক্রিয়। সে মনে করে, গল্প আর কল্পকাহিনী লিখার চেয়ে বরং ব্লগে সচেতনতামূলক এবং শিক্ষামূলক বিষয় নিয়ে লেখা অনেক কাজের। সেগুলো অনেক মানুষের জীবন বদলাতে সহায়তা করবে।

আইকিউ? আইকিউ স্টেস্ট এর উপর অ্যাডোরার তেমন আস্থা নেই। একবার দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যাডোরা বলেছিল, ”কোন মানুষের  মেধা যাচাইয়ের জন্য আইকিউ টেস্ট সবচেয়ে ভালো পরিমাপক হতে পারে না।” তাই সে নিজের অ্যাইকিউ টেস্টের ব্যাপারে আগ্রহী নয়।

অ্যাডোরাও এখন শিশুকাল পার করে ফেলেছে। সে এখন ২১ বছর বয়সী অসামান্য প্রতিভাধর আর প্রত্যয়ী একজন তরুণী। আমেরিকার এই তরুণী সেদেশে একজন জনপ্রিয় লেখক, বক্তা এবং সাবেক শিশু প্রডিজি হিসেবে বেশ পরিচিত।

ইচ্ছে ছিল, দশ জন প্রডিজি শিশুর কথা লিখব। পাঁচ জনের কথা লিখতে গিয়েই লেখা অনেক লম্বা হয়ে গেল। এর মধ্যেও অনেক মজার মজার কথা লিখাই হলো না, লেখা বেশি বড় হয়ে যাচ্ছে ভেবে। অনেকেই বিরক্ত হয় লম্বা লেখা পড়তে। তাই, এমন প্রতিভাধর আর সুন্দর চিন্তার, সুন্দর শিশুদের জন্ম হোক ঘরে ঘরে, এই শুভকামনায় আজ এখানেই ক্ষান্ত দিচ্ছি। ভালো থাকুন।

Comments
Spread the love