ছেলেটা চলে গিয়েছিল মাত্র ২৪ বছর বয়সে!

হ্যাঁ, মাত্র ২৪ বছর! আমাদের হিসেবে যে বয়সটা তারুণ্যের উদ্যমে নতুন কিছু জানবার, নতুন কিছু সৃষ্টি করবার সময়, ঠিক সে সময়েই আমরা তাকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু জীবনটাকে দেখার, চেনার ও বোঝার জন্য খুবই অল্প সময়েই সে সৃষ্টি করে গিয়েছিল একের পর এক ইতিহাস! তার নাম ছিল হ্যাপী আখন্দ!  সংগীতের বরপুত্র নামে পরিচিত কিংবদন্তী এই ক্ষণজন্মা গায়েন ছিলেন একাধারে কণ্ঠশিল্পী, সুরকার, গীতিকার, সঙ্গীত আয়োজক এবং বাদ্যযন্ত্রশিল্পী! ‘কে বাঁশি বাজায় রে’, ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’, ‘নীল নীল শাড়ি পড়ে’, ‘স্বাধীনতা তোমাকে নিয়ে গানতো লিখেছি’, ‘আমি আবার আসবো ফিরে’, ‘চল যাই চলে দূরে বহুদূরে’, ‘এই পৃথিবীর বুকে আসে যারা’, ‘একদিন ছিল উচ্ছল নদী’, ‘শোন নাকি শোন ঐ’, ‘সবাই যখন ঘুমে’র মত অসাধারণ যে গানগুলো আজ আমরা বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীদের মুখে শুনি, এগুলো সবই হ্যাপীর গাওয়া। অথচ আমরা কেউ হ্যাপীকেই চিনি না। সেই যে অভিমানী এক ক্ষণজন্মা গায়েন ছিল, তার কথা আজ কারো মনেই নেই!

পুরান ঢাকার পাতলা খান লেনে ১৯৬০ সালের ১২ অক্টোবর জন্ম নেওয়া হ্যাপী ছিলেন লাকী আখন্দের চেয়ে প্রায় ১০ বছরের ছোট। জন্মের সময় তাঁর ভাই লাকী আখন্দ তাঁর হাতে একটি পয়সা গুঁজে দিয়েছিলেন। প্রায় ৪-৫ দিন পর হ্যাপীকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে আসার পরেও তাঁর হাতে গুঁজে দেওয়া পয়সাটা পাওয়া গিয়েছিল। হ্যাপীর সাথে লাকির এই যে অবিনাশী আত্মার বন্ধন তৈরি হয়েছিল, কখনো সেটা এক মুহুর্তের জন্যও শিথিল হয়নি। দুজন বেঁচেছিলেন একসঙ্গে, উচ্ছ্বাস আর ভালোবাসায় সৃষ্টি করেছিলেন একের পর এক অসামান্য বিস্ময়; হুট করে হ্যাপী চলে যাওয়ার পর স্তব্ধ লাকী সেই যে নীরব হয়ে গেলেন, তারপর তাকে আর সেভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি। গানে ফিরেছিলেন প্রায় ১০ বছর পর, কিন্তু যে লাকী আশির দশক মাতিয়েছেন অদেখা মেলোডিতে, সেই লাকি যেন হারিয়ে গিয়েছিলেন তার ছোট ভাই হ্যাপীর সাথেই! ভাইয়ের মৃত্যুটা যেন তার গিটারের তার ছিঁড়ে দিয়ে গিয়েছিল, আর কখনো জোড়া লাগেনি। ছোট ভাই হ্যাপী সম্পর্কে বলতে গিয়ে লাকী আখন্দ বলেছিলেন,

সে আমার ১০-১২ বছরের ছোট। ঢাকা মেডিক্যালে তার জন্মের পর আমিই তাকে বাসায় নিয়ে এসেছি। হাতের মধ্যে একটি পয়সা দিয়ে রেখেছিলাম। বাসায় ফিরে দেখি, পয়সাটি তখনো মুঠোর মধ্যে ধরা আছে। বাবার কাছ থেকে আমাদের গানের প্রতি ভালোবাসার শুরু। আমাদের বাবা এ কে আবদুল হক গ্রেট মিউজিশিয়ান ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ আর্মিতে লেফটেন্যান্ট ছিলেন। আর্মি থেকে চলে আসার পর তাঁর গানের প্রতি ভালোবাসা জন্মে। লক্ষ্মৌতে মনিজ কলেজে পাঁচ-সাত বছর ক্লাসিক্যাল, ঠুমরি ইত্যাদি শিখেছেন। তিনি গানের একেবারে পাগল ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টায় হারমোনিয়াম নিয়ে বসতেন। ঠুমরি, এটা-ওটা গাইতে গাইতে রাত ৩টা বেজে যেত। এগুলো শুনেই তো আমরা বড় হয়েছি। তবে বাবার কাছ থেকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমি কিছু শিখিনি। এভাবেই শিখেছি। আর যা জেনেছি, হ্যাপিকে শিখিয়েছি। হ্যাপিকে আমি অনেক দুঃখ দিয়েছি। তখন আমাদের অনেক অভাব ছিল, দুঃখ-যন্ত্রণা ছিল। তবে সংসারে যদি অভাব না থাকত, আমাদের ভেতরে যদি কষ্ট না থাকত; তাহলে আমাদের ভেতরে মিউজিক ঢুকত না। যেহেতু পরিবারে অনেক বেদনা ছিল, ফলে গান শুনে শান্তি পেতে চাইতাম। তখন থেকেই স্পেন, গ্রিসের মিউজিক আমাকে স্পর্শ করে। এগুলোই আমার গানে বেশি ব্যবহার হয়েছে। কোনো শিক্ষক পাইনি। তবে নিজে নিজে শিখতে চেষ্টা করেছি।

ছোটবেলা থেকেই হ্যাপীর এক অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। ভাত খাওয়ার সময় তিনি কাকদের ডেকে ডেকে ভাত খাওয়াতেন। মাত্র ১০ বছর বয়সেই তার হাতে গিটারের তাল ধরা দেয়। শুরুর দিকে হ্যাপি আখন্দ তার বড় ভাই লাকী আখন্দের সঙ্গে বিভিন্ন কনসার্টে অংশ নিতেন। হ্যাপির গানের হাতেখড়ি হয় শৈশবেই। যেন অজান্তেই তিনি গানের সঙ্গে নিজেকে জুড়ে নেন। সংগীত পরিবারে জন্ম নেওয়ার ফলে বড় ভাই লাকী আখন্দের কাছ থেকেই প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সংগীতজ্ঞান অর্জন করেন হ্যাপি। বাবাও ছিলেন সঙ্গীতানুরাগী। বড় ভাই লাকী আখন্দ গিটার বাজাতেন। চুপিচুপি হ্যাপি সেই গিটারের শব্দ শুনে শিখতেন। এরপর আড়ালে গিটারে সেই তাল বাজাতেন। একদিন গিটার বাজাতে গিয়ে লাকী আখন্দের কাছে ধরা পড়ে যান হ্যাপি। এরপর লাকী তাকে টেনে নেন নিজের পাশে, যত্ন করে শেখান নিজের সবটুকু দিয়ে, বিভিন্ন কনসার্টে লাকীর ব্যান্ডের সঙ্গে তিনি তবলা বাজাতেন। মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭২ সালের পর থেকেই ২১ শে ফেব্রুয়ারি ২৬ শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বর এর মতো জাতীয় দিবসগুলোতে গণসঙ্গীত পরিবেশনে অংশ নিতেন করতেন হ্যাপী। সংগীতের প্রতি তার ভালোবাসা এবং স্রষ্টা প্রদত্ত কিছু গুণাবলি ও দক্ষতার সুবাদে অল্প কিছুদিনের মধ্যে হ্যাপি হয়ে ওঠেন সংগীতের নয়নমণি। গিটার, পিয়ানো, তবলা যা-ই বাজাতেন, এক অদ্ভুত সুরের ঝংকার সৃষ্টি করত তার সংগীত। পৃথিবীর নানা ধাঁচের সংগীত শুনে শুনে ও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুণী শিল্পীর সান্নিধ্যে অর্জিত সংগীতের নানা জ্ঞান অকাতরে বিলিয়ে গেছেন এই সংগীতশিল্পী।

হ্যাপি আখন্দ

অসম্ভব মেধাবী ও বিস্ময়কর প্রতিভাবান এই সঙ্গীতশিল্পী একাধারে পিয়ানো, গীটার কিংবা তবলা-তে অসামান্য পারদর্শী ছিলেন। স্বয়ং আর ডি বর্মন, মান্না দে’র মতো গুণী শিল্পীরা হ্যাপী আখন্দের প্রশংসা করতেন। হ্যাপী আখন্দের সঙ্গীতায়োজনে করা ‘এমন একটা মা দে না’, ‘ইশকুল খুইল্যাছে রে মওলা’ ঐ সময়ে ব্যাপক শ্রোতাপ্রিয়তা পায়। আর এই গান দুটো গেয়ে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ফেরদৌস ওয়াহিদ এবং প্রয়াত ফিরোজ সাঁই। ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই হ্যাপি আখন্দ বিভিন্ন মঞ্চ মাতিয়েছেন। তখন থেকেই তিনি ব্যান্ডের জন্য গান লেখেন ও সুর করেন। ১৯৭৩ সাল থেকে বড় ভাই লাকী আখন্দের সাথে মিলে একটি ব্যান্ড গড়েছিলেন হ্যাপী। একটানা ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ব্যান্ডটি ছিল। তার মৃত্যুর পর লাকী ক্যাপীর নামে ব্যান্ডটির নামকরণ করেছিলেন হ্যাপী টাচ নামে।হ্যাপী নিজে ‘উইন্ডি সাইড অব কেয়ার’ নামে একটি ব্যান্ড গড়েছিলেন।এতে তিনি গিটার বাজানোর পাশাপাশি গানও গাইতেন। এছাড়াও ‘স্পন্দন’ ব্যান্ডের সাথে সংযোগ ছিল তার। এমনকি জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলসের ফাউন্ডার মেম্বারও ছিলেন হ্যাপী আখন্দ।যদিও পরবর্তীতে মাইলস তাদের আদর্শ বিকিয়ে দিয়েছে সস্তা দামে।তবে তা অন্য আলাপ।

১৯৭৫ সালে ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’ গানটির সংগীতায়োজনের মধ্য দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন হ্যাপী। এটি লিখেছিলেন এস এম হেদায়েত, সুর করেন লাকী আখন্দ। রাইসুল ইসলাম আসাদ ও সুবর্ণা মুস্তাফা অভিনীত ‘ঘুড্ডি’ (১৯৮০) নামক বাংলা সিনেমায় ব্যবহৃত হয়েছে গানটি। বিভিন্ন শিল্পী বিভিন্ন সময় টেলিভিশনে গেয়েছেন যার মাধ্যমেও প্রচার পেয়েছে গানটি। বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েও প্রচার পেয়েছে। ২০০২-০৩ সালের দিকে বাংলা ছায়াছবির জনপ্রিয় গান নিয়ে তৈরী রিমিক্স অ্যালবাম ‘চুমকি’-তে স্থান পেয়েছিল অসাধারণ এই গানটি। ‘চুমকি’ নামক রিমিক্স অ্যালবামে গানটি কাভার করেছিলেন ‘সানবীম’। কিন্তু হ্যাপীর নাম কোথাও ছিল না। কেউ জানতো না যে এই গানটির প্রকৃত শিল্পী কে! অথচ গানটি হ্যাপী আখন্দের সঙ্গীতায়োজনে সংকলিত হয়েই প্রচার ও জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। অথচ আজ কোথাও তার নাম নেই, নতুন প্রজন্মের সামনে তাকে তুলে ধরার কোন ব্যবস্থা নেই,  কেউ তাকে চেনে না। হ্যাপীর অকালে চলে যাওয়া যে শূন্যতা আর হাহাকারের সূচনা করেছিল, তার প্রতিটি সৃষ্টিতে তার নামটাও না থাকার প্রবল যন্ত্রণায় প্রতিধ্বনিত হয় সবচেয়ে বেশী। হ্যাপীর গান গেয়ে সানবীম প্রচার পায়, বিজ্ঞাপন জনপ্রিয় হয়, আনিলা-ফুয়াদ সুপারতারকা খেতাব পায়; প্রচার পায় না শুধু ‘হ্যাপী আখন্দ’!

১৯৮৭ সালের ২৮শে ডিসেম্বর হ্যাপী আখন্দের আচমকা মৃত্যুর খবরে এলোমেলো হয়ে যায় সব। সঙ্গীতভুবনে নেমে আসে এক বিশাল শুন্যতা।১৯৯০ সালে প্রকাশিত ফিডব্যাকের ‘মেলা’ অ্যালবামের আহমেদ ইউসুফ সাবের ও মাকসুদুল হকের যৌথ রচনায় ‘পালকী’ গানটি ছিল ‘হ্যাপী আখন্দ’-র স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ। গানের ভূমিকার কয়েক লাইন ছিল এরকম…

সেদিন ছিল ফিডব্যাকের শীতকালীন মহড়া।
তারিখ ২৮-শে ডিসেম্বার, ১৯৮৭। এক হিমেল সন্ধ্যা।
হঠাৎ একটি খবর চমকে দিল আমাদের।
হ্যাপী নেই। থেমে গেল মহড়ার উচ্ছ্বাস।
শিল্পীর মৃত্যু নেই।
আমাদের বিশ্বাস হ্যাপী আখন্দের মৃত্যু নেই।
তার এই চলে যাওয়া মৃত্যু যাত্রা নয়।
অন্য সুরের ভুবনে বর বেশে এ যেন হ্যাপীর পালকী চড়ে মহাপ্রস্থান।
কানে এখনো বাজে তার শেষ যাওয়ার সুর” – এই ভূমিকা দিয়েই শুরু হয়ে ফিডব্যাকের ‘পালকী’।

ভূমিকা শেষেই কণ্ঠে ভেসে আছে –

তাকে বলে দাও আমি সেদিনের কথা ভুলিনি
তাকে বলে দাও সেই মণিহার আজও খুলিনি
তাকে বলে দাও তারই কারণে এত যন্ত্রণা
তাকে বলে দাও তারই বিহরে এত বেদনা ….”

হ্যাপী আখন্দের মৃত্যুর পরপর হ্যাপী আখন্দের একমাত্র সলো অ্যালবাম ‘শেষ উপহার’ অ্যালবামটি তিনি রিমেক করেন অকাল প্রয়াত ছোট ভাই হ্যাপী আখন্দের পুণ্য স্মৃতির উদ্দেশ্যে। এবং জনপ্রিয় গীতিকার কাওসার আহমেদ চৌধুরীর কথায় একই অ্যালবামে সংকলন করেন ‘হ্যাপী হারায় নি’ এবং ‘একটি নিষ্পাপ ফুল’ শিরোনামের দুটি গান। প্রিয় ছোট ভাই হারানো লাকী আখন্দের কণ্ঠে গান দুটি শুনলে আমি কেমন যেন হয়ে যাই। এক অদ্ভুত এলোমেলো . . .

“হ্যাপী,
আমি জানি হারাইনি তোমাকে
তুমি আজও দাঁড়িয়ে আছো
তেমনি হাসি মুখে, এক অন্য জগতে

আবার হবে দেখা ছোট ভাইটি আমার
আবার শুনবো গীটার তোমার
শুনবো তোমারই গান, সেই অন্য জগতে ….”

অসম্ভব চমৎকার কথার গাঁথুনি, নান্দনিক সুরের খেলা এবং যন্ত্রসঙ্গীতের নিপুণ ও শক্তিশালী ব্যবহারে যার গানে প্রাণ পেয়েছিলো, যার গান ছুঁয়ে যেত শ্রোতার অন্ত্রের গভীরতম অংশটায়, আবেগ আর ভালোবাসায়,  আজ ২৫ বছর পর বাংলাদেশের সঙ্গীতজগতে সেই হ্যাপীর আর কোন অবশেষ নেই। সঙ্গীতপ্রেমী নতুন যে প্রজন্ম দাঁড়িয়ে আছে আমাদের সামনে, সেখানে হ্যাপীর অবস্থান নেই। অথচ এমনটি হবার কথা ছিল না। আমরা আমাদের স্মৃতিময় উজ্জ্বল অতীত ভুলে সামনের উদ্দীপ্ত ভবিষ্যতকে মরীচিকার মত আঁকড়ে ধরবার কথা ছিল না। আজ হ্যাপীর জন্মদিনে আমাদের তাকে আমাদের স্মরণ করার কথা ছিল, ভালোবাসার কথা ছিল, তার গানগুলো শুনতে শুনতে মনের অজান্তেই ভেজা চোখে অস্ফুটে তাকে “হ্যাপী বার্থডে লেজেন্ড” বলার কথা ছিল! অথচ কেউ তাকে আজ হ্যাপী বার্থডে বলেনি! হয়তো তেমন কেউ চেনে না বলেই…

শুধু জীবন-মৃত্যুর ওপারে দাঁড়িয়ে হ্যাপী নিশ্চয়ই আজো আপন মনেই চুপচাপ গেয়ে যায়…

“আমি আবার আসবো ফিরে
তেমনি কোন সন্ধ্যায়
বসে থেকো পথ চেয়ে
বসে থেকো দিনগুনে
আমার অপেক্ষায়
অনেক অনেক আশায় ……….

নির্জনতা ছুঁয়ে ছুঁয়ে, আবার পথ চলবো দু’জনে
জমানো যত কথা, শুনবো আর বলবো তোমাকে
বিদায়ক্ষণে হাসিমুখে কষ্ট যত আড়াল করে
ডাকবো পিছু, শুধু, শুধু তোমায়
অনেক অনেক আশায় ……….

হয়না বলা সব কথা, কিছু রয়ে যায় আনমনে
সেই কথা নিয়ে ফিরে, অপেক্ষা আবার শুধু হবে
পাশে থেকো কাছাকাছি, তুমি ছাড়া একা আমি
যেওনা চলে, ডেকে ডেকে আমায়
অনেক অনেক আশায় ……..”

তথ্য ও ছবি কৃতজ্ঞতাঃ

১। ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী হ্যাপি আখন্দ ও অকৃতজ্ঞ আমাদের গল্প –

২। হ্যাপি আখন্দ অথবা \’আবার এলো যে সন্ধ্যা’র নেপথ্য গল্প

৩। HAPPY AKHAND.হ্যাপী আখন্দ

আপনার কাছে কেমন লেগেছে এই ফিচারটি?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid

আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিন-

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য লেখাগুলো