মাঝ আকাশে সুতো কেটে যাওয়া ঘুড়ির মতো গোত্তা খাচ্ছে কার্গো বিমানটা। মেঘেরও অনেকটা ওপরে তার অবস্থান, দুই পাইলট আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কন্ট্রোল প্যানেলটাকে নিজেদের কন্ট্রোলে নিয়ে আসার। কথা শুনছে না হুইল দুটো, রেডিওটা অসাড়, কাজ করছে না রিসিভার। এয়ারপোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ফুরিয়ে আসছে জ্বালানীও। প্যাসেঞ্জার থাকার কথা ছিল না বিমানে, কিন্ত এয়ারপোর্ট থেকে ওড়ার আগ মূহুর্তে একজন চড়ে বসেছেন কার্গোটায়, ভদ্রলোক এককালে ক্রিকেট খেলতেন, ক’বছর আগেও ছিলেন দেশের বিরাট তারকা। সেই জায়গা থেকে নিজেকেই নিজে নামিয়ে এনেছেন, ব্যাট বলের বদলে এখন একটা কোম্পানীতে হিসেব সামলান। পাইলটদের একজন তাকালেন পেছনের জাম্প সিটে বসা সৌম্যদর্শন লোকটার দিকে, বিপদটা কি বুঝতে পারছে মানুষটা? জুনের প্রথম দিন, সাল ২০০২, রানওয়ে থেকে উড্ডয়নের সময়ও সব ঠিকঠাক ছিল, অথচ হুট করেই যেন বিভীষিকা গ্রাস করেছে চারদিক থেকে!

ভদ্রলোকের বয়স ত্রিশের ওপরে। চেহারায় একটা অভিজাত ভাব আছে। পেটানো শরীর, ‘হকার সিডেলি ৭৪৮’ এয়ারক্রাফটটা দুলছে ভীষণ, সিটবেল্ট বাঁধা থাকায় রক্ষা! বিমানের ভেতরে নরককাণ্ড শুরু হয়েছে, তবে তার কোন ছাপ চেহারায় নেই মানুষটার। মুচকি হাসি উপহার দিলেন পাইলটকে। স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাতে রওনা দিয়েছিলেন, মিটিং শেষ করতে দেরী হয়ে গিয়েছিল, জোহানেসবার্গের নিয়মিত ফ্লাইটটা তাই মিস হলো। পরিচিত অ্যাভিয়েশন কোম্পানী, ওদেরই একটা কার্গো প্লেন যাচ্ছিল জোহানেসবার্গে, সেটায় চড়ে বসেছিলেন। সেটাই যে শেষযাত্রা হতে পারে কল্পনাতেও ভাবেননি। তবে জীবনটাই তাঁর উত্থান পতনে ভরপুর এক সিনেমার গল্প, যা ঘটেছে, বরাবরই সহজভাবে মেনে নিয়েছেন। নিজের কৃতিত্বে সাফল্য আর খ্যাতির শীর্ষে উঠেছিলেন, পতনটাও হয়েছে নিজের দোষেই। আজ যা ঘটবে, সেটায় তাঁর হাত নেই, কিন্ত ঘাবড়ে যাচ্ছেন না। এত এত কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিয়ে এসেছেন গত দুই-তিন বছরে, এই ছাইপাশ মরণকে আর কিসের ভয়! স্ত্রী বার্থার চেহারাটা ভেসে উঠলো চোখে, এবার বুঝি বাঁচতে ইচ্ছে হলো ভীষণ। তবে ভাগ্যবিধাতা মঞ্জুর করলেন না সেই চাহিদাটা। দুই পাইলট আর এক যাত্রী নিয়ে আউটেনিকা মাউন্টেনের ‘ক্রাডক পীকে’ বিধ্বস্ত হলো বিমানটা, সলীল সমাধি ঘটলো সবার, শেষ হলো একজন নায়ক এবং খলনায়কের বর্ণাঢ্য জীবনের।

গল্পটা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লুমফন্টেইনের ‘গ্রে স্কুলে’র একটা ছেলের। ক্রিকেট আর রাগবি, দুটোতেই তাঁর সমান প্রতিভা। কলেজের হয়ে দুই খেলার দুটো দলেই সে ক্যাপ্টেন! বাবা আর ভাই ছিলেন ক্রিকেটার, ছেলেটাও বেছে নিলেন ব্যাট-বলের সেই লড়াইটাকেই। বর্ণবাদের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ, কেপলার ওয়েলসের মতো দারুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা অন্য দেশের হয়ে খেলতে বাধ্য হচ্ছেন। সেই প্রতিকূল সময়েই ক্রিকেটের সঙ্গে গাটছাড়া বাঁধলেন হ্যান্সি ক্রোনিয়ে। হ্যাঁ, দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে নন্দিত, নিন্দিত আর বিতর্কিত, এই মানুষটাই আমাদের আজকের গল্পটার মূল চরিত্র!

ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফর্ম করছিলেন, ষাটের ওপর গড় ছিল ঘরোয়া ওয়ানডেতে। ১৯৯২ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা, দলের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিমানে চড়লেন হ্যান্সি ক্রোনিয়েও। বিশ্বকাপে দলের নয় ম্যাচের আটটিতেই ছিলেন একাদশে। কেপলার ওয়েলস অবসরে গেলে মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে ঘাড়ে এসে পড়লো নেতৃত্বের চাপ। আর সেই চাপকে ক্রোনিয়ে জয় করেছিলেন অবলীলায়, নেতা হবার জন্যেই যেন জন্ম হয়েছিল তাঁর। পরিসংখ্যান সাক্ষী দেবে, তবে তার চাইতেও বড় সাক্ষী যারা মাঠে ক্রোনিয়েকে অধিনায়কত্ব করতে দেখেছেন তাঁরা। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট ইতিহাসেরই সেরা অধিনায়ক বলা হয় হ্যান্সি ক্রোনিয়েকে। সেটা তাঁর ক্ষুরধার মস্তিষ্কের কারণে, ঝুঁকি নেয়ার সাহসী মনোভাবের কারণে, প্রতিপক্ষের ওপর চেপে বসা কিংবা বিন্দুমাত্র ছাড় না দেয়ার মানসিকতার কারনেই হোক, মাঠের ক্রোনিয়েকে যারা দেখেছেন, তাদের চোখে তিনিই সর্বকালের সেরা!

আগেই বলেছিলাম, ক্রোনিয়ের জীবনের চিত্রনাট্যটা যেকোন সিনেমাকেও হার মানিয়ে দেবে। শূন্য থেকে শিখরে চড়েছেন, জয় করেছেন ক্রিকেট মাঠ, মানুষের মন। সাফল্যের সিঁড়ি গড়েছেন নিজ হাতে, সেই সিঁড়ি বেয়ে তরতর করে উঠেছেন চূড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকাকে একমাত্র বৈশ্বিক শিরোপা এনে দিয়েছিলেন তিনিই, তাঁর হাত ধরেই ঢাকায় আইসিসি নকআউট বিশ্বকাপের ট্রফি ঘরে তুলেছিল প্রোটিয়ারা, দেশের মানুষ তাঁকে বসিয়েছিল নায়কের আসনে। আবার নিজের পতনের গল্পটাও লিখেছেন ক্রোনিয়ে নিজেই, নিজের কীর্তিকলাপে হয়েছেন সকলের ঘৃণার পাত্র, যে ক্রিকেটকে এতটা ভালোবেসেছিলেন, যে ক্রিকেট তাঁকে ব্লুমফন্টেইনের অখ্যাত এক কিশোর থেকে বিশ্বখ্যাত হ্যান্সি ক্রোনিয়ে বানিয়েছিল, সেই ক্রিকেটের সাথে, সমর্থকদের ভালোবাসার সাথে করেছেন প্রতারণা। পেয়েছেন সাজা, ক্রিকেটে হয়েছিলেন নিষিদ্ধ। 

২০০০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ, তিনদিন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া ম্যাচটায় প্রাণ ফিরিয়ে এনেছিলেন হ্যান্সি ক্রোনিয়ে। প্রতিপক্ষ অধিনায়ক নাসের হুসেইনকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক ইনিংসের টেস্ট খেলার (দুই দলই একটি করে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেবে)। ইংল্যান্ড জিতে নিয়েছিল টেস্ট, তবে দর্শক আর ক্রিকেটপ্রেমীদের চমকে দিয়ে তাঁদের হৃদয়ে আসন পাকাপোক্ত করে নিয়েছিলেন ক্রোনিয়ে, সবাই প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন তাঁর এই সাহসিকতাকে। কিন্ত সমস্ত স্ততিবাণী হাওয়ায় উড়ে গেল, যখন ফাঁস হলো গোমর। জানা গেল, সেই ম্যাচটায় এক ইনিংসের যে প্রস্তাবটা দিয়েছিলেন ক্রোনিয়ে, আদতে সেটি ছিল বাজীকরদের সাজানো নাটক। সেই নাটকের প্রধান কুশীলব হিসেবে পাঁচ হাজার ডলার আর একটা চামড়ার জ্যাকেট উপহার পেয়েছিলেন ক্রোনিয়ে!

কেঁচো খুড়তে সাপ বের করে আনলো দিল্লী পুলিশ। সেবছরেই ভারতের বিপক্ষে সিরিজে ফাঁস হলো এতোদিন ধরে চলে আসা কুকীর্তিগুলো, ক্রোনিয়ের নেতৃত্বে ২-০ তে সিরিজ জিতেছিল প্রোটিয়ারা, তবুও হয়নি শেষরক্ষা। দিল্লী পুলিশ আড়ি পেতেছিল অধিনায়কের ফোনে। সন্দেহটা ছিল প্রথম টেস্ট থেকেই, সেই ম্যাচে কোন রান না করেই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছিলেন ক্রোনিয়ে। দ্বিতীয় ইনিংসে হয়েছেন রানআউট, তবে অভিনয়টা ভালো হয়নি মোটেও, কিছু একটা গড়বড় আছে- এমনটা ধরা পড়েছে অনেকের চোখেই। দ্বিতীয় টেস্টের আগে জ্যাক ক্যালিস, ল্যান্স ক্লুজনার আর মার্ক বাউচারের কাছে লোভনীয় প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি, তাঁর বিরুদ্ধে এমন সাক্ষ্য দিয়েছেন খোদ এই খেলোয়াড়েরাই! সেই সিরিজেই পঞ্চম ওয়ানডেতে হেনরি উইলিয়ামসকে দিয়ে এক ওভারে ছয়টি ওয়াইড বল করিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছিল বোলারের, ফেঁসেছিলেন হ্যান্সি ক্রোনিয়ে, নাম এসেছিল মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন, অজয় জাদেজা, মনোজ প্রভাকর আর হার্শেল গিবসের মতো খেলোয়াড়দের।

পরের ক’টা মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আকাশে ভর করে ছিল বিষাদ আর অস্থিরতার গুমোট কালো মেঘ। ভদ্রলোকের খেলা ক্রিকেটে জুয়াড়ি আর বাজীকরদের উপস্থিতি বেশ আগে থেকেই ছিল, বিশেষ করে উপমহাদেশে। কিন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলের অধিনায়ক এতে জড়িয়ে ফেলবেন নিজেকে, এমনটা প্রত্যাশা ছিল না কারোই। কিংস কমিশনে হ্যান্সি ক্রোনিয়ে পরে স্বীকার করেছেন, ১৯৯৬ সাল থেকেই জুয়াড়িদের থেকে নিয়মিত টাকা নিতেন তিনি! কিংস কমিশনের কাছে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে কেঁদেছেন, কেঁদেছেন নেলসন ম্যান্ডোলার সঙ্গে সাক্ষাতেও। ম্যান্ডোলা বলেছিলেন, “তুমি ভুল করেছো ক্রোনিয়ে, বড় ভুল!” ম্যান্ডোলার সঙ্গে দেখা করার সপ্তাখানেক পরেই সবধরণের ক্রিকেট থেকে তাঁকে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ড।

ক্রিকেট হারিয়েছেন, হারিয়েছেন মানুষের ভালোবাসা, ভেঙেছিলেন তাঁদের আস্থা, বিশ্বাস। নতুন করে জীবনটা শুরু করতে চেয়েছিলেন, উৎসাহ দিচ্ছিলেন বন্ধুরা। ভেঙে পড়েছিলেন খুব, ছায়া হয়ে পাশে ছিলেন স্ত্রী। ক্রোনিয়ের পর যিনি প্রোটিয়াদের অধিনায়ক হয়েছিলেন, সেই শন পোলকের বাবা পিটার পোলক নিয়মিতই খোঁজ রাখতেন তাঁর, পিটারের সঙ্গে ক্রোনিয়ের বয়সের ফারাক থাকলেও, দুজনের বন্ধুত্বটা ছিল দারুণ। বেল ইকুইপমেন্ট কোম্পানীর অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন, থিতুও হয়ে গিয়েছিলেন প্রায়। কিন্ত জীবন তাঁকে দ্বিতীয় সুযোগটা আর দেয়নি। গ্রে হাইস্কুলে পড়াকালীন সময়ে স্কুলের হেডমাস্টারকে বলেছিলেন, “আমি যদি কোনদিন লর্ডসে খেলার সুযোগ পাই, আপনাকে প্লেনের টিকেট পাঠাবো।” কথা রেখেছিলেন ক্রোনিয়ে, জোহান ভোলস্টেড লর্ডসে বসে দেখেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার জয়, ক্রোনিয়ের সৌজন্যে।

ক্রোনিয়ের মৃত্যু নিয়েও আছে হাজার প্রশ্ন, এটাও এক অমীমাংসীত রহস্য যেন। বাজীকরদের বিরুদ্ধে মুখ খোলেননি সেভাবে, নিজের দোষটাই স্বীকার করে নিয়েছিলেন অকপটে। তবে তাঁর মুখটা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাক- এমনটা চাওয়ার মানুষ কম ছিল না সেসময়ে। দূর্ঘটনা নাকি খুন, এমন তর্কে জলঘোলা হয়েছে অনেক, আসেনি সমাধান।সেই ‘গ্রে স্কুলে’র অডিটোরিয়ামেই ফিউরেনালের মঞ্চ, ছিন্নভিন্ন হয়ে পুড়ে যাওয়া ক্রোনিয়ের লাশের অংশবিশেষকে একত্রিত করে কফিনে সাজিয়ে আনা হলো এখানেই। প্রার্থনার আওয়াজে ভারী হলো শৈশবের সেই চারণভূমি। যে মাঠে ক্রোনিয়ে বেড়ে ওঠা, সেখানেই বাজলো চিরবিদায়ের রাগিণী; ছয় বছর বয়সে ক্রোনিয়ে পা রেখেছিলেন যে স্কুলে, সেখানেই রক্ষিত হলো তাঁর শরীরের ছাইভস্ম। ডোরাকাটা সবুজ ব্লেজার পরিহিত অনেকগুলো ছেলেমেয়ে সমস্বরে গাইছে- “Hansie is our hero… we’ll not be moved…” হ্যান্সি ক্রোনিয়ে তো না থেকেও ছিলেন সেই শোকসভায়! 

১৯৬৯ সালের আজকের দিনে, ঠিক ৫৮ বছর আগে ব্লুমফন্টেইনে জন্মেছিলেন হ্যান্সি, ক্রিকেটের কিংবদন্তীর আসন থেকে নিজেকে ছিটকে ফেলেছিলেন যিনি, পর্দার আড়ালে থাকা ক্রিকেটের কুৎসিত একটা চেহারা উন্মোচিত হয়েছিল বাজীকরদের সঙ্গে তার সংস্লিষ্টতার কারণে। তবুও তাকে ঘৃণা করা যায় না যেন, কিংবা ঘৃণা ম্লান হয়ে যায় আগেকার ভালোবাসাগুলোর কাছে!  

হ্যান্সি ক্রোনিয়ের নাম নিলেই মনে পড়ার কথা ছিল দারুণ এক অলরাউন্ডারের, সেই সময়ের দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অন্যতম সেরা একজন ব্যাটসম্যানের। হ্যান্সি ক্রোনিয়ে একজন নেতার নাম, মাঠে প্রতিপক্ষের ওপর প্রভাব বিস্তার ছাড়া যিনি কিছু বুঝতেন না। ১৩৮ ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়ে ৯৯টি জয়, পরিসংখ্যান তার পক্ষেই কথা বলবে। টেস্টে প্রোটিয়াদের জিতিয়েছেন সাতাশ ম্যাচে, পরে তাঁর রেকর্ড ভেঙেছেন গ্রায়েম স্মিথ। অধিনায়ক হিসেবে টানা একশোর বেশী(১৩০) ওয়ানডে খেলা একমাত্র ক্রিকেটার তিনি। ক্রিকেটবিশ্বে তর্কের বিষয়বস্ত হতে পারতো, কে সর্বকালের সেরা অধিনায়ক, ক্লাইভ লয়েড, স্টিভ ওয়াহ নাকি হ্যান্সি ক্রোনিয়ে? অথচ হ্যান্সি ক্রোনিয়ের নামটা শুনলেই প্রথমে চোখে ভাসে টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া এক ক্রিকেটারের চেহারা, লোভের কাছে নিজের দেশকে, ভালোবাসার খেলাটাকে বিকিয়ে দিতে বুক কাঁপেনি যার! তবুও তাঁকে মানুষ ভালোবাসে, এখনও প্রয়ানদিবসে তাঁর শহর ব্লুমফন্টেইনে লোকে গীর্জায় তাঁর জন্যে প্রার্থনা করে। ভালোবাসা তো এমনই, শর্তহীন, সূত্রবিহীন। আমরাও প্রত্যাশা করি, যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন হ্যান্সি ক্রোনিয়ে!

আপনার কাছে কেমন লেগেছে এই ফিচারটি?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid

আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিন-

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য লেখাগুলো