প্রথম দিনেই আড়াইহাজার কল। কেবল ৫৫ টি অভিযোগ আকারে নেয়া গেছে, যা থেকে বাছাই করলে হয়তো ৫/৬ টি টিকবে।

এই হটলাইন কিন্তু শুধু অভিযোগ শোনার জন্য না। হটলাইনে অভিযোগ শুনে সব নিষ্পত্তি করতে গেলে ১৬ কোটির জন্য ১৬ কোটি কর্মচারী নিয়োগ করা লাগতে পারে। এর মুল উদ্দেশ্য হলো, আপনাকে ক্ষমতায়িত করা, যাতে আপনিও দুর্নীতি রোধে দুদককে কাজে লাগিয়ে ভুমিকা রাখতে পারেন।

কীভাবে?

ধরেন, ক্ষুদ্র সাইজের দুর্নীতিবাজের অফিসে গেলেন। যখন দেখবেন ইনিয়ে বিনিয়ে টাকা চাচ্ছে, আপনিও ইনিয়ে বিনিয়ে ‘১০৬’ টা ডায়াল স্ক্রীনে নাড়াচাড়া করবেন। কাজ হয়ে যাবে।

মাঝারি সাইজের দুর্নীতিবাজের দফতরে গেলেন। এরা আবার সরাসরি নেয় না। পিয়ন বা নিজস্ব লোক দিয়ে নেয়। তাকে কিছু দিয়া দেন। তারপর অফিসারের সাথে দেখা করে বলেন, ‘পিয়ন আপনার কথা বলে টাকা নিছে। বুঝতেছি না, ১০৬ এ পিয়ন নাকি আপনার কথা বলবো?’

তো, এরপর যখন পিয়নকে ডেকে ধমক দিয়ে সাধু সেজে আপনার টাকা ফেরত দেয়াবে, ওনাপ্যানা করতে থাকেন, বাকী ট্যাকা গেল কই?

অতিরিক্ত আদায় না করলেও ফাঁপড় ছেড়ে চাপে রাখেন। ভবিষ্যতে জামাই আদর পাবেন, অন্য ভাই বেরাদরেরও কাজ আদায় করে নিতে পারবেন।

বৃহৎ সাইজের দুর্নীতিবাজের ক্ষেত্রেই কেবল নিজেকে দুর্বল মনে হলে ‘১০৬’ ব্যবহার করুন।

_

লিখেছেন- Bansuri M Yousuf, ম্যাজিস্ট্রেট, হজরত শাহজাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

Comments
Spread the love