অদ্ভুত,বিস্ময়,অবিশ্বাস্যএরাউন্ড দ্যা ওয়ার্ল্ড

যে দশটি স্বপ্ন বদলে দিয়েছে মানব সভ্যতার ইতিহাস

আমাদের দেশে সাধু-সন্ন্যাসীদের মাঝে মাঝে স্বপ্নে বিভিন্ন নির্দেশনা পাবার কথা শোনা যায়। বলাই বাহুল্য, সেগুলো সবই আজগুবী আর মিথ্যা গুজব। সাধু-সন্ন্যাসীদের মিথ্যা দাবী অর্থহীন হলেও, স্বপ্ন ব্যাপারটা কিন্তু সব সময় অর্থহীন নয়। কেন, জানেন? স্বপ্নে পাওয়া নির্দেশনার কারণেই সম্ভব হয়েছিল দুনিয়ার বিখ্যাত কিছু সৃজনশীল আর বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। সব স্বপ্নই যে আজগুবী আর অর্থহীন কল্পনা নয়, কিছু স্বপ্ন যে মানুষের চিন্তা আর সৃজনশীলতার ফসল, তা প্রমাণিত হয়েছিল এইসব যুগান্তকারী আবিষ্কারের দ্বারা। এমন দশটি যুগান্তকারী স্বপ্নের কথাই এখানে আলোচনা করব, যা বদলে দিয়েছিলো মানব সভ্যতার ইতিহাস।

১. মেরী শেলী: পৃথিবীর প্রথম সাই-ফাই উপন্যাস

বিখ্যাত ইংলিশ ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রবন্ধকার, জীবনীকার, এবং ভ্রমণকাহীনিকার মেরী শেলী, সবচেয়ে বেশি পরিচিত তার গোথিক উপন্যাস ”ফ্রাঙ্কেনস্টেইন”এর জন্য। অনেকের মতে, এই “ফ্রাঙ্কেনস্টেইন” উপন্যাসটি পৃথিবীর সর্বপ্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীনির্ভর উপন্যাস। মেরী শেলী, ফ্রাঙ্কেনস্টেইন উপন্যাসটি লিখেছিলেন তার ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্ন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। ১৮১৬ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে মেরী শেলী একবার জগদ্বিখ্যাত ইংরেজ কবি লর্ড বায়রনের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেসময় লর্ড বায়রন তাকে একটা ভূতের গল্প লেখার পরামর্শ দেন। কিন্তু, রাতের পর রাত ভেবেও শেলী কিছুতেই একটা ভূতের গল্পের প্লট সাজাতে পারছিলেন না।

এমন সময় একদিন ঘুমের মধ্যে তিনি স্বপ্নে পেয়ে যান তার ফ্রাঙ্কেনস্টেইন উপন্যাসের প্লট। স্বপ্নটা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে ঘুম থেকে জেগে উঠেও তিনি পরিস্কার মনে করতে পেরেছিলেন স্বপ্নে কী দেখেছেন। এভাবেই স্বপ্ন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে মেরী শেলী লিখে ফেলেছিলেন তার বিখ্যাত উপন্যাস “ফ্রাঙ্কেনস্টেইন”।

২. পল ম্যাককার্টনি: যে সুর অনুপ্রাণিত করেছিল অন্য এক সুরকে

জগৎবিখ্যাত ইংলিশ ব্যান্ড বিটলস্ এর গায়ক, গিটারিস্ট জেমস জন ম্যাককার্টনি ১৯৬৫ সালে তার জনপ্রিয় “ইয়েস্টারডে” গানটির সুর বেধেছিলেন একটি স্বপ্ন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। একদিন ঘুম থেকে জেগে উঠলে তিনি স্বপ্নে দেখা নতুন একটা গানের সম্পূর্ণ সুরই মনে করতে পারছিলেন। ফলে, তিনি তাড়াতাড়ি সেই সুর পিয়ানোতে তোলেন। এরপর কিছুদিন ‍তিনি খুব ভয়ে ভয়ে ছিলেন, ভুলে অন্য কারো সুর নকল করছেন নাকি তা ভেবে। তার ভাষায়, 

”প্রায় মাসখানেক ধরে আমি মিউজিকের সাথে জড়িত লোকজনের কাছে গিয়েছি এবং তাদের সবার কাছে জানতে চেয়েছি তারা এই সুর আগে কোথাও শুনেছে কিনা। আমি চিন্তা করেছিলাম যদি কয়েক সপ্তাহ পর কেউ এটা নিজের বলে দাবী না করে, তবে আমি এটা নিজের বলে দাবী করতে পারব।”

শেষ পর্যন্ত, জেমস পল ম্যাককার্টনি নিশ্চিত হন, তার স্বপ্নে পাওয়া সুরটি মৌলিকই ছিল। পরবর্তীতে তার এ সুর খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

৩. নিলস বোর: পরমাণুর গঠন তত্ত্ব

ডেনিশ পদার্থবিদ নিলস বোরকে বলা হয় কোয়ান্টাম ম্যাকানিক্সস’র জনক। পরমাণু গঠনের আধুনিক তত্ত্বের অন্যতম পুরোধা বলা হয় তাকে। মজার ব্যাপার হলো, তিনি পরমাণুর গঠন তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন একটা স্বপ্ন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে।

বিজ্ঞানী বাবা মা’র ছেলে নিলস বোর ১৯১১ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সব সমীকরণের বিশদ ব্যাখ্যা দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন। কিন্তু, যখন তিনি পরমাণুর গঠন বিশদভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করতে শুরু করেন, পরেন বিড়ম্বনায়।  কিছুতেই বুঝতে পারছিলেন না কি করে পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করবেন। এমন সময় এক রাতে তিনি ঘুমের মধ্যে পরমাণুর গঠন নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন।

ঘুম থেকে জেগে উঠলে, নিলস্ বোর বুঝতে পারেন স্বপ্নে যা দেখেছেন তা একদম সঠিক। কিন্তু একজন বিজ্ঞানী তো আর প্রমাণ ছাড়া, শুধু স্বপ্নের ওপর নির্ভর করে কিছু বলতে পারেন না।  তাই ঘুম থেকে জেগে তিনি তার ল্যাবে কাজ করতে শুরু করেন এবং তার স্বপ্নের স্বপক্ষে প্রমাণ খুঁজতে আরম্ভ করেন।

শেষ পর্যন্ত নিলস্ বোর পরমাণুর গঠন তত্ত্বের স্বপক্ষে প্রমাণ বের করতে সমর্থ হন। তার জীবনের সেরা অর্জনগুলোর একটি, স্বপ্নে পাওয়া এই ব্যাখ্যা। পরমাণুর গঠন এবং কোয়ান্টাম থিওরিতে অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরুপ নিলস বোর ১৯৭৫ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

ঘুমের মধ্যেও চিন্তা করার ফলস্বরুপ তিনি এ পুরস্কার পান বললে কি ভুল বলা হবে?

৫. এলিয়াস হই: সেলাইমেশিনের চোখ

এলিয়াস হই ১৮৪৫ সালে সেলাই মেশিন উদ্ভাবন করেন। তার এই উদ্ভাবনের পেছনেও ছিল স্বপ্নের অবদান।  সেলাই মেশিনের অন্য সব অংশ ঠিকঠাক বানালেও, সুই যে কোথায় স্থাপন করবেন তা কিছুতেই যখন বুঝতে পারছিলেন না এলিয়াস হই, তখনই এক রাতে দেখেন এক অদ্ভুত স্বপ্ন।

এলিয়াস হই স্বপ্নে দেখেন, তিনি একজন নিষ্ঠুর রাজার হয়ে কাজ করছেন। রাজা তাকে সময় বেধে দিয়েছে একটা সেলাই মেশিন তৈরির জন্য। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বানাতে না পারলে, রাজা তাকে শূলে চড়াবেন।  স্বপ্নের মধ্যেই তিনি সেলাই মেশিনের সুই নিয়ে অনেক ভাবনা-চিন্তা করলেন। স্বপ্নে তিনি এই কঠিন অবস্থা থেকে মুক্তি পাবার জন্য কঠোর পরিশ্রম করলেন, এবং একসময় তিনি বুঝতে পারলেন কি করতে হবে। ভোরবেলা যতক্ষণে স্বপ্ন দেখে তার ঘুম ভাঙল, ততক্ষণে তিনি পেয়ে গেছেন তার সমস্যার সমাধান।

এভাবেই এলিয়াস হই, উদ্ভাবন করে ফেললেন এক চোখওয়ালা সুইয়ের সেলাইমেশিন।

৬. অ্যালবার্ট আইনস্টাইন: আলোর গতি

আইনস্টাইনকে কে না চেনে! আইনস্টাইন তার আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু, জানেন কি? এই জগদ্বিখ্যাত পদার্থবিদ, তার বিখ্যাত আপেক্ষিকতার তত্ত্বটি আবিষ্কার করেছিলেন ঘুমের মধ্যে দেখা একটি স্বপ্ন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে।

অল্প বয়সী আইনস্টাইন একদিন স্বপ্নে দেখেন, একটি খাড়া পর্বতে উঠার চেষ্টা করছেন তিনি। যত দ্রুত উপরের দিকে ওঠার চেষ্টা করছেন, ততই আলোর গতিপথ বদলে যাচ্ছে। এমন সময় তিনি লক্ষ্য করেন,  স্বপ্নে তারাগুলোও তাদের গতিপথ বদলে অন্যরকমভাবে দেখা দিচ্ছে তার সামনে।

ঘুম ভাঙলে আইনস্টাইন তার এ স্বপ্ন নিয়েই চিন্তা-ভাবনা করতে থাকেন এবং একসময় এই স্বপ্ন থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে একটা তত্ত্বের উদ্ভাবন করতে সমর্থ হন। মানব সভ্যতার ইতিহাসে তার সে উদ্ভাবন সবচেয়ে যুগান্তকারী তত্ত্বের একটি হয়ে দেখা দেয়, ”আপেক্ষিকতা তত্ত্ব”।

‘আইনস্টাইনস্ ড্রিম’ নামের অ্যালেন লাইটম্যানের লেখা আস্ত একটি বই-ই রয়েছে আইনস্টাইনের দেখা স্বপ্ন নিয়ে।

৬. শ্রীনিবাস রামানুজন: দ্য ম্যান হু নিউ ইনফিনিটি

অসামান্য প্রতিভাধর ভারতীয় গণিতবিদ রামানুজনের নাম নিশ্চয় অনেকেই শুনে থাকবেন। বলতে গেলে, কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই তিনি, সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টা আর প্রতিভায় গণিতের বিভিন্ন শাখা , যেমন, গাণিতিক বিশ্লেষণ, সংখ্যাতত্ত্ব, অসীম ধারা, আবৃত্ত ভগ্নাংশ প্রভৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। প্রমাণ করে গেছেন তিন হাজারেরও বেশি গানিতিক তত্ত্ব। রামানুজনের মতে, তিনি তার অনেক গাণিতিক সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে পেয়েছিলেন ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্ন থেকে।

রামানুজন বিভিন্ন সময়ে উল্লেখ করেছেন, তিনি জীবনের বিভিন্ন সময় হিন্দু দেবী নামগিরিকে স্বপ্নে দেখতেন। দেবী তাকে স্বপ্নে জটিল সব গণিতের সূত্র দেখিয়ে দিতেন। পরে ঘুম থেকে জেগে তিনি সেসমস্ত সূত্রের সত্যতা প্রমাণ করতেন নিজে নিজে।

রামানুজনের স্বপ্নই শুধু বিস্ময়কর নয়। তার কর্ম এবং জীবনও বিস্ময়কর। গণিতের এই বিস্ময়কর প্রতিভা রামানুজনকে নিয়ে জানার রয়েছে অনেক কিছু। তাকে নিয়ে লেখা একটি বই, “দ্য ম্যান হু নিউ ‍ইনফিনিটি” ব্যাপক জনপ্রিয়। এ নিয়ে হলিউডে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে হলিউডে। আগ্রহ থাকলে দেখে ফেলতে পারেন আপনিও।

৭. রবার্ট লুইস স্টিভেনসন: চমৎকার এক ভূতের গল্প

রবার্ট লুইস স্টিভেনসন একজন স্কটিশ ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক, গীতিকার এবং ভ্রমণকাহিনী লেখক। ১৮৮৬ সালে তিনি তার রহস্য গোয়েন্দা উপন্যাস ”দ্য স্ট্রেঞ্জ কেস অব ডা. জেকি এবং মিস্টার হেইডি”র তিনটি ঘটনা পেয়েছিলেন স্বপ্ন থেকে।

৮. অটো লোবি: স্নায়ুর স্পন্দনের প্রভাবক

অটো লোবি একজন জার্মান বংশোদ্ভূত ফার্মাকোলোজিস্ট। তার আবিষ্কৃত’অ্যাসিটোকোলিন’ নামক রাসায়নিক জৈব মেডিক্যাল থেরাপিকে কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়েছিল। এই আবিষ্কার তাকে একটি নোবেল পুরস্কারও এনে দিয়েছিল। ১৯২১ সালে অটো লোবি একদিন এক গবেষণার স্বপ্ন দেখেন ঘুমের মধ্যে। সেই স্বপ্নে তিনি দেখেন, স্নায়ূর স্পন্দনকে প্রভাবিত করা যায় রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে, তড়িৎ শক্তির প্রভাবে নয়। স্বপ্ন দেখে, মধ্যরাতে জেগে উঠলে, তিনি স্বপ্নের ব্যাখ্যা একটি কাগজে লিখে রাখেন এবং পুনরায় ঘুমিয়ে পড়েন। পরের দিন সকালে তিনি যখন ঘুম থেকে জেগে ওঠেন,দেখেন  রাতে ঘুমের ঘোরে কি লিখেছেন তিনি নিজেই বুঝতে পারছেন না। তার মতে, সেই দিনটিই ছিল তার জীবনের দীর্ঘতম দিন। সারাদিন ধরে চেষ্টা করেও, স্বপ্ন সম্পর্কে কিছুই মনে করতে পারেননি তিনি।

পরের দিন রাতে, অটো লোবি একই স্বপ্ন আবার দেখেন। এবং তখনই জেগে উঠে ল্যাবে যান তার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করতে। সেই কাজই তাকে এনে দেয় হৃদস্পন্দন স্ট্রন্সমিশন নিয়ে গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কার।

৯.আগস্ট কেকিউল: বেনজিন মলিকিউলের গঠন

স্বনামধন্য জার্মান জৈব রসায়নবিদ আগস্ট কেকিউল। বেনজিন মলিকিউলের গঠন সম্পর্কে একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। অন্যান্য জৈব যৌগের মত এই যৌগটির গঠন সরলরৈখিক নয়, বৃত্তাকার।

সব রকম সুগন্ধি যৌগের ক্ষেত্রে এই ধারণাটি নতুন এক চিন্তার দ্বার খুলে দেয়। পিউর এবং অ্যাপ্লাইড কেমেস্ট্রির জন্য যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৮৬৫ সালে জার্মান কেমিক্যাল সোস্যাইটি আগস্ট কেকিউলের সন্মানে বড় রকম এক সংবর্ধনার আয়োজন করেন। সেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কেকিউল এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের পেছনে তার স্বপ্নের অবদান স্বীকার করেন।

১০. ফ্রেডরিক বেন্টিং: ইনসুলিনের আবিষ্কার

কানাডার নোবেল বিজয়ী চিকিৎসা বিজ্ঞানী স্যার ফ্রেডরিক গ্রান্ড বেন্টিং। ডায়াবেটিসের কারণে মা মারা গেলে, ফ্রেডরিক বেন্টিং ডায়াবেটিস প্রতিকারের উপায় বের করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। ফলস্বরুপ, ডায়াবেটিস প্রতিকারের উপায় বের করতে না পারলেও, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার যুগান্তকারী একটা উপায় বের করতে পেরেছিলেন তিনি। ইনসুলিন এর সহ-আবিষ্কারক ছিলেন তিনি। আর এই ইনসুলিন আবিষ্কারের কারণেই তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন মাত্র ৩২ বছর বয়সে।

ইনসুলিন আবিষ্কারে তার একজন কলিগের পাশাপাশি, তার সহায়ক হিসেবে কাজ করেছিল তার ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্ন। স্বপ্নেই নির্দেশনা পেয়েছিলেন তিনি কী করে ইনসুলিনের সাহায্যে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং কী করে ইনসুলিনকে ঔষধ আকারে ব্যবহার করা যায় সে নির্দেশনা। স্বপ্নে পাওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেই তিনি ইনসুলিন আবিষ্কার করতে পেরেছিলেন।

১৯২৩ সালের দিকে তিনি হয়ে উঠেছিলেন কানাডার সবচেয়ে নামকরা চিকিৎসক এবং গবেষক। ইনসুলিনের আবিষ্কার তাকে এনে দিয়েছিল জগৎজোড়া সম্মান এবং স্বীকৃতি। তার আবিষ্কৃত ইনসুলিনের কারণে, আজ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন রক্ষা পেয়েছে।

Comments
Tags
Show More

Related Articles

Close