আপনি-ই সাংবাদিকইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাকা-চিটাগাং রোডের ট্র্যাফিক জ্যাম যেভাবে অনেকাংশে দূর করা সম্ভব!

ঢাকা চিটাগাং রোড মেঘনা ও দাউদকান্দি পয়েন্টে ম্যানুয়াল টোল সিস্টেমের কারণে ব্যাপক ট্রাফিক ব্লকেজ দেখা যায়। তার সাথে সাথে লোকাল বাস গুলোর বাস বে ইউজ না করার কুফল তো আছেই। ম্যানুয়াল টোল সিস্টেমকে অটোমেটিক করে দিলে এই সমস্যা থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

এক্ষেত্রে যানবাহনগুলোতে স্ক্যান করা সম্ভব এমন ডিভাইস বা বারকোড ইউজ করলে টোল প্লাজার রিসিভার স্ক্যান করে টোলের সমপরিমাণ টাকা সেই বারকোডের এগেইনেস্টে বাসের একাউন্ট থেকে কেটে রেখে দিবে। যানবাহন মালিকগণ মাসিক কিংবা বা বার্ষিক ট্রিপের একটা স্টিমেট হিসেব করে প্রতিটা যানবাহনের জন্য আলাদা আলাদা এমাউন্ট রিচার্জ করে দিতে পারেন। নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তীতে যানবাহনগুলোতে জিপিএস সিস্টেম এনাবল করে পুলিশের ট্রাফিক ডিপার্টমেন্ট ও হাইওয়েকে নিরাপদ রাখতে পারবে।

ঢাকা শহরের অভ্যন্তরে ও জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা যায়। গণপরিবহন চলাচল করা প্রত্যেক যাত্রীই এই সেবা পেতে পারে। গাড়ির নাম্বার প্লেটের বিপরীতে এক রিডেবল কোড থাকবে। ১৭ কোটি মানুষ, ৪৩ কোটি স্মার্টফোন বাঙালির হাতে। পরিবহণে কোন অসংগতি দেখলেই কোডটা স্ক্যান করে ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টে পাঠিয়ে দিতে পারে। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট ট্র্যাক করে পরবর্তী সিগন্যালের ট্রাফিক সার্জেন্টকে জানিয়ে দিবে।

ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ে, ট্র্যাফিক জ্যাম, মেঘনা ব্রীজ, দাউদকান্দির জ্যাম

যাদের ইন্টারনেট থাকবে না তারা নাম্বার প্লেটের নাম্বার একটা নির্দিষ্ট নাম্বারে এসএমএস করলেই ফিরতি ম্যাসেজে চালক হেল্পার এবং বাসের ডিটেলস পেয়ে যাবেন। ভুক্তভোগী ইজিলি সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করতে পারবেন। ব্যক্তিগত যানবাহনের মালিকদের ও এই সিস্টেম আসতে বাধ্য করতে হবে। এর ফলে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে অপরাধ প্রবণতা ও কমে যাবে। যে কোন গাড়ির সন্দেহজনক গতিবিধি ও পর্যবেক্ষন করা যাবে।

ট্রাফিক দক্ষিণ, পশ্চিম, উত্তর এবং পূর্বে চারটা মনিটরিং সেন্টার স্থাপন করে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট করা যাবে। এভাবে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে বলে মনে হচ্ছে।

পদ্মা সেতুতে অটোমেটিক টোল রিসিভিং সিস্টেম চালু হলে দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের অনেক যানবাহন এই সিস্টেমের আওয়াতাধীন হয়ে যাবে। এভাবে ক্রমান্বয়ে সকল যানবাহনকেই ট্রাফিক মনিটরিং-এর সিস্টেমে আনা যাবে বলে আশা রাখি।

হয়তো সময় লাগবে, কিন্তু আশা রাখি একদিন না একদিন হবেই। আজ না হয় কাল! না হয় পরশু! না হলে এক মাস পর! হবেই হবে।

Comments
Tags
Show More

Related Articles

Close