তারুণ্যপিংক এন্ড ব্লু

আত্মবিশ্বাসী মানুষেরা যে ১৩টি কাজ কখনোই করে না

আজকের দিনে তুমুল প্রতিযোগিতার বাজারে আত্মবিশ্বাসের কোনো বিকল্প নেই। মানুষের হাতে সময় খুব কম। তাই কারও যোগ্যতা মূল্যায়নের পিছনে বেশি সময় ব্যয় করা সম্ভব না। সেজন্য মানুষ অনেকটাই ‘প্রথমে দর্শনধারী, পরে গুণবিচারী’ গোছের হয়ে গেছে। তবে সেই দর্শনেও পোশাক আশাকের পরিপাট্যের চেয়ে আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়। সেই ব্যক্তিত্বের একটি প্রধান দিক হলো আত্মবিশ্বাস।

ধরুন আপনি কোনো একটি চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছেন। সেখানে আপনাকে জিজ্ঞেস করা হলো, এই কাজটি করতে পারবে? আপনি যদি আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন পারবো, তাহলে আপনার চাকরির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আবার আপনি যদি ইতস্তত করেন, কিংবা পারবো বলতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেন, আপনার প্রতি চাকরিদাতার দৃষ্টিভঙ্গি নেতিবাচক হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার অ্যাকাডেমিক কোয়ালিফিকেশনের পাল্লা যতই ভারি হোক না কেন, আপনার ওই চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই ম্লান হয়ে যাবে।

তাই জীবনে উন্নতি করতে গেলে আত্মবিশ্বাসী হওয়া ও সবার সামনে নিজেকে আত্মবিশ্বাসীরূপে উপস্থাপন করাটা খুবই জরুরি। এবং একই সাথে জরুরি সেইসব কাজ থেকেও বিরত থাকা যেগুলোর মাধ্যমে আপনার মধ্যকার ভীতি বা আত্মবিশ্বাসহীনতা প্রকাশ পেয়ে যায়। আর তাই আপনাকে আগে জানতে হবে, আত্মবিশ্বাসী মানুষেরা কোন কাজগুলি করে না। এবং আপনাকেও সেগুলো মেনে চলতে হবে। 

তাই চলুন জেনে আসি, যে ১৩টি কাজ আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিরা কখনোই করে না।

১/ তারা ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্সে ভোগে না:- কোনো একটি চাকরির ইন্টারভিউতে গেছেন? সেখানে গিয়ে দেখলেন বাদবাকি সকলেই অনেক বেশি প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে, আর আপনি একদমই অপ্রস্তুত অবস্থায় চলে এসেছেন? এমতাবস্থায় আপনার মনে হতেই পারে যে অন্যদের তুলনায় আপনি প্রতিযোগিতায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছেন। কিন্তু প্রকৃত আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিরা কখনোই এমন চিন্তা করে না। তারা নিজেদেরকে অন্যদের তুলনায় দুর্বল বা কম মেধাবী মনে করে না। বরং তারা নিজেদের সামর্থ্যের প্রতি অগাধ বিশ্বাসী থাকে। তাই যত অপ্রস্তুত অবস্থায়ই ইন্টারভিউ দিতে যান না কেন, সেটি আপনার হাবেভাবে ফুটে উঠতে দেয়া যাবে না। বরং মনে রাখতে হবে, পূর্ব-প্রস্তুতির উপর মাত্র ৫% সুযোগ নির্ভর করছে, বাকি ৯৫% সম্ভাবনাই নিহিত আছে আপনার সবসময়ের সামর্থ্যের উপর।

২/ তারা আত্ম-সন্দেহকে ভয় করে না:- আগের পয়েন্ট থেকে মনে হতেই পারে, নিজের সামর্থ্যের উপর সন্দেহ করা মানেই বুঝি আত্মবিশ্বাসহীনতা। সেটি কিন্তু সকল ক্ষেত্রে সত্যি নয়। বরং আত্ম-সন্দেহ মাঝেমধ্যে আপনাকে সিগনাল দিতে পারে যে আপনাকে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, নিজের অধিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে আরও অনেক বেশি খাটতে হবে। এ ধরণের আত্ম-সন্দেহ কিন্তু আখেরে আপনার জন্য মঙ্গলই বয়ে আনবে। ধরুন আগামীকাল আপনার পরীক্ষা, আর আপনি এখনও কিছুই পড়ে শেষ করেননি। এমতাবস্থায় শুধু আত্মবিশ্বাসের জোরে আপনার পক্ষে নিশ্চয়ই ভালো ফল অর্জন করা সম্ভব হবে না। এর পরিবর্তে আত্ম-সন্দেহের মাধ্যমে যদি আপনার ভিতরে সেই অনুধাবনটা আসে যে আপনাকে যে করেই হোক সিলেবাস সম্পন্ন করতেই হবে, এবং সত্যি সত্যি আপনি তা করে ফেলেনও, তবেই কি আপনার ভালো ফলাফলের পথ আরও সুগম হবে না?

৩/ তারা সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে না:- কোনো সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে ইতস্তত করা কখনোই ভালো ফল বয়ে আনতে পারে না। যদি কোনো একটি সিদ্ধান্ত আপনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করতে না পারেন, তবে সেটা নিয়ে ভেবে ভেবে মাথার চুল ছিঁড়ে কোনো লাভই নেই। কারণ এরকম পরিস্থিতিতে আপনি যত বেশি ভাববেন, ওই বিষয়ের নেতিবাচক সম্ভাবনাগুলো তত বেশি আপুনার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে থাকবে। আর তত বেশি আপনি আত্মবিশ্বাস হারাতে থাকবেন। তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইতস্তত করা যাবে না কখনোই। একটি কাজ করা যদি আবশ্যক হয়, তাহলে এত ভেবে লাভই কী, বলুন! তারচেয়ে শুরুতেই কাজটি করতে সম্মতি জানিয়ে দিন, আর তারপর জানপ্রাণ দিয়ে লড়ে যান সফলকাম হতে। 

৪/ তারা ‘বড়’ সুযোগের অপেক্ষা করে না:- মনে করুন আপনি বাস স্টপেজে দাঁড়িয়ে আছেন বাসের অপেক্ষায়। একটি বাস আসলো বটে, কিন্তু সেটিতে বসার কোনো জায়গাই নেই। গেলে আপনাকে দাঁড়িয়ে যেতে হবে। তাই আপনি ভাবলেন, পরের বাসটি বোধহয় ফাঁকা থাকবে, সেটিতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যে পায়ের উপর পা তুলে যেতে পারবেন। কিন্তু পরের বাসটি দেখা যাবে আরও বেশি পরিপূর্ণ। আগের বাসটিতে তা-ও দাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল, এ বাসটিতে তা-ও সম্ভব না। তখন আপনাকে আফসোস করতে হবে, কেন আগের বাসটিতেই উঠে পড়লেন না! এরকম জীবনের কোনো ক্ষেত্রেই বড় সুযোগের লোভে হাতের সামনে থাকা আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হয় সুযোগগুলোকে হাতছাড়া করা যাবে না। নইলে পরে পস্তাতে হবে।

৫/ তারা আত্মবিশ্বাস আর ঔদ্ধত্যের মাঝে গুলিয়ে ফেলে না:- আপনাকে জিজ্ঞেস করা হলো এই কাজটি পারবে কি না। এখন আপনাকে নিজের আত্মবিশ্বাস প্রমাণের জন্য পারবো বলতেই হবে। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন একবার জিজ্ঞেস করাতেই পারবো বলে দিলে প্রশ্নকর্তা আপনাকে উদ্ধত বা অহংকারী মনে করবে, তাহলে কিন্তু খুব বড় ভুল করবেন। যেখানে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেয়াই শেষ কথা, সেখানে বিনয় প্রদর্শন খুবই হাস্যকর একটি বিষয়। কোথায় আত্মবিশ্বাস দেখাতে হবে আর কোথায় বিনয়, নিজের কমনসেন্স দিয়েই সেটি আপনাকে বুঝে নিতে হবে। আবার আত্মবিশ্বাস আর অহংকার-ঔদ্ধত্য যে এক জিনিস নয়, এই অনুধাবনও আপনাকে করতে হবে।

৬/ তারা নেতিবাচক ফিডব্যাকে ভয় পায় না:- একটি কাজে সকলেই যে সমান বাহবা দেবে, সেটির প্রশংসা করবে, এমনটি আশা করা ঠিক না। এমনকি খুব ভালো কোনো কাজেরও বিরুদ্ধাচরণ করবে মানুষ। সেগুলোর সমালোচনা করবে, বিপক্ষে মত দেবে। এগুলোকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করতে হবে। নেতিবাচক ফিডব্যাকে ভেঙে পড়লে চলবে না। সেগুলো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিজের সিদ্ধান্তেও পরিবর্তন আনা যাবে না। নিজের অবস্থানে অটল থাকতে হবে, আর নিজের অবস্থানকে যুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে রক্ষণাত্মক কথাবার্তা বলা যাবে না। আপনি যা করেছেন তা নিয়ে যে আপনার মধ্যে কোনো দ্বিধা নেই, সেটি সাহসের সাথে দুনিয়ার সামনে ঘোষণা দিতে শিখুন। কিংবা প্রয়োজনে নেতিবাচক ফিডব্যাককে পুরোপুরি ইগনোর করুন, যদি সেগুলোর কাউন্টার দিতে গিয়ে আপনার মনোযোগ হারাবার আশঙ্কা থাকে। 

৭/ তারা ব্যর্থতাকে ভয় পায় না:- কেবল সাফল্যের শতভাগ নিশ্চয়তা থাকলেই যে মানুষ আত্মবিশ্বাসী হবে, নতুবা নয়, এমন কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। এমনকি যদি সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাহলেও আত্মবিশ্বাসী হওয়া যেতে পারে। এটিকে অনেকেই অপ্রয়োজনীয় মনে করতে পারে। কিন্তু ভেবে দেখুন তো, হারার আগেই যদি আপনি হার মেনে নেন, তাহলে সেই কাজে হাত দেয়ার আদৌ কোনো দরকার আছে কি? বরং আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে সাফল্যের সম্ভাবনা যদি মাত্র এক শতাংশও হয়, এবং তখনও নিজের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করে আপনি জয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম, কেবল তবেই আপনি ওই কাজে অগ্রসর হতে পারেন। আপনাকে এমন মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে যে জিতলে তো খুবই ভালো, কিন্তু হারলেও খুব বেশি ক্ষতি নেই; কারণ জয়-পরাজয় তো খেলারই অংশ!

৮/ তারা কখনোই খুঁতখুঁতে হয় না:- পারফেকশনিস্ট হওয়া নিঃসন্দেহে খুব ভালো একটি গুণ। নিজের মনমতো না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে গেলে, তার ফল অবশ্যই খুব ভালো কিছু হবে। কিন্তু সবসময় এত খুঁতখুঁতে হলে চলে না। ধরুন আপনার হাতে সময় আছে মাত্র এক রাত। কিন্তু আপনি যে কাজটি করতে চলেছেন, সেটিকে পারফেক্ট করতে চাইলে আপনার অন্তত এক মাস সময় প্রয়োজন। এমন অবস্থায় আপনার পারফেকশনিস্ট হয়ে কি বাস্তবিক কোনো লাভ আছে? তারচেয়ে কাজটিকে পারফেক্ট করার ইউটোপিয়ান স্বপ্নে বিভোর না থেকে আপনি যদি বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে খুশি থাকেন, তাহলেই সত্যিকারের মানসিক প্রশান্তি লাভ করতে পারবেন।

৯/ তারা যেকোনো বিজ্ঞাপনে বিশ্বাস করে না:- বিজ্ঞাপনে তো সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চটকদার ও অতিরঞ্জিত কতকিছুই না দেখায়। সেগুলো চোখ বুজে বিশ্বাস করে ফেলা কি উচিৎ? মোটেই না। যেকোনো বিজ্ঞাপনে চোখ বুজে বিশ্বাস করে ফেলা মানে হলো পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থার পাতা ফাঁদে পা দিয়ে দেয়া। কোনো সচেতন মানুষই তা করবে না। আর আত্মবিশ্বাসে বলিয়ান মানুষেরা তো নয়ই। তাদের নিজেদের মধ্যেই একটি সমালোচকের সত্তা থাকবে, যেই সত্তাকে কাজে লাগিয়ে তারা যেকোনো তথ্যের সত্যাসত্য কিংবা যেকোনো পণ্যের ভালোমন্দ বিচার করতে পারবে। তারা বিজ্ঞাপনদাতার ছেলেভুলানো কথায় বিশ্বাস করবে না, নিজেকে বিশ্বাস করবে।

১০/ তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সবকিছুকেও বিশ্বাস করে না:- আগের পয়েন্টের সাথে এই পয়েন্টের খুব বেশি অমিল নেই। কোনো তথ্যকে চোখ বুজে বিশ্বাস করার আগে নিজের মস্তিষ্ককে কাজে লাগিয়ে সেটির যথার্থতা নিরূপণই হলো মূল কথা। ধরুন আপনি শুনলেন চিলে আপনার কান নিয়েছে। তাহলে আপনি আগে নিজের কানে হাত দিয়ে সেটি যাচাই করবেন, নাকি আগপাছ চিন্তা না করেই চিলের পেছনে দৌড়াবেন? নিশ্চয়ই আগে নিজের কানে হাত দিয়ে দেখবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বিশ্বাসের বিষয়টিও এমনই। এখানের সব তথ্যই যেমন ভুল নয়, তেমনই সব তথ্য সঠিকও নয়। তাই কোন তথ্যটি সঠিক আর কোনটি নয়, সেটি নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বহন করতে হবে আপনার নিজেকেই।

১১/ তারা নতুনত্বকে এড়িয়ে যায় না:- কথায় আছে, পথ পথিকের সৃষ্টি করে না, বরং পথিকই পথের সৃষ্টি করে। কিন্তু সব পথিকের মধ্যেই যে এমন সদিচ্ছা আছে, তা তো নয়। কিন্তু আত্মবিশ্বাসীরা হলো এমনই উদ্ভাবনী ক্ষমতাসম্পন্ন পথিক। তারা নতুনত্বকে আলিঙ্গন করতে ভয় পায় না। পাশাপাশি দুইটি পথ দেখলে তারা কেবল অধিক জনপ্রিয় পথটিকেই বেছে নেয় না, বরং সময় থাকলে অনুদ্ঘাটিত পথটি তাদেরকে কোন গন্তব্যে নিয়ে যায়, সেটিও পরীক্ষা করে দেখতে চায়। জঞ্জালে ঘেরা পথ দেখে তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয় না। সাপখোপের ভয়কে তারা তোয়াক্কা করে না। বরং নতুন পথ তাদেরকে সহজে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারে কি না, সে সম্ভাবনায় তারা উচ্ছ্বসিত থাকে। আবার ঝুঁকি থাকলে সেটিকেও তারা নির্দ্বিধায় আলিঙ্গন করতে পারে। এ কারণে আত্মবিশ্বাসী মানুষদের হাত ধরেই যুগে যুগে নতুন নতুন উদ্ভাবনের উন্মেষ ঘটেছে।

১২/ তারা সবসময় নিজেকে নিয়ে ভাবিত থাকে না:- অনেকের কাছেই এটি অবিশ্বাস্য লাগতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা এটিই। যারা নিজেদের উপর অগাধ বিশ্বাস রাখে, তাদের সারাদিনই কেবল নিজেদের কথা ভেবে চলতে হয় না। কারণ তাদের শক্তিমত্তা ও দুর্বলতার দিকগুলো সম্পর্কে তারা তো ইতিমধ্যেই অবগত। তাই তাদের মনোযোগ কেবল নিজেদের উপর থাকে না, বরং তারা অন্যের ব্যাপারেও সমান আগ্রহ দেখায়, অন্যরা কে কী করছে বা ভাবছে সে ব্যাপারে জানতেও তারা উৎসুক থাকে। সারাদিন নিজেদের নিয়ে যারা ভাবে বা আত্মপ্রেমে মগ্ন থাকে, তারা নার্সিসিস্ট হতে পারে, আত্মবিশ্বাসী কখনোই নয়।

১৩/ তারা নিজেদের লক্ষ্য অন্য কাউকে নির্ধারণ করতে দেয় না:- এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা। আপনি যদি নিজের সামর্থ্যের উপর পূর্ণ বিশ্বাসী থাকেন, তাহলে আপনি কেন অন্যের সিদ্ধান্ত নিজের উপর চাপিয়ে দেবেন? আপনি নিজেই তো ভালো করে জানেন যে কিসে আপনার ভালো হবে, উন্নতির পথ প্রশস্ত হবে। তাহলে আপনারা অন্যের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারেন ঠিকই। কিন্তু সরাসরি অন্য কাউকে আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলার সুযোগ কেন দেবেন? আপনি হবেন নিজের মনের দাস, আর ঘুড়ির লাটাইও থাকবে আপনার নিজের হাতেই। নিজের উপর বিশ্বাসকে পুঁজি করেই আপনি বুঝতে সক্ষম হবেন যে কোন কাজটি করলে আপনি সর্বোচ্চ লাভ করতে পারবেন ও মানসিক পরিতৃপ্তিও পাবেন। এবং দিনশেষে আপনি করার জন্য সেই কাজটিকেই বেছে নেবেন।

Comments
Tags
Show More

Related Articles

Close