পেনি ড্রেডফুল- দ্যা ব্লেসড ডার্ক

সিরিজটির একজন সংখ্যালঘু ভক্ত আমি। কারণ সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে ইহা একখানা বোরিং ক্রমিক। ঠিক কি কারণে এই বোরিং সিরিজটি আমার কাছে ইন্টারেস্টিং লেগেছে সেটা যতটা সংক্ষেপে সম্ভব চিহ্নিত করার চেষ্টা করি। গুগলি উগলি উকশ্ দিয়ে শুরু করি। মানে কিছু তথ্য- যেগুলো আপনি গুগলেও পাবেন। পেনি ড্রেডফুল হচ্ছে উনিশ শতকের গপ্পের প্রকাশনা। হিস্টোরিয়ান জুডিথ ফ্ল্যান্ডার্সের মতে, এই বোরিং গপ্পোগুলো সময়ের সাথে ভিক্টোরিয়ান সিটিজেনদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো। কিন্তু আমরা তো ‘হিলারিয়াস পাবলিক’, আমাদের কি আর এসব ভালো…

"পেনি ড্রেডফুল- দ্যা ব্লেসড ডার্ক"

আমাদের একজন হুমায়ূন ফরীদি ছিলেন…

লেখাটি মূলত হুমায়ূন ফরীদির জীবনের কিছু ঘটনা নিয়ে যা বেশিরভাগ মানুষের কাছেই অজানা, আবার অনেকে জেনেও থাকতে পারেন। তথ্যগুলো যোগাড় করতে আমার কি পরিমাণ কষ্ট হয়েছে, সেটা শুধু আমি জানি। বাংলাদেশ বলে কথা, এখানে শিল্পীর মূল্য দেয়াটা স্রেফ দুঃস্বপ্নের মতো! ইউটিউবে সার্চ করলে পাচিনো, ক্যাপ্রিও, অমিতাভ বচ্চন, আমির খান, শাহরুখ খানের এক সপ্তাহে দেয়া যেই পরিমাণ সাক্ষাৎকারের ভিডিও পাই, ফরীদির সারা জীবনের দেয়া সাক্ষাৎকারের ভিডিওর পরিমাণ তাদের এক সপ্তাহের সমান হয় না! আফসোস! অথচ মানের দিক…

"আমাদের একজন হুমায়ূন ফরীদি ছিলেন…"

শুভ জন্মদিন গালে টোল পড়া হাসির মেয়ে প্রীতি জিনতা

আর্মি অফিসার বাবা চেয়েছিলেন তার মেয়ে এমন কিছু করুক- যেটা ডিফারেন্ট, অন্য দশটা কাজের থেকে আলাদা। মেয়েও সেটাই চাইতেন। তবে চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল তার বাবা দেখে যেতে পারেননি। মেয়ের বয়স যখন মাত্র ১৩, তখন তার বাবা রোড এক্সিডেন্টে মারা যান, সেই গাড়িতে মেয়ের মাও উপস্থিত ছিলেন। বাবা তো চলে গেলেন না ফেরার দেশে, মা বেঁচে গিয়েও মরে রইলেন, এই ঘটনার পর তিনি বিছানাতে চিরস্থায়ীভাবে বন্দী হলেন। বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে তার মিষ্টি হাসি দেখে তাকে…

"শুভ জন্মদিন গালে টোল পড়া হাসির মেয়ে প্রীতি জিনতা"

শুভ জন্মদিন ক্রিশ্চিয়ান বেল

“এম্পায়ার অফ দ্যা সান” সিনেমার অডিশন চলছে। ভিন্ন চরিত্র “জিম”-এ অভিনয় করার জন্য লাগবে নতুন মুখ। পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ চার হাজার বাচ্চা ঘেঁটে ফেলেছেন ইতিমধ্যে, কিন্তু পছন্দ হচ্ছে না। এখন তার মাথায় হাত! পরিকল্পনা-স্বপ্ন সব ভেস্তে যাচ্ছে। বেশিরভাগ বাচ্চাকে জিম চরিত্রের জন্য তার পছন্দ হচ্ছে না, আর যাদের পছন্দ হচ্ছে তাদের পরিবারকে তিনি রাজি করাতে পারছেন না। এগিয়ে আসলেন তার স্ত্রী। তার একজন পরিচিত শিশু অভিনেতা আছে, যার সাথে এক টিভি সিরিয়ালে তিনি কাজ করেছিলেন,…

"শুভ জন্মদিন ক্রিশ্চিয়ান বেল"

রাজকুমার হিরানি- কতটা ভাল ডিরেক্টর?

হেডলাইন দেখেই বেশিরভাগের চমকে ওঠার কথা। অনেকের হয়তো সিনেমানুভুতিতে আঘাত লেগে গেছে অলরেডি। অনেকে হয়তো হাতের মুঠো শক্ত করে ফেলেছেন, অনেকের হয়ত মুখে প্রায় গালি চলে এসেছে। অনেকে হয়তো ইতিমধ্যেই বলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন- বলিউড এর বেস্ট ডিরেক্টর হলেন হিরানি- আর তুই কিনা ব্যাটা তার সিনেমা নিয়ে সন্দেহ করিস? সিনেমা বুঝিস কিছু? আমি বুঝি কি বুঝিনা, সেটা নিয়ে আরেকদিন আলোচনা হবে। আপাতত আমি আমার যুক্তিগুলো তুলে ধরতে চাই। আশা করি যুক্তি শোনার পরে লাইক দিয়ে পাশেই…

"রাজকুমার হিরানি- কতটা ভাল ডিরেক্টর?"

রুপালী পর্দার রাজা | রাজ্জাক

কলকাতার অলিতে গলিতে তখন ফুটবল ক্রেজ ছিলো ভীষন রকমের। ফুটবলে তিনি ছিলেন অসাধারন!! গোলকিপার হিসেবে তার সুনাম ছড়িয়ে গিয়েছিলো গোটা এলাকায়। ডানপিটে এক দুস্টু ছেলে যার একমাত্র ইচ্ছে যেভাবেই হোক হতে হবে ফুটবলার। অথচ ছোট্ট একটি ঘটনায় ঘুরে যায় তার জীবন। স্কুলে যিনি তার গেইম টিচার তিনি তাকে ডেকে নিয়ে গেলেন। ফুটবলীয় দিকনির্দেশনার বদলে টিচার তাকে জানালেন, শিশুতোষ নাটক “বিদ্রোহী”র কেন্দ্রীয় চরিত্রে তাকে মঞ্চে অভিনয় করে দেখাতে হবে। স্বরসতী পূজা উপলক্ষ্যে করা সেই নাটকটি দিয়েই…

"রুপালী পর্দার রাজা | রাজ্জাক"

রঙিন পর্দার নায়কের গল্প…

১৯৬৪ সাল। ভারত-পাকিস্তান ভাগ হয়েছে দেড়যুগ আগে। এর মধ্যে পূর্ব বাংলার নারায়নগঞ্জ এবং ঢাকার কয়েকটি স্থানে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় ওপার বাংলাসহ ভারতের বেশ কিছু অঞ্চলে শুরু হলো হিন্দু-মুসলমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। সেই উত্তাল সময়ে ছেলে বাপ্পা আর স্ত্রী লক্ষীকে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঢাকায় পা রাখলেন আবদুর রাজ্জাক নামের বছর বাইশের এক চটপটে যুবক। কলকাতার ছবিপাড়া খ্যাত টালিগঞ্জে জন্মেছিলেন এই তরুণ, ১৯৪২ সালের এই দিনে। অভিনয়ের সাথে সখ্যটা তাই বেশ দ্রুতই গড়ে ওঠে। জড়িত ছিলেন মঞ্চের সাথে।…

"রঙিন পর্দার নায়কের গল্প…"

শুভ জন্মদিন জিম ক্যারি!

গভীর রাত। শহরের প্রায় প্রতিটি মানুষ তখন গভীর ঘুমে অচেতন। আট বছরের এক ছেলের চোখে শুধু ঘুম নেই। বিছানায় শুয়ে সে নিজের জুতোজোড়া পরে একদম রেডি। ততদিনে তার জানা হয়ে গেছে, রাতের বেলা শান্তিমত ঘুমানোর কপাল নিয়ে সে এই পৃথিবীতে আসেনি। যদিও তাতে তার কিচ্ছু যায় আসে না, বরং সে খুশি! একটু পরেই পাশের রুম থেকে গোঙানির আওয়াজ আসতে লাগলো। ছোট ছেলে লাফ দিয়ে বিছানা থেকে উঠল। এই গোঙানিই তার জন্য সংকেত। তাকে এখন পারফর্ম…

"শুভ জন্মদিন জিম ক্যারি!"

শাকিব খানরা সময়ানুবর্তীতা মেনে চললে সেটা নিউজ হয়!

হ্যাপি নিউ ইয়ার সিনেমার একটা প্রেস কনফারেন্সে শাহরুখ খানসহ সিনেমার বাকি সবাই অনেক লেট করে আসেন। প্রায় চার ঘণ্টার কাছাকাছি সাংবাদিকদের অপেক্ষা করতে হয়। শাহরুখসহ সবাই যখন আসলেন, সাংবাদিকরা ততক্ষণে রেগে আগুন বলতে গেলে। শাহরুখ বারবার মাফ চাইলেন, সরি বললেন, ফারাহ খান থেকে শুরু করে বাকি সবাই সেম কাজ করলেন। কোন লাভ হলো না। এমনকি শাহরুখ এটাও বললেন, সেখানে উপস্থিত সব সাংবাদিককে তিনি আলাদা করে সময় দিবেন, সিনেমা নিয়ে সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিবেন। তাতেও…

"শাকিব খানরা সময়ানুবর্তীতা মেনে চললে সেটা নিউজ হয়!"

শুভ জন্মদিন বেজবাবা!

একটা গল্প বলি। । লোকটার ওজন ছিল ১৭৪ কেজি। আর দেড় বছরে সেই ওজন কমিয়ে নিয়ে আসেন ৮৮ কেজিতে! এই গল্পটা ডেডিকেশনের।  ২০১০ সালে তার প্রথমবার ক্যান্সার ধরা পড়ে। তারপর যখন ছয়বারের মতন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, ১২টা সার্জারি আর ৯টা ক্যামোথেরাপি দিতে হয়। ডাক্তার যখন তাকে সার্জারি করতে নিয়ে যায়, তাকে জানানো হয়- তিনি বাঁচতেও পারেন, নাও বাঁচতে পারেন। তখন তিনি বলে উঠেন- তার বাঁচতে হবে, কারণ পরের বছর হবিট এর সেকেন্ড পার্ট বের হবে,…

"শুভ জন্মদিন বেজবাবা!"

‘আমি আসলে কমার্শিয়াল, নন কমার্শিয়াল টাইপ সিনেমা ভাগ করতে পছন্দ করি না’

সাকিব- রোম্যান্টিক থ্রিলার সিনেমার ক্ষেত্রে যদি আপনাকে সুযোগ দেয়া হয় যে আপনি দেশ বিদেশের যে কাউকে নিতে পারবেন, কাকে নিবেন আপনি? ধরুন সব তৈরি, আপনার বাজেটও দেয়া হলো ঠিকমতো। কাকে নিবেন নায়ক হিসেবে? আদনান- (একটু ভেবে) নায়ক তাহলে মনে হয় আমি ইন্ডিয়া থেকে নিতে পারি। আমার একটু রনবির কাপুর টাইপ একজনকে লাগবে। সাকিব- মানে চকলেট বয়? আদনান- চকলেট বয়, আবার কোনো বডিবিল্ডার নায়ক না। আর নায়িকা যে কাউকে নিতে পারি, এখান থেকে বা কলকাতা থেকে।…

"‘আমি আসলে কমার্শিয়াল, নন কমার্শিয়াল টাইপ সিনেমা ভাগ করতে পছন্দ করি না’"

‘দর্শকদের কাছে টাকা কোনো ইস্যু না, ইস্যু হলো কন্টেন্ট…’

সাকিব- ফেসবুকে শুরুতে আপনার নাম ছিল প্রিয় আদনান ভাই। এই নামের কারণ কি? আবার এই নাম চেঞ্জ করে বর্তমান নাম মানে আদনান আল রাজীব নাম দেয়ার কারণ? আদনান- শুরুতে আমি যখন আসলে ফেসবুকে আসি, তখন ফেসবুক ওয়াজ ফর ফান। তখন তো সবাই ফেসবুকে ছিলও না। আমিও ফেসবুকের ব্যাপারে খুব একটা সিরিয়াস ছিলাম না, জাস্ট এই নামে একটা প্ল্যাটফর্ম আছে, সবার সাথে কানেক্টেড থাকা যায়- এই আর কি। তখন আমার একটা ফ্রেন্ড আমাকে বলল যে- তোমার…

"‘দর্শকদের কাছে টাকা কোনো ইস্যু না, ইস্যু হলো কন্টেন্ট…’"