ভারতের প্যাডম্যান: একজন অরুনাচালামের সোশ্যাল বিজনেসম্যান হয়ে ওঠার গল্প

ঘটনাটা ১৯৯৮ সালের দক্ষিণ ভারতের তামিলনাডুতে। ২৬ বছর বয়সী এক তরুণ, নাম অরুনাচালাম। বিয়ে করলেন শান্তি নামের এক মেয়েকে। পরিবারের পছন্দে বিয়ে করেছেন দুজন। খুব মায়াভরা মুখখানা দেখে বিয়ের দিনেই অরুনাচালাম ভালোবেসে ফেলেন শান্তিকে। এক কথায় শান্তিকে দেখলেই নিজের মনের ভেতর এক অন্যরকম শান্তি পেতেন অরুনাচালাম। বিয়ের কিছুদিন পরেই অরুনাচালাম লক্ষ্য করলেন, তার স্ত্রী মাসিকের সময় কোন নিরাপদ স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার না করে পুরনো কাপড় ব্যবহার করে, যা একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত না। তিনি তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস…

"ভারতের প্যাডম্যান: একজন অরুনাচালামের সোশ্যাল বিজনেসম্যান হয়ে ওঠার গল্প"

একজন ‘বাইক এম্বুলেন্স দাদা’- কারিমুল হকের গল্প!

লোকে তাকে ‘বাইক এম্বুলেন্স দাদা’ বলে ডাকে। এম্বুলেন্স দাদা কি ধরণের নাম! তার কি আর কোনো নাম নেই? নাম আছে। মানুষটার নাম কারিমুল হক। নামটা আপনার কাছে অপরিচিত কিংবা অখ্যাত হতে পারে। কিন্তু চমক রাখার জন্য আরেকটি তথ্য দেই। এই মানুষটিকে এ বছর ভারত সরকার পদ্মশ্রী পুরষ্কার দিয়ে সম্মানিত করেছে। পদ্মশ্রী ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা। এ বছর ক্রিকেটার বিরাট কোহলি, সংগীত শিল্পী কৈলাস খেরদেরও পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। কিন্তু কারিমুল হকের মতো নিতান্তই…

"একজন ‘বাইক এম্বুলেন্স দাদা’- কারিমুল হকের গল্প!"

চলো নেমে পড়ি স্বপ্নপূরণের মিশনে! | সাবিরুল ইসলাম

স্কুলে পড়ার সময় ইংরেজীতে রচনা লিখতে হতো, খুব পরিচিত একটা বিষয় ছিলো সেখানে- তোমার জীবনের লক্ষ্য। স্কুলের গণ্ডি পেরুনো এমন কেউ নেই বোধহয় যিনি এই লাইনটা পড়েননি কখনো- “A life without an aim is like a ship without a rudder.” বাংলা করলে দাঁড়ায়- “লক্ষ্য-উদ্দেশ্যবিহীন জীবন মাঝিবিহীন নৌকার মতন।” পরীক্ষার খাতায় বরাবর ডাক্তার হতে চাই, মানুষের সেবা করতে চাই- এসব পরিচিত কথা লিখে এলেও, জীবন নামের যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিমূহুর্তে আমাদের গলদঘর্ম হতে হয় নিজেদের জন্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ লক্ষ্য…

"চলো নেমে পড়ি স্বপ্নপূরণের মিশনে! | সাবিরুল ইসলাম"

ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড মানুষদের কাছ থেকে যা শেখা উচিৎ সবার

আপনি যে মানুষটাকে এই মুহুর্তে অপছন্দ করছেন, একটু মনোযোগ দিয়ে যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন তারও কিছু অসাধারণ দিক আছে। স্কুল কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকের এমন অভিজ্ঞতা আছে। প্রথম দিকে যাকে একেবারেই ভালো লাগেনি, পরে কোনো একসময় তার সাথেই খুব কঠিন বন্ধুত্ব হয়ে যায়! কেন হয় এমন? কারণ, প্রথমে আপনি মানুষটাকে বিচার করেছেন নিজের মতো করে। কিন্তু জীবনের কোনো এক পর্যায়ে এসে আপনি যখন তাকে তার অবস্থান থেকে বিচার করবেন, মনে হবে- নাহ, মানুষটা তো…

"ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড মানুষদের কাছ থেকে যা শেখা উচিৎ সবার"

স্টিফেন হকিং পেরেছেন, আপনি দমে যাচ্ছেন কেন?

আমরা, তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা অনেকেই জীবনের অনেক পাওয়া-না পাওয়া নিয়ে চরম হতাশায় নিমজ্জিত। আমরা বেশিরভাগ সময়েই নেতিবাচক চিন্তা করি। চিন্তা করি না, কতটুকু-ই বা শেষ হয়েছে জীবনের! জীবনের কতটুকু দেখেছি আমরা? কতটুকুই বা কাজ করেছি জীবনকে সাজাতে! নিজের ছোট ছোট না পাওয়া আর অক্ষমতা নিয়ে যখন আমরা হতাশ, তখন কি কখনো চিন্তা করেছি, দুনিয়ায় আরও কষ্টে আছে মানুষ! কতজন কত সমস্যা নিয়েও জয় করছে বিশ্ব! সেরকম একজন বিশ্বজয়ী কিংবদন্তীতুল্য ব্যক্তিত্ত্ব স্টিফেন হকিং। সকল প্রতিকূলতাকে জয়…

"স্টিফেন হকিং পেরেছেন, আপনি দমে যাচ্ছেন কেন?"

বদলে যাওয়ার গল্পটা শুরুটা হোক বাংলা বছরের প্রথম দিন থেকেই!

নতুন বছর শুনলেই মনের ভেতর একটা আমেজের সৃষ্টি হয়। নতুন সকাল, নতুন সূর্য! প্রকৃতি-পরিবেশ সব তো আগের মতোই, তবু নতুন বছর আসলে কেমন যেন একটা অন্যরকম ভালো লাগা দোল খেয়ে যায় মনের কোণে! যেন পুরনো সব গ্লানি ঝেড়ে ফেলে আবার নতুন করে পথচলার শুরু। তবে প্রায়ই একটা শুভ উদ্যম দিয়ে বছর শুরু হলেও, তার লেশমাত্র খুঁজে পাওয়া যায় না বছরজুড়ে। অন্যান্য বছরের মতো এটাও কি সেই আগের মতোই ক্যালেন্ডারের পাতা ওল্টানোর মতো করে কেটে যাবে? নাকি…

"বদলে যাওয়ার গল্পটা শুরুটা হোক বাংলা বছরের প্রথম দিন থেকেই!"

আজকের গুগল ডুগলের কীর্তিমান বাংলাদেশীকে নিয়ে ৫টি তথ্য

“The technical man must not be lost in his own technology. He must be able to appreciate life, and life is art, drama, music and, most importantly, people.” উপরের উক্তিটি সেই মানুষটার যাকে গতকাল রাত ১২টা থেকে বাংলাদেশসহ মোট ১১টি দেশ থেকে গুগল ডুডল হিসেবে দেখছে। মানুষটির নাম ডঃ ফজলুর রহমান খান, ডঃ এফ আর খান! বিশ্ববরেণ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার, শিকাগোর উইলিস টাওয়ার (আগের নাম ছিল সিয়ারস টাওয়ার) নামক সুউচ্চ টাওয়ারের নির্মাতা! সবচেয়ে বড় কথা হলো,…

"আজকের গুগল ডুগলের কীর্তিমান বাংলাদেশীকে নিয়ে ৫টি তথ্য"

কর্মক্ষেত্রে যা বলবেন, যা বলবেন না

আমরা ব্যক্তিগত জীবনে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে যেমন ব্যবহার করে থাকি, যেসব কথা বলে থাকি; কর্মক্ষেত্রে কি ঠিক সেরকম করা যাবে? অবশ্যই না! সেখানে আপনাকে আদ্যোপান্ত ‘প্রফেশনাল’ হতে হবে, কথায় বিনয় ও ইতিবাচকতা ফুটিয়ে তুলতে হবে। আসুন জেনে নেই কিছু কমন কথা, যেগুলো কর্মক্ষেত্রে আমাদের অতি অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিৎ।  ১। “এটা আমার মাথাব্যথা না।” কেউ যখন আপনার সহায়তা কামনা করে এবং আপনি যদি তাকে এভাবে ফিরিয়ে দেন, তাহলে লোকে ভাবতে পারে আপনি স্বার্থপর। এবং এই…

"কর্মক্ষেত্রে যা বলবেন, যা বলবেন না"

থাকুন নিজের টাইমজোনে, সময় আসবেই!

নিউইয়র্ক তো ক্যালিফোর্নিয়া থেকে তিন ঘন্টা এগিয়ে। ক্যালিফোর্নিয়াতে যখন ভোর হয় নিউইয়র্কে তখন সকাল। তার মানে এই নয় ক্যালিফোর্নিয়া স্লো কিংবা নিউইয়র্ক ফাস্ট! তারা তাদের নিজস্ব সময়ে কাজ করছে। কারণ, এটাই তাদের টাইম জোন! আপনি হয়ত এখনো সিংগেল। জীবনের নানান হিসেবের গরমিলে এখনো মনের মতো মানুষটাকে খুঁজে পাননি। অন্য দিকে আরেকজন বিয়ে করার পর ১০ বছর পরও সুখে নেই। কারণ এখনো সে প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে পারেনি। ততদিনে সিংগেল মানুষটার জন্য কেউ একজন হাত বাড়িয়ে…

"থাকুন নিজের টাইমজোনে, সময় আসবেই!"

ডিপ্রেসডদের যা বলবেন, যা বলবেন না

মন খারাপ থাকা বিষন্নতায় উপসর্গ হলেও, ছোটখাটো মন খারাপ থাকা মানেই সেটি বিষন্নতা নয়। বিষন্নতা একটি ভয়াবহ রোগ, যা তিলে তিলে শেষ করে দেয় জীবনীশক্তি। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস তীব্র মন খারাপ থাকা কাউকে ধাবিত করতে পারে আত্মহত্যার দিকে। আমরা চারপাশজুড়েই এমন অনেকেই আছেন, যাদের মাঝে তীব্র মন খারাপ থাকার সবগুলো লক্ষণই দেখতে পাই। তবু ‘কী আর হবে, সব ঠিক হয়ে যাবে’- এসব ভেবে তাকে এড়িয়ে যাই, যা একদমই অনুচিত। হয়তো আপনার একটি…

"ডিপ্রেসডদের যা বলবেন, যা বলবেন না"

একজন র‍্যাঞ্চোর দাস শামালদাস চাঞ্চাডের গল্প!

ফুংসুখ ওয়াংডুর কথা মনে আছে? ওই যে থ্রি ইডিয়টস মুভির সেই খেয়ালী বিজ্ঞানী, যে কিনা প্রথাগত শিক্ষার বিবেচনায় অসাধারণ প্রতিভাবান হয়েও একঘেয়ে আর ভালো ফলাফলনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অভিনব উপায়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিল, চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছিল উচ্চশিক্ষার নামে বাগাড়ম্বরের অসারতা? সেলুলয়েডের পর্দার সেই র‍্যাঞ্চোর দাশ কিন্তু কল্পনার কোন চরিত্র নন। আমির খান অভিনীত সেই চরিত্রটি তৈরি হয়েছিল বাস্তবের এক ফুংসুক ওয়ানডুর জীবনীর অনুপ্রেরণায়। তার নাম সোনম ওয়াংচুক। একাধারে প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী এবং শিক্ষা সংস্কারক…

"একজন র‍্যাঞ্চোর দাস শামালদাস চাঞ্চাডের গল্প!"

মন নয়, ভাবুন মস্তিষ্ক দিয়ে

এক ভদ্রমহিলা কথায় কথায় এক দিন বললেন, ‘আমার ছেলেটা পড়ে না, পড়লে খুব ভাল করতো। আপনি কি জানেন কি করলে সে পড়বে?’ এই প্রশ্ন আমাকে করার কারণ খুঁজে পাইনি, হয়তো তিনি অনেকের কাছেই এর উত্তর খুঁজে বেড়ান। কথা শুনে উদাস হয়ে গেলাম, এই অভিযোগ স্কুল ছাত্রদের সবার মায়েরই থাকে। আমার আম্মারও ছিল। এবং আমিও নিয়মিত লেখাপড়া করতাম না। প্রচুর অবহেলা আর গাফিলতি হয়েছে। হতে পারে সিস্টেম ভাল না, নেতিবাচক দুনিয়া ছিল, উৎসাহ উদ্দীপনাও কম ছিল,…

"মন নয়, ভাবুন মস্তিষ্ক দিয়ে"