প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস দুটো আসলেই আমাদের মনের মধ্যে টাকডুম বাজনা বাজা শুরু হয়ে যায়। কারণ এই টাইমটাতে ক্রিকেটের সিজন শুরু এবং শুরু হয়ে যায় আমাদের নিজস্ব ডমেস্টিক ফ্র্যাঞ্চাইজভিত্তিক টি টোয়েন্টি লিগ, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বা বিপিএল। জাতি হিসেবে যেহেতু আমরা ক্রিকেটপাগল; সাকিব, তামিম মাশরাফিরা আমাদের জাতীয় আইকন- সুতরাং এই বিপিএলটা ক্রিকেটপাগল জাতিটার জন্য উৎসবের আরেকটা উপলক্ষ বলাই চলে। চমকদার সব বিদেশী প্লেয়ার, মাঠ কাঁপানো চার ছয়ে গ্যালারী যখন প্রকম্পিত, তখন টিভির সামনে কিংবা কানে হেডফোন গুঁজে রেডিওর ধারাভাষ্য শোনা মানুষের সংখ্যাও কম নয়!

সেই ২০১৩ সাল থেকে শুরু, দেখতে দেখতে বিপিএল এই বছর গড়িয়েছে সিজন ফাইভে। গত পাঁচ বছরে বিপিএলের উন্নতি হয়েছে বটে, এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে জাতীয় স্বার্থে বিপিএলের অবদান কতটুকু সেটা নিয়ে কিন্তু নিউট্রাল পয়েন্ট থেকে চিন্তা করলে অনেক কিছুই বলা যায়।

দেখুন, বিপিএল এর জন্ম কিন্তু ওই ইংলিশ ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি, অস্ট্রেলিয়ান বিগব্যাশ আর সাউথ এশিয়ার সুপার ডুপার বাম্পার হিট ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগ আইপিএলের হাত ধরেই। একটা মজার গল্প বলি, সবার আগে ফ্র্যাঞ্চাইজভিত্তিক টুর্নামেন্টের নাম হচ্ছে আইসিএল, যেখানে বাংলাদেশের কিছু খেলোয়াড় বোর্ডের নির্দেশ অমান্য করে খেলতে গিয়ে সাময়িক নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। সেই আইসিএলে বিশ ওভার ফরম্যাটে প্রথম শতক হাঁকিয়েছিলেন অলক কাপালি। হ্যাঁ, আমাদের অলক কাপালি। আফসোস যে আইসিএল কখনো অফিশিয়াল স্বীকৃত লাভ করে নি, করলে হয়তো টি টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হতে পারতেন আমাদেরই একজন, অলক কাপালি।

সেই গল্প এতটুকুই থাক, অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে টি টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগ এখন মোটামুটি সব ক্রিকেট প্লেয়িং দেশেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আইপিএল, পিএসএল, সিপিএল, বিগ ব্যাশ, ন্যাটওয়েস্ট টি টোয়েন্টি ব্লাস্ট, আফগান প্রিমিয়ার লিগ এবং বিপিএল, সবই কিন্তু এখন বাণিজ্যিক দিক থেকে চিন্তা করলে সুপার ডুপার হিট! সব হার্ড হিটার টি টোয়েন্টি সুপারস্টাররা বিশাল অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজভিত্তিক দলের হয়ে খেলেন।

যাই হোক, ফিরে আসি বিপিএল প্রসঙ্গে। এবারের বিপিএলে চালু হয়েছে এক নতুন নিয়ম। বেশি বেশি বিদেশী খেলোয়াড়কে বাংলাদেশ মুখী করার জন্য বিসিবি ঘোষণা দিলো, এইবারের বিপিএল এ প্রতিটি টিম তাদের একাদশে সর্বোচ্চ ৫ জন বিদেশী খেলোয়াড় খেলাতে পারবে। বাণিজ্যিক ভাবে চিন্তা করলে এটা তো অবশ্যই ভালো, বেশি বেশি বিদেশী স্টার মানে বেশি বেশি প্রচার। বেশি বেশি দর্শক আসবে খেলা দেখবে, স্পন্সরও থাকবে বেশি। শত কোটি টাকার বিজনেস। সব মিলিয়ে ওই যে বললাম, সুপার ডুপার হিট!

কিন্তু, এই সব কিছুর বাইরেও এইসব টি-টোয়েন্টি লিগের একটা উদ্দেশ্য রয়েছে। সেটা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব ইয়াংস্টার, প্রমিসিং প্লেয়ার যারা কিনা ন্যাশনাল টিমে আসার চান্স পাননি এখনো, তাদের একটা প্ল্যাটফর্ম হয়। বোর্ড সিলেক্টররা মাঠে থাকেন, পারফরম্যান্সের বিচারে নতুন খেলোয়াড়দের দলে টানার জন্য যা যা করা দরকার সেগুলো করেন। ইনফ্যাক্ট এটাই একটা মাধ্যম নতুন উদীয়মান খেলোয়াড়দের সুযোগ দেয়ার।

সেখানে গিয়ে আমরা ৫ জন বিদেশী খেলোয়াড় খেলানোর সুযোগ করে দিলাম। এতে কতিপয় সংগঠন এর বাণিজ্যিক লাভ ছাড়া জাতীয় ক্রিকেটের জন্য কি খুব ভালো কিছু হল? আইপিএল এ কিন্তু নিয়ম আছে, সর্বোচ্চ ৩ জন বা চার জন বিদেশী খেলানো যাবে এবং সেই সাথে যে স্টেটের দল সেই স্টেটের প্রমিসিং খেলোয়াড়দেরও সুযোগ দিতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক। কোটা দেয়া থাকবে, সেই কোটায় লোকাল প্লেয়ার একাদশে সুযোগ পাবে। আমাদের বোর্ড সেটা ভুলে গেছেন।

ধরুন আপনার দলে ১১ জন খেলোয়াড় থাকবে। তার মধ্যে ৫ জন আপনি নিয়ে নিলেন বিদেশি। বাকি থাকলো ৬ জন, যার মধ্যে ন্যাশনাল টিমের আইকনিক প্লেয়ার থাকলো ১ জন, যেমন ধরুন সাকিব আল হাসান। সাথে আরো অন্তত ২ জন ন্যাশনাল টিমের প্লেয়ার আপনি নিলেন। বাকি থাকলো আর ৩ জন। এই ৩ জনের অন্তত ১ জন থাকবে ন্যাশনাল টিমে রেগুলার না কিন্তু স্কোয়াডে থাকেন এমন প্লেয়ার। আর বাকি ২ জন হলো ন্যাশনাল ডিভিশনাল ক্রিকেটে ভালো করছে এমন খেলোয়াড়। তাহলে, জেলা ক্রিকেট বা ডিভিশনাল ক্রিকেটে যেসব খেলোয়াড় চমক দেখাচ্ছে তাদের সুযোগটা রইলো কই। আজ যদি রংপুর এই ফরম্যাট ফলো করে, তাহলে রংপুর বিভাগীয় ক্রিকেটে যে ছেলেটা ভালো বল করছে বা ভালো ব্যাটিং করছে তার সুযোগটা রইলো কই?

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আমরা এমনিতেও তলানির দল। একেবারে ১০ নাম্বারে। বলতে দ্বিধা নেই যে যুদ্ধবিদ্ধস্ত আফগানিস্তানও আমাদের চাইতে ভালো টি টোয়েন্টি খেলে। তাদেরও বিশ্বমানের লিথাল লেগ স্পিনার আছে যেটা আমাদের নেই। ইন ফ্যাক্ট, আফগানিস্তানে একটা ডেডিকেটেড ক্রিকেট একাডেমীই আছে যেখানে শুধুমাত্র লেগস্পিনার গড়ে তোলা হয়। আর আমরা এখনো ইন্টারন্যাশনাল টি টোয়েন্টি ম্যাচ জিততে পারি না ঠিকমত। কারণ কেন? আমাদের টি টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলার মত হার্ড হিটার নেই। উইন্ডিজদেরকে দেখুন, তাদের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগের টিম গুলোর পছন্দ, কারণ এরা সবাই হার্ড হিটার। অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগ থেকেও ক্রিস লিন এর মত ব্যাটসম্যান উঠে এসেছেন যারা কিনা অসাধারণ টি টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান। শুধু তাই নয়, পাশের দেশ ভারতেও অসাধারণ সব টি টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান রয়েছেন যারা আইপিএলে তো ভালো খেলেনই, ন্যাশনাল টিমের টি টোয়েন্টি ফরম্যাটে দারুন পারফর্ম করেন। আবার এবিডি ভিলিয়ার্স, ভিরাট কোহলির ভার্সেটাইল প্লেয়ারও আছেন যারা সব ফরম্যাটে দারুণ খেলেন।

আর আমরা খেলি ইমরুল কায়েসকে নিয়ে। বিপিএলে সেরা ৫ রান সংগ্রাহকের মধ্যে এখন কিন্তু ন্যাশনাল টিমে তার গড় মাত্র ৯! কারণ তিনি ইন্টারন্যাশনাল টি টোয়েন্টি ভালো পারফর্মার নন; কেউ অফেন্ডেড হলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। ইমরুলের উপর আমার ব্যক্তিগত কোন ক্ষোভ নেই, জাস্ট স্ট্যাট প্রুভ করার জন্য বললাম। কিন্তু আমাদেরই বা অপশন কই হাতে? ভালো টি টোয়েন্টি ফরম্যাটের খেলোয়াড় লাগবে আমাদের। হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান লাগবে। কয়জন আছে জাতীয় দলে? নতুন যারা উঠে আসবে, তাদের আসার পথও তো আমরা বন্ধ করে দিলাম ৫ জন বিদেশী খেলিয়ে!

এই তো গেল ৫ বিদেশীর গল্প! এবার আসি বিপিএলের ব্যবস্থাপনা নিয়ে। মাঠ এবং ম্যাচের আনুসঙ্গিক বিষয়াদির দিকেই নজর দেয়া যাক! প্রথম যেই জিনিসটা সবার চোখে লাগবে সেটা হচ্ছে এবারের বিপিএল এর আম্পায়ারিং। দেশী আম্পায়াররাতো রীতিমত প্রতিযোগীতায় নেমেছেন যে এবারের বিপিএল এ কে কার চাইতে বাজে আম্পায়ারিং করতে পারেন। একটা সামান্য এলবিডব্লিউ কল দিতে তারা করছেন বিরাট ভুল। বল টা স্টাম্পে হিট করছে কি করছে না সেটা যেন তারা ধরতেই পারছেন না! তাও একবার নয়, একই আম্পায়ার একাধিকবার এই ভুলটি করছেন। এখন তার সাথে যুক্ত হয়েছেন কিছু বিদেশী আম্পায়ার যারা খুব কমই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে সুযোগ পেয়েছেন। একমাত্র নাদির শাহ বাদে এবারের বিপিএলের বাকি বিদেশী আম্পায়ারদের কয়জন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে পর্যাপ্ত আম্পায়ারিং করেছেন সেটা নিয়ে রিসার্চ করতে গেলে বিপিএল পুরোটাই শেষ হয়ে যাবে। সেই আম্পায়াররাও করছেন একই ধরণের আম্পায়ারিং এরর! এমনিতেও টি টোয়েন্টি একটা প্রেশারের ম্যাচ, সেই প্রেশারে যদি একজন আম্পায়ার সহজ একটা ডিসিশনে ভুল করেন তাহলে খেলোয়াড়দের মানসিক চাপ ধরে রাখাটা যথেষ্ট কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়! অথচ আম্পায়ারদের ভুলের কারণেই ইতোমধ্যে শাস্তি পেয়েছেন তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান সহ অনেকেই! এত বিশাল বাজেটে বিপিএল হচ্ছে, আইসিসি এলিট আম্পায়ারিং প্যানেল কিছু আম্পায়ার কে কি আনা যেতো না এবারের বিপিএল এ? কিডনী বেঁচে না হয় আইফোন কিনতে হয়, তবে আম্পায়ার আনতে নিশ্চয়ই আয়োজকদের কিডনী বেচার দরকার পড়তো না!

বিগত কয়েক বিপিএলে ভারতীয় প্রোডাকশন রিয়াল ইমপ্যাক্ট সকল টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিলেও গত দুই সিজন ধরে সেটার দায়িত্ব নিজ ঘাড়ে নিয়েছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান টিএসএম। এখন পর্যন্ত ক্যামেরার কোয়ালিটি, ইমেজ কোয়ালিটি, প্রোডাকশন যে লেজে গোবরে ছেড়ে তারা তা নিয়ে কিন্তু কোন সন্দেহ নেই। শুরুতেই তাদের এক্সিকিউটিভ আইসিসির নিয়ম ভেঙ্গে মাঠে ধূমপান করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন, এর আগেও ভদ্রলোকের(!) মাঠের মধ্যে সরাসরি হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ার রেকর্ড রয়েছে। বোর্ড চায় বিপিএল কোয়ালিটিসম্পন্ন হোক, বিশ্বে নাম ছড়িয়ে পড়ুক। আবার তারাই সমস্ত প্রোডাকশনের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন বিতর্কিত এক কোম্পানির হতে। এ যেন গাছের আগা কেটে গোড়ায় পানি ঢালার মতো ব্যাপার!

বিপিএলে নেই কোন ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম। নেই কোন হটস্পট। এমনকি ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগের মূল আকর্ষণ, এলইডি স্টাম্পটা পর্যন্ত ব্যবস্থা করতে পারেননি আয়োজকরা। স্পাইডারক্যামের কথা তো বাদই দিলাম। আপনি আয়োজক হয়ে যদি আয়োজনের পুরোটা ব্যবস্থাই করতে না করতে পারেন তাহলে আয়োজন করে লাভটা হলো কথায়। তরকারি রান্না করলেন, মশলা লবণ কিছুই না দিয়ে পরিবেশন করলেন, তো সেই তরকারি খাবেটা কে?

তারপরও কিন্তু আমরা বাঙালি জাতি সেই তরকারী গিলছি। এই যেমন গিলছি তরকারী মাঝে একটা অবাঞ্ছিত, অখাদ্য বস্তুর মত এই বিপিএল এর হোস্টিং? প্রথম কয়েক বিপিএল এ মাঠ কাঁপিয়েছিলেন কলকাতার সুন্দরী শিনা চৌহান। তারপর অবশ্য আমাদের দেশীয় হোস্ট আমব্রিনকে দায়িত্ব দেয়া হলো বিপিএল হোস্টিং এর, তখন হয়তো আমরা আমজনতা মাথা নাড়ছিলাম যে এর থেকে বাজে হোস্টিং মেইবি হতে পারে না।

কিন্তু না! আমাদেরকে ভুল প্রমাণ করার জন্যই যেন এবারের বিপিএল এর হোস্টিং এর দায়িত্ব তুলে দেয়া হলো হালের সেনসেশন, মডেল পিয়া এবং সেই সাথে রাশিয়া থেকে উড়িয়ে নিয়ে আসা সুন্দরী এলিনাকে। আমার প্রশ্ন হলো, যেই দেশে ক্রিকেট খেলা হয়ই না, সেই দেশ রাশিয়া থেকে একজন হোস্ট উড়িয়ে নিয়ে আসা হলো বাংলাদেশে। তাও আবার ক্রিকেট টুর্নামেন্টে হোস্টিং এর জন্য! এ যেন পাইলটকে দিয়ে জাহাজ চালানোর মত কাজ কারবার! তাও না হয় এলিনার কথা বাদ দেই, পিয়া তো হোস্টিংটা কত বাজেভাবে করা যায় সেটার রীতিমত একটা টিউটোরিয়াল দিয়েছেন। অবাঞ্ছিত, অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন, খেলোয়াড়কে মাঠের মাঝে টিভি ক্যামেরার সামনে ব্যক্তিগত বিষয় টেনে অপ্রস্তুত করে দেয়া, এবং সেই সাথে তার উদ্ভট অঙ্গভঙ্গিতে ইতোমধ্যেই টিভিতে খেলা দেখা দর্শকরা বিরক্ত! আমাদের পাশের দেশ মায়ান্তি ল্যাঙ্গারের মতো একজন ক্রিকেটিং সেন্স সম্বলিত হোস্টকে দিয়ে তাদের ক্রিকেট শো’গুলো করাচ্ছে, আর আমরা তখন গরু দিয়ে কিভাবে ঘোড়ার রেস খেলানো যায় সেই চেষ্টায় ব্যস্ত।

তবে লুকিং অ্যাট দ্যা ব্রাইট সাইড, বিপিএল ইজ গ্রোয়িং। আগের চাইতে ভালো ভালো খেলোয়াড় আসছেন, ক্রিকেট পাগল জাতির জন্য একটা বড় উপলক্ষ। কিন্তু একজন দর্শক হিসেবে সবাই চায় একটা সুন্দর আয়োজন। ভুল ত্রুটি থাকবে, এটা মানতে হয়। কিন্তু একটু চেষ্টা করলেই কিন্তু সেটা কমিয়ে আনা সম্ভব। তার জন্য সদিচ্ছা আর সঠিক প্ল্যানিং হলেই কিন্তু হয়ে যায়।

শুরুতে বলছি, আবারও বলছি। বিপিএল কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে সফল।

কিন্তু যখনই বৃহত্তর স্বার্থে, জাতীয় ক্রিকেটের স্বার্থে, নতুন খেলোয়াড়দের স্বার্থে বিপিএলের উপযোগীতা চিন্তা করি ঠিক তখন শিরোনামের কথাটাই মাথায় আসে,

এই বিপিএল লইয়া আমরা কি করিব?

Do you like this post?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid

আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিন-