“পাকিস্থানের পতাকা/ জ্বালিয়ে দাও- পুড়িয়ে দাও”

পহেলা মার্চ রাতেই বঙ্গবন্ধু সংবাদপত্রে এক দীর্ঘ বিবৃতি দেন (দৈনিক আযাদ,সংবাদ; ২রা মার্চ-১৯৭১)। তিনি বলেন “….সমগ্র বাংলাদেশ স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ প্রদর্শনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে প্রমান করে দিয়েছে যে, বাঙালিরা আর নির্যাতিত হতে রাজী নয় এবং তারা একটি ‘স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক’ হতে দৃঢ়সংকল্প….” ওই দিনেই তিনি দুপুরের দিকে হোটেল পূর্বানীতে ডেকে পাঠালেন সিরাজুল আলম খান, শেখ ফজলুল হক মনিদের। আর বললেন স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করতে। উল্লেখ করার মতো বিষয় হলো সেদিন ছাত্র ইউনিয়নের…

"“পাকিস্থানের পতাকা/ জ্বালিয়ে দাও- পুড়িয়ে দাও”"

এ গ্রেট এস্কেপ: মুজিব পর্ব-৩

(দ্বিতীয় পর্বের পর থেকে) হঠাৎ আজ কুয়াশা খুব বেশী। এই সময়টায় কুয়াশা এত পড়ার কথা না! বাইরে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না কিছুই। কুকুরগুলোও খুব ত্যাদড়, আর উল্টোপাল্টা রাতভর ডাকতে থাকে এই সময়ে। দরজায় শাবল চালানোর শব্দ শোনা যায়,পুলিশ তিন তলার রুমের দরজা ভাঙতে ব্যস্ত, এদিকে খুব একটা খেয়াল নেই। মুজিব ওদের দুজনকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে, বাইরে তীব্র কুয়াশা, ওদের উদ্দেশ্য অজানা! মুজিব জানেনা ওরা কোথায় যাচ্ছে! পেছনের গলি দিয়ে খোঁড়াতে খোঁড়াতে এগোয়, হঠাৎ মুজিবের…

"এ গ্রেট এস্কেপ: মুজিব পর্ব-৩"

এ গ্রেট এস্কেপ: মুজিব পর্ব-২

(প্রথম পর্বের পর থেকে…) ফরিদপুরের দত্তপাড়ার জমিদারেরা খুব নাম করা, আর ওই এলাকায়ও যথেষ্ট প্রভাবশালী। ওই বাড়ীর ছেলে সাইফুদ্দিন চৌধুরী ওরফে সূর্য মিয়া, মুজিবের আত্নীয়। সূর্য মিয়া রাত দুইটা পর্যন্ত জেগে জেগে মুজিবের সেবা করছে, মুজিবের পায়ে ব্যান্ডেজ, খানিক আগেও ব্যথায় কাতরাচ্ছিল। সূর্য মিয়া ভাবে মুজিবের শরীরে কত রক্ত! সূর্য মিয়া খুব যতন করে মুজিবের মাথায় হাত বুলায় আর ভাবে, পোলাডার ঘাড়ের রগ বেজায় ত্যাড়া……! সেদিন সভা শেষে মিছিল নিয়ে বেরিয়েছে ওরা তিনজন, পেছনে কয়েক…

"এ গ্রেট এস্কেপ: মুজিব পর্ব-২"

এ গ্রেট এস্কেপ: মুজিব পর্ব-১

২৩ শে জুন ১৯৪৯ আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম সম্মেলন শেষ হয়। সভাপতি হলেন আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারন সম্পাদক শামসুল হক আর শেখ মুজিব হল একমাত্র যুগ্ম সম্পাদক! খেলা কিন্তু শুরু! এদিকে পুরান ঢাকার প্রভাবশালী মানুষ ইয়ার মোহাম্মদ খান, যার এক ডাকে মুহুর্তের ভেতর কয়েক’শ মানুষ জড়ো হয়ে যায়, সেই তিনিও আওয়ামি লীগে যোগ দিলেন। নবাবজাদা লিয়াকত আলী খান সাহেব ১১ই অক্টোবর পূর্ব বাংলায় আসবেন! শেখ মুজিব ভাবেন, ওইদিন কিছু একটা করতে হইবোই! শেখ মুজিব…

"এ গ্রেট এস্কেপ: মুজিব পর্ব-১"

একটি পতাকার জন্ম! | egiye-cholo.com

১৯৭০ সালের ৭ জুন, পল্টন ময়দানে জয়-বাংলা বাহিনীর (যার আগে নাম ছিলো জহুর বাহিনী) কুচকাওয়াজ হবে আর বঙ্গবন্ধু সেই কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করবেন। ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম প্রধান সমন্বয়কারী। ৬ জুন রাতে হঠাৎ সিদ্ধান্ত, ওই কুচকাওয়াজে জয় বাংলা বাহিনীর একটা পতাকা থাকতে হবে, যেখানে গাঢ় সবুজের মাঝে থাকবে লাল বৃত্ত। কাপড় জোগাড়ের জন্য রফিকুলকে বললেন মনিরুল। রফিকুল ছাত্রলীগের মধ্যে ‘লিটল কমরেড’ নামে পরিচিত। রফিক, জগন্নাথ কলেজের ছাত্র নজরুলকে নিয়ে নবাবপুর চষে বেড়ালেন, পেলেন না কালচে সবুজ…

"একটি পতাকার জন্ম! | egiye-cholo.com"