কীভাবে চিনবেন একজন সাইকোপ্যাথকে?

আপনার আমার আশেপাশেই ভদ্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে থাকে সাইকোপ্যাথরা। কোন একটা অপরাধ করে ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত সাদা চোখে এদের চেনা অনেক কঠিন। মনোবিজ্ঞানীরা সাইকোপ্যাথদের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেছেন যা দিয়ে এদের কিছুটা শনাক্ত করা যায়। সাইকোপ্যথরা সাধারণত তাদের কিছু গুনাবলী ব্যবহার করে, নানাভাবে মানুষকে ম্যানিপুলেট করে নিজের স্বার্থ আদায় করে নেয়। (১) সাইকোপ্যাথরা অনেক সময়ই আকর্ষণীয় পার্সোনালিটির অধিকারী, মিশুক ও সামাজিক হয়। বলা যায় এই গুণগুলো দেখিয়ে সে তার সম্ভাব্য শিকারকে তার প্রতি…

"কীভাবে চিনবেন একজন সাইকোপ্যাথকে?"

সিনেমা নয়, উপলব্ধির নাম ‘কাঁকড়াবিদ্যা’!

কাঁকড়াদের একটি বিশেষ আচরণ সম্পর্কে আমরা অধিকাংশই জানি। তা হলো, যখন অনেকগুলো কাঁকড়া সংগ্রহ করে কোন ঝুড়ি বা বালতিতে রাখা হয়, তখন কিন্তু কাঁকড়াগুলোর শারীরিক সামর্থ্য থাকে নিজেদের সবগুলো পা ব্যবহার করে বালতি বেয়ে উঠে মুক্ত হওয়ার। কিন্তু কাঁকড়ারা কখনো তা করে উঠতে পারে না। কেন? এর কারণ হচ্ছে, কোন একটা কাঁকড়া যখন বালতির দেয়াল বেয়ে উঠতে থাকে, তখন অন্য কাঁকড়াগুলো তার পা ধরে টেনে নামাতে শুরু করে, সে চায় আরেকজনের গায়ের উপর উঠে নিজে…

"সিনেমা নয়, উপলব্ধির নাম ‘কাঁকড়াবিদ্যা’!"

অদ্ভুত সব মানুষ, বিচিত্র তাদের কাজকারবার!

চলতে ফিরতে কত আজব মানুষের গল্প শুনতে হয় আমাদের। কত অদ্ভুত চরিত্র আর ঘটনাই শুনি আমরা। কারো কারো ঘটনা শুনে সিনেমার গল্প মনে হয়, কারোটা শুনলে আমরা হতভম্ব হয়ে যাই, নিশ্চুপ হয়ে পড়ি। আজকের লেখা এরকম অদ্ভুত কিছু মানুষ নিয়ে!  ১। শিংওয়ালা দাদিমা ২০১০ সালে চীনের ১০১ বছর বয়সী ঝ্যাং রুফাং তার পাড়া-প্রতিবেশী আর সাংবাদিকদের মধ্যে সাড়া ফেলে দেন যখন তারা আবিষ্কার করে যে ঝ্যাং-এর কপালে একটি শিং গজাচ্ছে! এলাকার লোকজন কুসংস্কার বশে অনেক কিছু…

"অদ্ভুত সব মানুষ, বিচিত্র তাদের কাজকারবার!"

আপনাকে নিমন্ত্রণ পারফিউম নিয়ে এই গপসপে!

কথিত আছে, ফরাসী পুরষরা মধ্যযুগে গোসল করতো জীবনে মাত্র একবার- যখন সেনাবাহিনীতে ভর্তি হতে যেত! তাই আজীবন তাদের গা থেকে বোটকা গন্ধ বের হতো! তবে এজন্য তাদের দোষ দেয়ার সুযোগ নেই সম্ভবত। তখন তো হট শাওয়ারের ব্যবস্থা ছিল না, শীতের দেশে বরফঠান্ডা পানিতে কে আর গোসল করবে! আমাদের দেশেও শীত এলে অনেকে বহুদিন গোসল না করে কাটিয়ে দেয়। যাই হোক না কেন, এই গায়ের গন্ধ ঢাকার জন্যই পারফিউমের ব্যবহার শুরু হয়েছিল, সম্ভবত ফ্রান্সের লোকের গায়ের…

"আপনাকে নিমন্ত্রণ পারফিউম নিয়ে এই গপসপে!"

বিচ্ছিন্ন এক অদ্ভুত জগত- তিব্বত!

ছোটবেলা থেকেই “পৃথিবীর ছাদ”, “নিষিদ্ধ নগরী লাসা” ইত্যাদি শুনতে শুনতে তিব্বত সম্পর্কে এক রহস্যময় ধারণা জন্মায় সবার মনে। তিব্বত মানেই যেন এক তন্ত্রমন্ত্রের অদ্ভুত জায়গা! এখন চীনের অংশ হলেও শত শত বছর তিব্বত স্বাধীন দেশ হিসেবেই ছিল,আর হিমালয়ের কারণে বিচ্ছিন্ন ছিল সারা দুনিয়া থেকে। দীর্ঘদিন মানুষের প্রবেশাধিকার না থাকা, দুর্গম পরিবেশ, লামাদের কঠোরতা ও পর্যটক নিষিদ্ধের কারণে বাইরের পৃথিবীতে তিব্বত পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন এক অচেনা জগত। যে মৌসুমি বায়ুর কারণে আজ আমরা সুজলা-সুফলা দেশ পেয়েছি, সেই…

"বিচ্ছিন্ন এক অদ্ভুত জগত- তিব্বত!"

প্রতিনিয়ত নিজের সাথে যেসব মিথ্যে বলে চলেছি আমরা!

প্রতিনিয়তই নিজের সাথে মিথ্যে বলে চলেছি আমরা। এগিয়ে যেতে অপরাগতা প্রকাশ করছি কিংবা নিছক সাহসের অভাবে পিছিয়ে পড়ছি। আর তখনই স্রেফ নিজেদের প্রবোধ দেওয়ার জন্য আমরা সান্ত্বনাসূচক কথা বলি, সঙ্গে কবর দিয়ে দেই অজস্র সম্ভাবনাকে। চলুন দেখে নেই এ ধরণের কিছু সান্ত্বনার কথা, যেগুলো আমাদের এগিয়ে চলার পথ রোধ করে রাখছে।   ১। বোঝে না সে বোঝে না অনেকেই মনে করে- আমি একটু অন্যরকম, আমাকে কেউ বোঝে না। মজার ব্যাপার হচ্ছে বেশিরভাগ মানুষই এরকম ভাবে।…

"প্রতিনিয়ত নিজের সাথে যেসব মিথ্যে বলে চলেছি আমরা!"

যা আপনি মনে মনে ভাবছেন, তা হুট করেই ঘটে যায় কীভাবে?

আমাদের সকলেরই এমন কিছু কিছু ঘটনার মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে যা ঠিক যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না, সেগুলোকে আমরা কাকতালীয় বলে চালিয়ে দিতে চাই। যেমন- আপনি হয়তো আপনার কোন বন্ধুর কথা ভাবছেন, অনেক দিন তার সাথে যোগাযোগ নেই, সেই মুহুর্তেই হয়তো তার কাছ থেকে ফোন আসলো আপনার কাছে! অথবা হঠাৎ কোনো বন্ধুর সাথে রাস্তায় দেখা হয়ে গেল, তার সাথে আড্ডার ছলে এমন কিছু ব্যাপারে কথা হলো যাতে আপনার জীবনই পালটে গেল! অথবা আপনি কোনো…

"যা আপনি মনে মনে ভাবছেন, তা হুট করেই ঘটে যায় কীভাবে?"

কর্মক্ষেত্রে যা বলবেন, যা বলবেন না

আমরা ব্যক্তিগত জীবনে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে যেমন ব্যবহার করে থাকি, যেসব কথা বলে থাকি; কর্মক্ষেত্রে কি ঠিক সেরকম করা যাবে? অবশ্যই না! সেখানে আপনাকে আদ্যোপান্ত ‘প্রফেশনাল’ হতে হবে, কথায় বিনয় ও ইতিবাচকতা ফুটিয়ে তুলতে হবে। আসুন জেনে নেই কিছু কমন কথা, যেগুলো কর্মক্ষেত্রে আমাদের অতি অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিৎ।  ১। “এটা আমার মাথাব্যথা না।” কেউ যখন আপনার সহায়তা কামনা করে এবং আপনি যদি তাকে এভাবে ফিরিয়ে দেন, তাহলে লোকে ভাবতে পারে আপনি স্বার্থপর। এবং এই…

"কর্মক্ষেত্রে যা বলবেন, যা বলবেন না"

একখান চাবি মাইরা, দিছে ছাইড়া…

“একখান চাবি মাইরা, দিছে ছাইড়া”- বলে যত সরলভাবেই মানুষের শরীরকে বোঝানো হোক না কেন, মানবদেহের চাইতে জটিল যন্ত্র আর দ্বিতীয়টি নেই! আপাত চোখে স্বাভাবিক মনে হলেও কত অদ্ভুত ক্রিয়াকলাপে চালিত হয় এই শরীর। চলুন জেনে নেই বিস্ময়কর কিছু তথ্য- ১। মানুষের শরীর ৭ অক্টিলিয়ন অণু দিয়ে তৈরি।  ৭ অক্টিলিয়নের মানে ৭ এর পর ২৭টি শূণ্য বসালে যত হয় তত! ২। মানুষের শরীরে ৩৭ ট্রিলিয়ন কোষ আছে। ৩। মানুষের পাকস্থলীতে যে এসিড থাকে তা লোহাও হজম…

"একখান চাবি মাইরা, দিছে ছাইড়া…"

ডিপ্রেসডদের যা বলবেন, যা বলবেন না

মন খারাপ থাকা বিষন্নতায় উপসর্গ হলেও, ছোটখাটো মন খারাপ থাকা মানেই সেটি বিষন্নতা নয়। বিষন্নতা একটি ভয়াবহ রোগ, যা তিলে তিলে শেষ করে দেয় জীবনীশক্তি। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস তীব্র মন খারাপ থাকা কাউকে ধাবিত করতে পারে আত্মহত্যার দিকে। আমরা চারপাশজুড়েই এমন অনেকেই আছেন, যাদের মাঝে তীব্র মন খারাপ থাকার সবগুলো লক্ষণই দেখতে পাই। তবু ‘কী আর হবে, সব ঠিক হয়ে যাবে’- এসব ভেবে তাকে এড়িয়ে যাই, যা একদমই অনুচিত। হয়তো আপনার একটি…

"ডিপ্রেসডদের যা বলবেন, যা বলবেন না"

বিয়ের ৭০ বছর পর ওয়েডিং ফটোগ্রাফি!

পাশ্চাত্যের সমাজ সম্পর্কে আমাদের মনে যে ছবি গাঁথা, তাতে সে সমাজের নারী-পুরুষের সম্পর্কের ভঙ্গুর দিকটাই বেশি ফুটে উঠে। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু যুগলের প্রেমকাহিনীর খোঁজ পাওয়া যায় যা আমাদের ধারণার বাইরে। এই যেমন মাস তিনেক আগে ৯০ বছর বয়সী ফেরিস রোমেয়ার এবং ৮৯ বছর বয়সী মার্গারেট ঘটা করে পালন করলেন তাদের ৭০তম বিবাহ বার্ষিকী! তারা প্রেমে পড়েন সেই স্কুলে থাকতে, যুবক বয়সে বিয়ে করেন, একসাথে বুড়ো হন। এই পর্যন্ত খুব একটা অসাধারণ কোন গল্প…

"বিয়ের ৭০ বছর পর ওয়েডিং ফটোগ্রাফি!"

যে টিপু সুলতান ইংরেজদের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিলেন

আধুনিক যুদ্ধের একটা প্রধান অস্ত্র “ক্ষেপনাস্ত্র” বা মিসাইল প্রথম উদ্ভাবন এবং ব্যবহার কে করেছিলেন, তা কি বলতে পারবেন? এপিজে আবুল কালামের বইয়ে এর তথ্য জেনে ভীষণ অবাক হয়েছিলাম। তিনি নিজেও এটা জেনেছিলেন আমেরিকায় নাসার অফিসে গিয়ে একটা পেইন্টিং দেখে, যেখানে মিসাইল দিয়ে যুদ্ধের দৃশ্য আছে! হ্যাঁ, সেই ব্যক্তির নাম টিপু সুলতান। যাকে নিয়ে নব্বই দশকে নির্মিত সিরিয়াল “দ্য সোর্ড অফ টিপু সুলতান” দেখেনি, এমন কিশোর খুব কমই আছে। টিপু সুলতান ছিলেন মহীশূর রাজ্যের শাসনকর্তা, তার সময়ে…

"যে টিপু সুলতান ইংরেজদের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিলেন"