এই বোবা আর্তনাদ দেখার কেউ নেই?

হুমায়ূন আহমেদের “ঘেটুপুত্র কমলা” সিনেমা দেখেছেন? বাংলাদেশের হাওর অঞ্চল আরো নিখুঁতভাবে বললে, সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলের জলসুখা নামক গ্রামে আজ থেকে দেড়শ বছর আগে যে ঘেটুগানের জন্ম হয় তারই পটভূমিতে এই সিনেমাটি নির্মাণ করেন হুমায়ূন আহমেদ। হাওর এলাকায় বর্ষার মৌসুমে একটা বিস্তীর্ণ অঞ্চল পানিবন্দী হয়ে থাকে। সমুদ্রের মতো চারিদিকে তাকালে শুধু পানি ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না তখন। একই এলাকা শীতের দিনগুলোতে হয়ে যায় শুকনো খটখটে। কী আশ্চর্য! পর্যটন আকর্ষণ হিশেবে সম্প্রতি খুব জনপ্রিয় হয়েছে…

"এই বোবা আর্তনাদ দেখার কেউ নেই?"

একজন ‘বাইক এম্বুলেন্স দাদা’- কারিমুল হকের গল্প!

লোকে তাকে ‘বাইক এম্বুলেন্স দাদা’ বলে ডাকে। এম্বুলেন্স দাদা কি ধরণের নাম! তার কি আর কোনো নাম নেই? নাম আছে। মানুষটার নাম কারিমুল হক। নামটা আপনার কাছে অপরিচিত কিংবা অখ্যাত হতে পারে। কিন্তু চমক রাখার জন্য আরেকটি তথ্য দেই। এই মানুষটিকে এ বছর ভারত সরকার পদ্মশ্রী পুরষ্কার দিয়ে সম্মানিত করেছে। পদ্মশ্রী ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা। এ বছর ক্রিকেটার বিরাট কোহলি, সংগীত শিল্পী কৈলাস খেরদেরও পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। কিন্তু কারিমুল হকের মতো নিতান্তই…

"একজন ‘বাইক এম্বুলেন্স দাদা’- কারিমুল হকের গল্প!"

রোম যখন পুড়ছিল, নিরো কি তখন সত্যিই বাঁশি বাজাচ্ছিল?

রোম যখন পুড়ছিল, নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল– একটি বিখ্যাত প্রবাদ বাক্য। প্রবাদবাক্যটি শুনতে শুনতে একসময় কৌতূহল জাগলো। কে এই নিরো? রোমের অগ্নিকান্ড কীভাবে হলো, আর তিনি তখন বেহালা/বাঁশি কেন বাজাচ্ছিলেন? নিরো ছিলেন একজন রোমান সম্রাট। উইকিপিডিয়া জানাচ্ছে, রোমান সাম্রাজ্যের পঞ্চম সম্রাট ছিলেন তিনি। জুলিও-ক্লডিয়ান রাজতন্ত্রের সর্বশেষ রোমান সম্রাট এই নিরো। তবে নিরো সম্ভ বত রোমান সাম্রাজ্যের সবচেয়ে অজনপ্রিয় সম্রাট ছিলেন। ক্ষমতার অপব্যবহার তার চেয়ে বেশি আর কেউ করেনি। হত্যা, রক্তপাত তার প্রিয় বিষয়বস্তু। অসংখ্য হত্যাকান্ডের মূল…

"রোম যখন পুড়ছিল, নিরো কি তখন সত্যিই বাঁশি বাজাচ্ছিল?"

ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড মানুষদের কাছ থেকে যা শেখা উচিৎ সবার

আপনি যে মানুষটাকে এই মুহুর্তে অপছন্দ করছেন, একটু মনোযোগ দিয়ে যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন তারও কিছু অসাধারণ দিক আছে। স্কুল কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকের এমন অভিজ্ঞতা আছে। প্রথম দিকে যাকে একেবারেই ভালো লাগেনি, পরে কোনো একসময় তার সাথেই খুব কঠিন বন্ধুত্ব হয়ে যায়! কেন হয় এমন? কারণ, প্রথমে আপনি মানুষটাকে বিচার করেছেন নিজের মতো করে। কিন্তু জীবনের কোনো এক পর্যায়ে এসে আপনি যখন তাকে তার অবস্থান থেকে বিচার করবেন, মনে হবে- নাহ, মানুষটা তো…

"ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড মানুষদের কাছ থেকে যা শেখা উচিৎ সবার"

প্লেনে চড়ে যা যা অবশ্যই করবেন না!

ছোটবেলায় বাংলাদেশের বাইরে বাকি সব কিছুকে বিদেশ বলেই জানতাম। বিদেশফেরত কাউকে দেখলেই কত কিছু জানতে ইচ্ছে হতো! আচ্ছা ওই বিদেশে কি টাকা চলে, নাকি অন্য কিছু? আচ্ছা আপনারা কি খাবার খান? পোকামাকড়? আপনাদের ওখানে কি কি পাওয়া যায়? কত প্রশ্ন ! প্রশ্নের শেষ নেই। ছোটবেলায় কেউ বিদেশ থেকে আসবে শুনলে খুব অপেক্ষা করতাম। নিশ্চয়ই আসার সময় কত চকলেট, বিস্কুট, খেলনা নিয়ে আসবে সে। আকাশের ওপর উড়োজাহাজ দেখলেই মনে হতো এটাতেই করেই আসছে বুঝি! ভিনদেশ থেকে…

"প্লেনে চড়ে যা যা অবশ্যই করবেন না!"

ব্রুস লি- এক ক্ষণজন্মা সুপারস্টারের গল্প!

বয়স যখন বারো তখন রাস্তার বখাটে ছেলেদের হাতে তাকে একবার মার খেতে হয়েছিলো। এই ঘটনাটিই হয়তো তার জীবনকে পালটে দেয়। এরপরই তিনি মার্শাল আর্টে ঝুঁকে পড়েন। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রেও মার্শাল আর্টকে রুপায়ন করা হয় তারই হাত ধরে।  নাম তার ব্রুস লি। যিনি একাধারে অভিনেতা, মার্শাল আর্ট শিল্পী। যিনি ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা জ্যাকি চ্যানেরও আইডল। বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন বিংশ শতাব্দীর প্রভাবশালী একশ জন মানুষের একটি তালিকা করেছিলো। ব্রুস লি ছিলেন তাদের একজন। শুধু একজন মার্শাল আর্ট শিল্পী কিংবা…

"ব্রুস লি- এক ক্ষণজন্মা সুপারস্টারের গল্প!"

টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া দৌড়ে পার করেছেন যিনি!

ফিচারটি যখন লিখা হচ্ছে তখন তাকে নিতান্তই কৌতুহল থেকেই জিজ্ঞেস করছিলাম- “আচ্ছা নেক্সট এডভেঞ্চার কবে?” তিনি বললেন,  ‘এখন যাচ্ছি বাংলা চ্যানেল সাঁতার কাটতে।’ অবাক না হয়ে পারলাম না। কারণ, “নেক্সট” বলতেই আমরা বুঝি বহুদূরের ভবিষ্যৎ ভাবনা। কিন্তু মানুষটা যখন জানালেন তার “নেক্সট” শুরু হচ্ছে ঠিক এই মুহুর্তেই তখন অবচেতন মন তাকে স্বেচ্ছায় শুভ কামনা জানালো। উল্লেখ্য, এর আগেও তিনি দুই দুইবার বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দিয়েছিলেন। মানুষটার নাম মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাত। রিমেম্বার দ্যাট নেম! তিনিই প্রথম…

"টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া দৌড়ে পার করেছেন যিনি!"

যে দুবাইয়ের গল্প আমাদের অজানা

পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষনীয় শহরটার নাম দুবাই। কী নেই সেখানে? বিলাসবহুল আকাশছোঁয়া বিল্ডিংগুলো যেন চাঁদকে ছুঁয়ে ফেলবে। দামি দামি গাড়ি, সহজলভ্য স্বর্ণ, আয়েশী জীবনযাপন- ব্যস্ততম এই শহরে পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য যেন কোনো কিছুরই অভাব নেই। যে কেউ এই শহরে আসতে চাইবে। কিন্তু, চকচকে ও ফিটফাট এই শহরের রাতারাতি বদলে যাওয়া ও বিশ্ববাসীর নজরকে তাক লাগিয়ে দেয়া সুযোগ–সুবিধার আড়ালেও কিছু গল্প থাকে। সব গল্প যেমন আনন্দময় নয়, তেমনি দুবাইও ধারণ করে আছে কিছু গল্প, যা শুনলে…

"যে দুবাইয়ের গল্প আমাদের অজানা"

উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে ১০টি অজানা তথ্য!

উত্তর কোরিয়ার মতো পাগলাটে দেশ আর একটাও নেই। বাইরের পৃথিবী এবং উত্তর কোরিয়া দুইটাকে একসাথে মেলানো যাবে না। কারণ, তাদের নেতা কিম জং উন কোনো নিয়মই মানেন না। তার অসীম ক্ষমতাকে তিনি নিজের মতো করে ব্যবহার করেন। পৃথিবীর সাধারণ নিয়মকানুন উত্তর কোরিয়ার জন্য নয়। এখানে কিম জং উনের মুডের উপরই সব কিছু নির্ভর করে। সে চাইলে দুনিয়ার বিরুদ্ধে পারমানবিক যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারে, আবার মুড ভালো থাকলে নিজের জন্য পার্টিও দিতে পারে! এই পাগলাটে লোকটার…

"উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে ১০টি অজানা তথ্য!"

ক্রিকেট যখন শুধু বিনোদন নয়, অনুপ্রেরণারও বাইশ গজ!

ক্রিকেটারদের চকচকে জীবন, তাদের অগণিত ভক্ত আর বিপুল অর্থবিত্তের হাতছানিটা বাইরের গল্প। কারো কারো ভেতরের গল্পগুলো এত মসৃণ নয়। ক্রিকেটাররা শুধু বিনোদনের ফেরিওয়ালা নন, তারাও কখনো কখনো অনুপ্রেরণাদায়ী চরিত্র হতে পারেন। এমন কজন ক্রিকেটারের সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠার গল্প- যারা নিজেকে ছোট মনে করেন, বড় স্বপ্ন দেখতে ভয় পান, নিজের জীবন নিয়ে হতাশ, তাদের জন্য এই লেখাটি। মোহাম্মদ রফিক  দারিদ্রতা যে কি জিনিস, সেটা রফিকের চেয়ে কে ভালো জানে! বুড়িগঙ্গার তীর ঘেঁষা জিঞ্জিরা বস্তিতেই…

"ক্রিকেট যখন শুধু বিনোদন নয়, অনুপ্রেরণারও বাইশ গজ!"

থাকুন নিজের টাইমজোনে, সময় আসবেই!

নিউইয়র্ক তো ক্যালিফোর্নিয়া থেকে তিন ঘন্টা এগিয়ে। ক্যালিফোর্নিয়াতে যখন ভোর হয় নিউইয়র্কে তখন সকাল। তার মানে এই নয় ক্যালিফোর্নিয়া স্লো কিংবা নিউইয়র্ক ফাস্ট! তারা তাদের নিজস্ব সময়ে কাজ করছে। কারণ, এটাই তাদের টাইম জোন! আপনি হয়ত এখনো সিংগেল। জীবনের নানান হিসেবের গরমিলে এখনো মনের মতো মানুষটাকে খুঁজে পাননি। অন্য দিকে আরেকজন বিয়ে করার পর ১০ বছর পরও সুখে নেই। কারণ এখনো সে প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে পারেনি। ততদিনে সিংগেল মানুষটার জন্য কেউ একজন হাত বাড়িয়ে…

"থাকুন নিজের টাইমজোনে, সময় আসবেই!"

বিয়ার গ্রিলসও ভয়-টয় পান!

– নাম কি? – আজ্ঞে, বিয়ার গ্রিলস। – করো কি? – এডভেঞ্চার করে বেড়াই। – তাই নাকি! পাহাড় পর্বতে উঠতে পারো? – জি এটা তো হাতের মোয়া। – কুমিরের সাথে যুদ্ধ করতে পারবা? – কি বলেন, মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। কুমির তো ছাই মশাই! বাঘে মহিষে আর বিয়ার গ্রিলসে এক ঘাটে জল খায়। – ওরেব্বাহ! ঘন জঙ্গল ফংগলে একলা বিষাক্ত জীবজন্তুর সাথে থাকতে পারবা? – আন্ডারএস্টিমেইট করলেন নাকি! ফরেস্ট ইজ মাই হোম… – তুমি তো…

"বিয়ার গ্রিলসও ভয়-টয় পান!"