ভালোবাসার নেশা

– ড্যান্ডি খাস নারে ময়না। – ক্যা? তাইলে বাচুম ক্যামনে? – ভাত খামু। ভাত খায়া বাচুম। – তোর কি পিনিক বেশি হইছে? – নারে ময়না। আমি খাওয়া ছাইড়া দিমু। তুইও ছাইড়া দে। – মানিক, তুই কি খাইছত ক। আমারে থুইকা একলা একলা কি খাইছত? নারে ময়না, তোরে আমি অনেক ভালা পাই। চল না, আমরা সংসার শুরু করি। আমি রিক্সা চালামু। আর তুই ভাত রানবি। আমি বাড়ি আইয়া উমা গরম ভাতের লগে ডাল মাখায়া খামু। ময়না…

"ভালোবাসার নেশা"

আরেকটি শীতের সকাল…

শীতের সকাল। আমি কোচিংয়ে গিয়ে বসে আছি। এতো ভোরে কেউ আসে না। আমি আসি। ক্লাসের পিছনে যে জানালাটা আছে সেখানে বসে কুয়াশা দেখি। জানালার উপরের অর্ধেক সাদা কুয়াশা আর নিচের অর্ধেক শ্যাওলা পড়া দেওয়াল। কি অদ্ভুত। মনে হয় কেউ ক্যানভাসে আনমনে রং করে রেখেছে। আমার সাথে নীলার সম্পর্কটাও ওই সাদা কুয়াশা আর শ্যাওলা পড়া দেওয়ালের মত। ভুল করে সাদা কুয়াশা কিছুক্ষণের জন্য নিচে নেমে এসেছে, এসেই আরেকটা ভুল করে ওই শ্যাওলা পড়া দেওয়ালের সাথে বন্ধুত্ব…

"আরেকটি শীতের সকাল…"

কান্না-আকাঙ্খা-অপেক্ষা

মোর্শেদ স্যার একটু আগে পানি খেতে গিয়ে বিষম খেয়েছেন। এখনো গলা ঠিক হয়নি। সেই মুহুর্তে সাব্বির এসে দরজা নক করছে। মোর্শেদ স্যার গলা ঠিক করতে করতে সাব্বিরকে হাত নেড়ে ইশারা দিলেন ভিতরে আসার জন্য। সাব্বির কাঁচুমাচু মুখ করে ভেতরে ঢুকলো। রুমে এসি চলছে। সাব্বিরের এসির বাতাস সহ্য হয়না। দুই মিনিট যেতে না যেতেই হাত পা কাঁপতে শুরু করে। এর থেকে তাল পাতার পাখা হাজার গুনে ভালো। মোর্শেদ স্যার বললেন, “বসো, টাকা জমা দিছো?” “জ্বি স্যার…

"কান্না-আকাঙ্খা-অপেক্ষা"

ফ্রেমে বন্দী বিকেল

রাশেদকে ঘুম থেকে তোলা যাচ্ছে না। দুইদিন ধরে সে ঘুমিয়ে আছে। মেসের বড় ভাই, মিরাজ তাকে ডেকেই যাচ্ছে। না পেরে এক জগ পানি এনে রাশেদের গায়ে ঢেলে দিলো। রাশেদ ভ্রু কুচকে আধো চোখে মিরাজের দিকে তাকালো। মিরাজ বললো, “তোকে দুই দিন ধরে ডাকতে ডাকতে পাগল হয়ে গেছি। ওঠ। দিন দুনিয়ায় কি তোকে ঘুম থেকে ডেকে তোলা ছাড়া আমার আর কোনো কাজ নেই?”বলেই চেয়ার টেনে নিয়ে রাশেদের সামনে বসলো। রাশেদ কাঁচা ঘুম চোখে উঠে বসলো। ঝিমাতে…

"ফ্রেমে বন্দী বিকেল"