গভীর রাত। একাত্তরের শেষের দিক। কারফিউ চলছে, সাথে চলছে ব্ল্যাকআউটও। ধানমন্ডি সাত নম্বর রোড ঘুটঘুটে অন্ধকার। আরবান গেরিলা দল ক্র্যাক প্লাটুনের সেকেন্ড ও থার্ড ফেজের অকুতোভয় বঙ্গশার্দুলেরা আরো ভয়ংকর হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে পাকিস্তানীদের উপর। তাই রীতিমত মরিয়া হয়ে বাড়ি বাড়ি তল্লাশী চালাচ্ছে পাকিস্তানী সেনারা ও কালো সালোয়ার পরা সাক্ষাৎ নরপিশাচ বলে কুখ্যাত পাকিস্তানী মিলিশিয়া বাহিনী। এই রোডেরই একটি বাড়ি হচ্ছে পাকিস্তানের সাবেক কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি মিনিস্টার নুরুর রহমানের। ভেতরে তার স্ত্রী আসমা রহমান প্রবল আতংক আর আশংকায় ভাবছেন, একটু পর যদি পাকিস্তানীরা বাড়িতে ঢুকে পড়ে, কিভাবে তিনি এতোগুলো মানুষকে বাঁচাবেন? কিভাবে এই মেয়েগুলোকে বাঁচাবেন? ভাবতে ভাবতেই হুট করেই বুটের আওয়াজ শোনা গেল, গেটের সামনে চলে এসেছে পাকিস্তানী সেনারা! কি হবে এখন?

পাকিস্তানীদের এই ছোট্ট দলটি থেকে একজন গেটে ধাক্কা দিতে যাবে, হঠাৎ তার কমান্ডিং অফিসার তাকে পেছন থেকে থামালো। দরজার নামফলকের দিকে তাকিয়ে আছে সে। নামফলকে বড় করে হাইলাইট হয়ে থাকা “চেয়ারম্যান” শব্দটা তাকে দ্বিধায় ফেলে দিয়েছে। বেশ কিছুক্ষণ পর সে অবশেষে সিদ্ধান্ত নিল যে এটি আসলে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের বাড়ি, সুতরাং এই বাড়িতে তল্লাশি চালানো অর্থহীন। সুতরাং পাকিস্তানী সেনা ও মিলিশিয়ারা চলে গেল পরের বাড়িতে, বুটের শব্দ দূরে সরে যেতে শুনে বুকের ভেতরে এতক্ষণ চেপে রাখা আতংকের শ্বাসটা বের করে দিলেন আসমা রহমান, বেরিয়ে এলো স্বস্তির নিঃশ্বাস!

সিলেটে আওয়ামীলীগের গোঁড়াপত্তন হয়েছিল নুরুর রহমানের হাতে, রাজনীতির পাশাপাশি “বেঙ্গল লাইফ অ্যান্ড জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি” চেয়ারম্যান ছিলেন নুরুর রহমান। তো, বাড়ির সামনের ওই নামফলকে ওই চেয়ারম্যান শব্দটাই হাইলাইটেড ছিল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান হিসেবে, যেটা পাকিস্তানীরা ধরে নিয়েছিল শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান! ফলে তারা ভার বাড়িতে ঢোকেনি, সেদিনের মত বেঁচে গেল বাড়ির মানুষগুলো, স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন আসমা বেগম! আজ যদি পাকিস্তানীরা বাড়ির ভেতরে ঢুকতো, তল্লাশি চালাতো, কিভাবে বাঁচাতেন তিনি এই মানুষগুলোকে?

যুদ্ধ শুরু পর থেকেই যে প্রতিবেশী সাহা বাবু আর গোপেশ মালাকারের পুরো পরিবারসহ আরো অনেকগুলো মানুষকে তিনি আশ্রয় দিয়ে লুকিয়ে রেখেছেন এখানে, বিশেষ করে যুবতী মেয়েগুলোকে ওই পাকিস্তানী পশুদের হাত থেকে কিভাবে বাঁচাতেন তিনি? তার চেয়েও ভয়ংকর বিষয়টি হচ্ছে একটু আগেই তো বাচ্চু(নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, মুক্তিযোদ্ধা, সংস্কৃতি কর্মী ও চিত্রপরিচালক) আর শাহাবুদ্দিন(আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রকর শাহবুদ্দিন) গ্রুপের গেরিলারা দুইতলায় এতোক্ষণ বসে মিটিং করছিল আর পরবর্তী অপারেশনের প্ল্যান সাজাচ্ছিল, তাদের ধরা পড়ে যাওয়ার একটা বড় সম্ভবনা ছিল। যদিও একটু আগে তাদের জোর করে ভাত-মাংস খাইয়ে তবেই যেতে দিয়েছেন, কিন্তু খাবার পর এটো প্লেট, বাসনকোসন কিংবা মুরগীর হাড়-গোড়, ছড়ানো ছিটানো পুরনো পত্রিকা, কাগজ পরিষ্কার করার সুযোগ পাননি তিনি, তার আগেই চলে এসেছিল পাকিস্তানীরা! যদি তারা দুই তলায় এসে এই হাড়-গোড় দেখতো, সাথে সাথে এলাকার সব রাস্তা বন্ধ করে চিরুনি অভিযান শুরু করতো, মেরে ফেলতো এই বাসার সবাইকেও। স্রেফ ভাগ্যের জোরে আল্লাহ বাঁচিয়ে দিয়েছেন আজ তাদের, যেমনটি হচ্ছে সেই মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর থেকেই!

একাত্তরের ২৫শে মার্চ রাতে যখন ক্র্যাকডাউন হলো, মানুষ ছুটছে দিগ্বিদিক,হতবিহ্বল, স্রেফ প্রাণটা বাঁচানোর তাগিদে; তখন বড় ছেলে বাবু কোনক্রমে বাসায় ফিরে দেখলো সবাইকে আগলে রেখে বাড়ির করিডোরে বসে আছেন সাফিয়া বেগম। সেই যে শুরু হলো সবাইকে আগলে রাখা, এরপর নয়টা মাস মানুষের সেই স্রোত আর থামেনি। সেটা দেখার জন্য অবশ্য বাবু বা ছোট ছেলে সুহেল বাসায় ছিল না। কারফিউ উঠে যেতেই বাবু, তার বন্ধু সেলিম আর বাচ্চু এবং ছোট ছেলে সুহেলকে আসমা বেগমের অমোঘ নির্দেশ— “দেশ স্বাধীন না করে ঘরে ফিরবি না, দেশটা স্বাধীন করতে হবে, মাতৃভূমির ডাক আসছে, যুদ্ধে যাও!”

দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধরে কি অপরিমেয় ভালোবাসার বাঁধনে বেঁধেই না সন্তানদের এনেছিলেন তিনি এই পৃথিবীতে, দেশমাতার বিপদে স্নেহের সেই অচ্ছেদ্য বন্ধনটারও পরোয়া করেননি আসমা বেগম। বুকে দশমন পাথর বেঁধে কি অবলীলায় কড়া চোখে তাকিয়ে বলেছিলেন, দেশটা স্বাধীন না করে ঘরে ফিরবি না… আজ স্বাধীন দেশে অবাক বিস্ময়ে আমরা ভাবি, মাতৃহৃদয়ের সীমাহীন অপত্যস্নেহের উর্ধ্বে ওঠার এমন অমিত সাহস জাহানারা ইমাম, সাফিয়া বেগম, ফিরোজা বেগম কিংবা আসমা রহমানের মত মায়েরা পেলেন কোথায়?

বড় ছেলে বাবু তখন সিলেট অঞ্চলের চার নম্বর সেক্টরের কুকিতলের সাবসেক্টর কমান্ডার, ছোট ছেলে সুহেল ঢাকায় আরবান গেরিলা, একটার পর একটা অপারেশনে কাঁপিয়ে দিচ্ছে পাকিস্তানীদের, এদিকে ধানমন্ডির বাসাটায় বাবা নুরুর রহমান আর আসমা রহমান একলা পাহারা দিচ্ছেন এতোগুলো মানুষকে। কি অদ্ভুত আতংকের দিন গেছে সেগুলো! সুহেলের দলের দলনেতা শাহাবুদ্দিন আর বাচ্চু প্রায়ই অন্যান্য গেরিলাদের নিয়ে আসতেন ধানমন্ডির এই বাসায়, নিঃশব্দে উঠে যেতেন দুই তলায়, সেখানে বসেই হত পরের অপারেশনের পরিকল্পনা, ওদিকে আসমা খেয়াল রাখতেন কোনভাবেই যেন কেউ টের না পায়। শহীদ রুমির বাসা কণিকা, আজাদের মগবাজারের বাসা কিংবা আলতাফ মাহমুদের রাজারবাগের বাসার মত ধানমন্ডি সাতের এই বাসাটাও ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের হাইডআউট ও অস্ত্র রাখার দুর্গ।

দুই তলার বারান্দার কোনায় একটা চমৎকার নৌকা ছিল, যেটার ভেতরে রাখা হত রাইফেল এবং গ্রেনেডগুলো। এছাড়াও বারান্দায় ঝুলে থাকা টবগুলোর ভেতর মাটির নীচে রাখা হত গ্রেনেড এবং ছোট অস্ত্র। মাঝে মাঝেই গেরিলারা আসতো, অস্ত্র-গ্রেনেড নিয়ে যেত, রেখে যেত। এই সময়টা ছিল খুবই বিপদজনক! কারণ একটু পর পরই বাসার সামনে দিয়ে পাকিস্তানী মিলিটারির ট্রাক আর জিপ চলাচল করছে, ধরা পড়লে সরাসরি টর্চার সেল, মৃত্যুর চেয়েও যন্ত্রণাদায়ক অত্যাচার অপেক্ষমাণ যেখানে। মাঝে মাঝেই পরিচিত অনেকেই আসতো। ড্রইংরুমে বসে চা-নাস্তা খেতে খেতে তারা গল্প জুড়ে দিত, কিন্তু শকুনের মত চোখগুলো ঘুরতো আশেপাশে সর্বত্র!

ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস মুভির সেই দৃশ্যটাই যেন মঞ্চায়িত হত ধানমন্ডির এই বাসাটায়! এই হিন্দু পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে মেয়েদের কলেমাসহ নানা ইসলামী নিয়ম-কানুন শিখিয়ে রাখা হয়েছিল অবশ্য, কিন্তু তারপরেও বাসায় কেউ এলেই তাদের লুকিয়ে ফেলা হত নীচতলার ঘরগুলোতে। শান্তিকমিটির একজন সদস্যের স্ত্রী প্রায়ই আসতো আসমা রহমানের সাথে গল্প করতে, প্রতিবারই জিজ্ঞেস করতো বাবু-সুহেল কোথায়? আসমা খুব ঠান্ডা মাথায় কাটিয়ে নিতেন প্রশ্নটা, বলতেন যে ওদের বাবা তো ওদের লন্ডন পাঠিয়ে দিয়েছে। শান্তিকমিটির সদস্যদের কাছে অবশ্য নুরুর রহমান বলতেন যে ছেলে দুটোকে তিনি করাচী পাঠিয়ে দিয়েছেন দেশের এই অবস্থায়। তবুও তারা সন্তুষ্ট হত না। প্রায়ই জানতে চাইত, আচ্ছা, আপনার কি মনে হয় সত্যিই পাকিস্তান ভেঙ্গে যাবে? খুব সাবধানে উত্তর দিতেন দুজনে। বড় যন্ত্রণাদায়ক ছিল এই হাসিমুখে ইন্টেরোগেশন পর্ব!

সেপ্টেম্বরে যখন নুরুর রহমান সিলেটে চলে গেলেন বাবুর আহত হবার সংবাদ শুনে, এই বিশাল বাসা আর এতোগুলো মানুষকে দেখে রাখার দায়িত্ব একলা আসমার কাঁধে এসে পড়লো। তখনও তাকে প্রতিনিয়তই সহ্য করে যেতে হয়েছে এই স্লো ইন্টেরোগেশন! শুধু যে সুহেল আর বাবু কোথায় সেটা জিজ্ঞেস করেই থামতো না এরা, ভিন্ন পথ ধরতো, কথা বের করার জন্য উসকে দিয়ে বলতো, এইসব গাদা বন্দুক আর পটকা ফুটায়ে পাকিস্তান ভাঙ্গা সম্ভব না, কি বলেন? আসমা জবাব দিতেন খুব সাবধানে, যেন তার মুখ দিয়ে বের হওয়া কোন শব্দে বা কোন মুখভঙ্গিতে ওরা কিছু সন্দেহ না করতে পারে। কতবার কতভাবে যে অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন তারা, ভাবতে গেলেও আজ আসমা রহমানের গা শিউরে ওঠে!

কয়েকদিন আগে দুপুরে খেতে বসে আন্টির কাছ থেকে শুনছিলাম ইতিহাসের এই না জানা অধ্যায়গুলো। তন্ময় হয়ে শুনতে শুনতে কখন যে হাতের ভাত শুকিয়ে গেছে, টেরই পাইনি। হঠাৎ করেই আন্টি বললেন কুটু নামে এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার কথা। হলিক্রস কলেজে তখন জোর করে ক্লাস-পরীক্ষা চলছিল, পাকিস্তানী সেনারা সারা পৃথিবীর কাছে ঢাকা শহরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখাবার আপ্রাণ চেস্টায় নির্দেশ দিয়েছিল শহরের সব স্কুল-কলেজ খোলা রাখতে, নিয়মিত ক্লাসে হাজির হওয়া ও পরীক্ষা দিতে হবে ছেলেমেয়েদের! তো, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর নির্দেশ ছিল কোনভাবেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের কোন ক্ষতি না করে এই ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে দিতে হবে, স্কুল যেন কোনভাবেই খোলা রাখতে না পারে কর্তৃপক্ষ! সেই লক্ষ্যেই কুটুকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল হলিক্রস কলেজের মেয়েদের পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডগুলো নিয়ে আসতে হবে। যেন মেয়েরা পরীক্ষায় বসতে না পারে!

তখন হলিক্রস কলেজের চারপাশে গিজগিজ করছে পাকিস্তানী সেনারা, কড়া পাহারা, তার ওপর উঁচু কাঁটাতারের প্রাচীরে ঘেরা পুরো এরিয়া। এসব টপকে কলেজে ঢুকে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে আসা মোটামুটি অসম্ভব একটা কাজ। কিন্তু কুটু একবিন্দু থমকালো না। পাকিস্তানী সেনাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সে ওই কাঁটাতারের বেড়া টপকালো, টপকাতে গিয়ে রক্তাক্ত হয়ে গেল পুরো হাত-পা সহ শরীরের নানা অংশ। তবুও সে থামলো না, অ্যাডমিট কার্ডগুলো কলেজের অফিসরুম থেকে বের করে আবারো সেই একইভাবে কাঁটাতারের বেড়া টপকে নেমে এল। তারপর সমস্ত অ্যাডমিট কার্ড নষ্ট করে শহরের নানা জায়গায় ফেলে দিয়ে বাসায় এলো। ফলে সেই পরীক্ষাটা আর হতে পারেনি। কিন্তু তার কয়েকদিন পরেই সে ধরা পড়ে পাকিস্তানীদের হাতে, স্থানীয় আরেক গেরিলার সাথে। তারপর তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

কি সৌভাগ্য গেরিলা কুটুর, মহাকালের স্রোতে সে হারিয়ে গেলেও একজন মুক্তিযোদ্ধা মায়ের স্মৃতিতে সে ঠিকই রয়ে গেছে, স্রেফ তার নামটাই জানতে পারি আমরা, পরম যত্নে তার বীরত্বগাঁথা হৃদয়ে ধরে রেখেছেন আসমা রহমান। বলতে বলতে একসময় ম্লান হয়ে এল তার চেহারা। হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন বঙ্গবন্ধুর খুনী লেঃ কর্ণেল নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে কিনা, প্রধানমন্ত্রী যে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন, তার আপডেট কি? বললাম, এই ব্যাপারে সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে, যেন ওই আত্মস্বীকৃত খুনীকে ফিরিয়ে আনা যায়। আফসোস করে বললেন, বঙ্গবন্ধুর খুনীরা, রাজাকার আলবদরেরা আরাম আয়েশে বিদেশে থাকছে, ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ স্বাধীন বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবী সেলিনা পারভীনের সন্তানকে মেরে ফেলা হয়, সেটাকে চালিয়ে দেয়া হয় দুর্ঘটনা হিসেবে! সুমন জাহিদদের চোখে সামনে থেকে তাদের বাবা-মাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল একাত্তরে, কুকুরের মত মেরে ফেলা হয়েছিল, তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে ছিল, আজ তাদের সন্তানদের লাশ পড়ে থাকে স্বাধীন বাংলাদেশে! সেটাও চালিয়ে দেওয়া হয় দুর্ঘটনা হিসেবে। ইতিহাস ভুলে যাওয়া মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করা লাখো শহীদের এই নতুন প্রজন্মের উত্তরসূরিরা কি আদৌ জানে যে দেশটা আস্তে আস্তে দখল করে নিচ্ছে সেই পরাজিত পাকিস্তানী শকুনেরা?

ধরা গলায় আসমা রহমানের কন্ঠ চিরে বেরিয়ে আসা এই প্রশ্নের জবাব আমি দিতে পারিনি। আসলেই তো, তারা কি আদৌ জানে? টের পায়?

Comments
Spread the love